জাতীয় নাগরিক পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তর
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from জাতীয় নাগরিক পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তর, Dhaka.
যে রক্তে লেখা হয়েছে নতুন ভোরের আখ্যান, তা কেবল ইতিহাস নয়, তা আমার অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জুলাইয়ের অগ্নিগর্ভে জন্ম নেওয়া সেই গণঅভ্যুত্থান, আর রাজপথ কাঁপানো নির্ভীক জুলাই যোদ্ধাদের অদম্য চেতনা—এটাই আমার রাজনৈতিক আদর্শের মূল ভিত্তি, আমার অঙ্গীকারের আকাশ।
জুলাই গণহত্যার বিচার চাই!
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিচার চাই!
#হাদী_হত্যারর_বিচার_চাই
July_Massacre
01/03/2026
মধ্যপ্রাচ্যের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি
ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকা সংঘাত ও মুসলিম বিশ্বের ভূমিকা
সংঘাতের বর্তমান প্রেক্ষাপট: অপারেশন 'এপিক ফিউরি'
২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব রাজনীতি এক নতুন সংকটে পতিত হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে 'অপারেশন এপিক ফিউরি' (Operation Epic Fury) এবং 'রোরিং লায়ন' (Roaring Lion) শুরু করে। তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এই হামলার উদ্দেশ্য হিসেবে মার্কিন প্রশাসন 'ইরানের সরকার পরিবর্তন' এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করার কথা উল্লেখ করেছে।
ইরানও এর পাল্টা জবাব দিয়েছে অত্যন্ত কঠোরভাবে। ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ড এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে (বিশেষ করে কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনে) শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
মুসলিম বিশ্ব কেন 'নীরব' বা নিষ্ক্রিয়?
অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগছে, এত বড় সংকটে মুসলিম দেশগুলো কেন কার্যকর কোনো ভূমিকা নিচ্ছে না। এর পেছনে ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কিছু গভীর কারণ রয়েছে-
জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের ঝুঁকি: ইরান ইতিমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যদি কোনো দেশ তাদের মাটি ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা চালাতে দেয়, তবে তাদেরও লক্ষ্যবস্তু করা হবে। ফলে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ওমানের মতো দেশগুলো নিজেদের রক্ষার তাগিদে নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করছে।
শিয়া-সুন্নি মেরুকরণ: ঐতিহাসিকভাবেই ইরান (শিয়া প্রধান) এবং অনেক আরব রাষ্ট্রের (সুন্নি প্রধান) মধ্যে আদর্শিক ও আঞ্চলিক আধিপত্যের লড়াই রয়েছে। অনেক আরব রাষ্ট্র ইরানকে ইসরায়েলের চেয়েও বড় হুমকি হিসেবে মনে করে।
অর্থনৈতিক নির্ভরতা: কাতার বা কুয়েতের মতো দেশগুলো তাদের নিরাপত্তার জন্য মার্কিন সামরিক শক্তির ওপর নির্ভরশীল। সরাসরি আমেরিকার বিরোধিতা করা তাদের জন্য অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে আত্মঘাতী হতে পারে।
আব্রাহাম অ্যাকর্ডস ও স্বাভাবিকীকরণ: সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কিছু মুসলিম দেশ ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে। এই বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সম্পর্কের কারণে তারা এখন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর কোনো অবস্থানে যেতে পারছে না।
আমেরিকা ও ইসরায়েল, ইরানে শাসন পরিবর্তন ও পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস। | বিমান হামলা, সাইবার অ্যাটাক এবং অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে উস্কানি।
ইরান, শাসনব্যবস্থা রক্ষা এবং আঞ্চলিক আধিপত্য বজায় রাখা। প্রক্সি বাহিনী (হিজবুল্লাহ, হুথি) ব্যবহার ও সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।
আরব রাষ্ট্রসমূহ | নিজ দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখা। | কূটনৈতিক নিন্দা জানানো কিন্তু সরাসরি যুদ্ধে না জড়ানো।
বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু এবং পরবর্তী নেতৃত্ব সংকট এই অঞ্চলকে দীর্ঘমেয়াদী গৃহযুদ্ধ বা আরও বড় আঞ্চলিক যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
মুসলিম বিশ্বের এই 'নীরবতা' আসলে নিষ্ক্রিয়তা নয়, বরং একটি ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা। তবে গাজা এবং ইরানের সাধারণ মানুষের ওপর যে মানবিক বিপর্যয় নেমে আসছে, তাতে মুসলিম উম্মাহর অনৈক্য আবারও বিশ্ব দরবারে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
--জসিম গাজী
01/03/2026
গভীর শোক ও শ্রদ্ধা - এনসিপির সভাপতি নাহিদ ইসলাম ভাইয়ের পক্ষ থেকে
We are deeply shocked and saddened by the martyrdom of Iran’s Supreme Leader, Ayatollah Ali Khamenei, in an airstrike reportedly carried out by joint U.S.–Israeli forces on Sunday. Inna Lillahi wa inna ilayhi raji’un.
We extend our heartfelt condolences to the freedom-loving people of Iran during this time of profound grief.
The attack on Iran represents an unprovoked act of aggression against a sovereign nation and risks triggering further escalation, thereby deepening instability across the Middle East region. In moments of crisis, diplomacy must prevail, and international law must be upheld without exception.
The failure of global leaders—particularly those within the region—to safeguard peace and stability will remain a shameful chapter in history.
We strongly urge all concerned parties to immediately cease military actions, exercise maximum restraint, and return to dialogue. The international community, including the United Nations, must act swiftly and decisively to preserve peace and security worldwide.
01/03/2026
বিস্মৃতির অতলে নয়, বিচারের কাঠগড়ায়: রক্তেভেজা বাংলাদেশের আর্তনাদ
একটি দেশের পতাকা কেবল একটি কাপড় নয়, এটি অর্জিত হয় লাখো শহীদের রক্ত আর অগণিত ত্যাগের বিনিময়ে। কিন্তু স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের মানচিত্র বারবার রঞ্জিত হয়েছে নিজের ভাইয়ের রক্তে, মেধাবী সন্তানদের লাশে আর বিচারহীনতার অন্ধকারে। আজ সময় এসেছে সেই ক্ষতগুলোকে স্মরণ করার, কারণ বিস্মৃতি মানেই অপরাধীকে মুক্তি দেওয়া।
বিশ্বজিৎ ও আবরার-
যখন মেধাই হলো অভিশাপ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই দর্জি শ্রমিক বিশ্বজিৎ দাসকে কি ভোলা সম্ভব? ২০১২ সালের সেই দিনে প্রকাশ্য দিবালোকে শত শত মানুষের সামনে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। একইভাবে, বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হলো শুধু তার স্বাধীন মতপ্রকাশের কারণে। এই মৃত্যুগুলো কেবল দুটি প্রাণের অবসান ছিল না, এগুলো ছিল আমাদের বিচারব্যবস্থা এবং মানবিকতার ওপর চপেটাঘাত।
পিলখানা ও শাপলা চত্বর-
রাতের আঁধারে হারানো নক্ষত্র
২০০৯ সালের পিলখানা ট্র্যাজেডিতে আমরা হারিয়েছি আমাদের ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাকে। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সেই নৃশংস হত্যাকাণ্ড আজও রহস্যের কুয়াশায় ঢাকা।
ঠিক একইভাবে, ২০১৩ সালের মে মাসে মতিঝিল শাপলা চত্বরের সেই বিভীষিকাময় রাত। শত শত আলেম-ওলামা ও ছাত্রদের রক্তে যখন রাজপথ রঞ্জিত হয়েছিল, তখন ক্ষমতার দম্ভে সেই লাশের মিছিলকে আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই কান্না আজও বাংলার আকাশে-বাতাসে প্রতিধ্বনিত হয়।
রাষ্ট্রযন্ত্রের আড়ালে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড-সিনহা ও ফেলানী
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে মেজর সিনহা মোঃ রাশেদ খানকে যেভাবে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হলো, তা রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেতরের পচনকে সামনে এনেছিল। অন্যদিকে, সীমান্তের কাঁটাতারে ঝুলে থাকা কিশোরী ফেলানীর নিথর দেহ আজও আমাদের সার্বভৌমত্বের এক বড় ক্ষত। সীমান্তে হত্যা আর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের প্রতিটি রক্তবিন্দু আমাদের পতাকাকে কলঙ্কিত করছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান- মহাকাব্যের নতুন অধ্যায়
২০২৪-এর জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার যে অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থান আমরা দেখলাম, তা ছিল দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। আবু সাঈদ, মুগ্ধসহ হাজারো শহীদের রক্ত আর পঙ্গুত্ব বরণ করা তরুণদের আত্মত্যাগ আমাদের এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছে। এই মহানায়কদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া মানেই দেশের সাথে বেইমানি করা।
আমাদের অঙ্গীকার
আমরা কাউকেই ভুলে যাব না। বিস্মৃতি মানেই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া। প্রতিটি হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই জাতির মুক্তি নেই। যদি আমরা এই রক্তের ঋণ শোধ করতে না পারি, তবে ইতিহাসের কাঠগড়ায় আমাদের দাঁড়াতে হবে। কলঙ্কমুক্ত পতাকার নিচে দাঁড়িয়ে আমরা আজ শপথ নিই—আমরা ভুলিনি, আমরা ভুলব না; আমরা সবার বিচার নিশ্চিত করবই।
শহীদদের রক্ত কথা বলবেই!
#বিচার_চাই #বিস্মৃতির_বিরুদ্ধে #রক্তের_ঋণ #কলঙ্কমুক্ত_বাংলাদেশ
#জুলাই_গণঅভ্যুত্থান #শহীদদের_স্মরণে
#ফ্যাসিবাদ_বিরোধী #ন্যায়বিচার_নিশ্চিত_করুন
01/03/2026
আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি—আধুনিক ইতিহাসের এমন এক নাম, যিনি কেবল একটি দেশের মানচিত্র পরিবর্তন করেননি, বরং বিশ্বরাজনীতির মেরুকরণ বদলে দিয়েছিলেন। বিংশ শতাব্দীতে যখন পুঁজিবাদ এবং সমাজতন্ত্রের দ্বন্দ্বে বিশ্ব বিভক্ত, তখন তিনি 'না প্রাচ্য, না পাশ্চাত্য' স্লোগান দিয়ে ইসলামি বিপ্লবের এক নতুন পথ দেখিয়েছিলেন।
রাজনীতির দর্শন- খিলাফতের আধুনিক রূপ
আয়াতুল্লাহ খোমেনির রাজনীতি কেবল ক্ষমতা দখলের লড়াই ছিল না, তা ছিল আধ্যাত্মিকতা ও রাজনৈতিক ক্ষমতার সংমিশ্রণ। তিনি 'বেলায়েতে ফকিহ' বা ধর্মতাত্ত্বিক নেতৃত্বের ধারণা প্রবর্তন করেন। তার মতে, রাষ্ট্র পরিচালিত হওয়া উচিত ন্যায়বিচার এবং খোদায়ী আইনের ভিত্তিতে, যেখানে কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির হস্তক্ষেপ থাকবে না।
পশ্চিমা শক্তির সামনে এক অনড় পাহাড়
খোমেনির সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল তার অদম্য সাহস। তৎকালীন ইরানের শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র। কিন্তু খোমেনি স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে, ইরানের ভাগ্য নির্ধারিত হবে তেহরানে, ওয়াশিংটনে নয়।
১৯৭৯ সালের বিপ্লব: দীর্ঘ নির্বাসন শেষে যখন তিনি ইরানে ফেরেন, তখন তার পেছনে ছিল কোটি মানুষের সমর্থন। তিনি একক শক্তিতে কয়েক দশকের রাজতন্ত্রের পতন ঘটান।
মাথা নত না করার নীতি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি বিরোধিতা এবং কয়েক দশকের কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তিনি তার নীতি থেকে বিচ্যুত হননি। তার বিখ্যাত উক্তি ছিল, "আমেরিকা আমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।"
সাহসী পদক্ষেপ ও পররাষ্ট্রনীতি
খোমেনি বিশ্বাস করতেন মুসলিম উম্মাহর ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। তার নেওয়া কিছু পদক্ষেপ আজও বিশ্ব
রাজনীতিতে আলোচিত-
ইসরায়েল বিরোধিতার রূপরেখা- তিনি ফিলিস্তিন ইস্যুকে কেবল আরবদের সমস্যা হিসেবে না দেখে পুরো মুসলিম বিশ্বের সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং 'বিশ্ব কুদস দিবস' পালনের ডাক দেন।
সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী অবস্থান: সোভিয়েত ইউনিয়ন হোক বা যুক্তরাষ্ট্র—যেকোনো পরাশক্তির আধিপত্যকামী আচরণের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন উচ্চকণ্ঠ।
সাদামাটা জীবন ও আধ্যাত্মিক শক্তি
বিশাল একটি দেশের সর্বোচ্চ নেতা হওয়া সত্ত্বেও তার জীবনযাপন ছিল একজন সাধারণ দরবেশের মতো। তেহরানের একটি ছোট ঘরে চাটাইয়ে বসে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনা করতেন। এই অনাড়ম্বর জীবনই তাকে সাধারণ মানুষের কাছে 'রুহুল্লাহ' বা আল্লাহর আত্মা হিসেবে জনপ্রিয় করে তুলেছিল।
১৯৮৯ সালের ৩ জুন যখন এই মহান নেতার জীবনাবসান ঘটে, তখন তেহরানের রাজপথে ১০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের ঢল নেমেছিল—যা ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম জানাজা হিসেবে স্বীকৃত। আয়াতুল্লাহ খোমেনি কেবল ইরানের নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন সারা বিশ্বের মজলুম মানুষের জন্য এক প্রেরণার বাতিঘর। সাম্রাজ্যবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে কীভাবে একটি জাতি নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে, তার জাজ্বল্যমান উদাহরণ তিনি রেখে গেছেন।
#আয়াতুল্লাহ_খোমেনি #ইসলামি_বিপ্লব #ইরান
#সাম্রাজ্যবাদ_বিরোধী #মজলুমের_কণ্ঠস্বর
#বিপ্লবের_নায়ক #শ্রদ্ধাঞ্জলি
28/02/2026
তারুণ্যের এনসিপি
এক বছরের পথচলা ও আগামীর স্বপ্ন
তারুণ্যের এনসিপি এক বছর- প্রথা ভাঙার রাজনীতিতে নতুন সম্ভাবনা
বাংলাদেশের রাজনীতির ক্যালেন্ডারে একটি বছর খুব দীর্ঘ সময় না হলেও, জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)-এর জন্য এই এক বছর ছিল এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের সাক্ষী। প্রথাগত রাজনীতির জরাজীর্ণ কাঠামো ভেঙে তরুণদের কাঁধে ভর করে যাত্রা শুরু করা এই দলটি দেখতে দেখতে পার করল তাদের প্রথম বর্ষপূর্তি। এই এক বছরে এনসিপি কেবল একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, বরং একটি 'আন্দোলন' হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছে।
প্রথা ভাঙার প্রত্যয়
এনসিপির জন্ম হয়েছিল মূলত সাধারণ মানুষের বঞ্চনা এবং পুরনো ধারার রাজনীতির প্রতি অনীহা থেকে। দলের মূল চালিকাশক্তি ছিল তরুণ প্রজন্ম। 'গেলামী না আজাদী'—এই স্লোগান কেবল মুখের কথা ছিল না, ছিল তাদের কর্মকাণ্ডের মূলনীতি। গত এক বছরে তারা দেখিয়েছে, কেবল রাজপথে শ্লোগান নয়, বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই এবং নীতি নির্ধারণেও তরুণরা কতটা সক্ষম।
জনসম্পৃক্ততা ও 'আজাদী'র ডাক
দলের এই এক বছরে এনসিপি বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। 'আজাদী' বা প্রকৃত স্বাধীনতার অর্থ যে শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বাধীনতা নয়, বরং অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তি—তা জনগণের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে দলটি। মাঠ পর্যায়ে মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এনসিপির কর্মীরা বিভিন্ন সময় সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে।
তরুণ নেতৃত্ব- নাহিদ ইসলামের ভূমিকা
এই এক বছরের যাত্রায় নাহিদ ইসলাম সহ ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা নতুন প্রজন্মের রাজনীতির প্রতীক হিসেবে সামনে এসেছেন। দলের আদর্শিক ভিত্তি মজবুত করতে এবং তরুণদের রাজনীতিতে আকৃষ্ট করতে তাদের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। প্রথাগত নেতার চেয়ে 'সহযোদ্ধা' হিসেবে তারা নিজেদের উপস্থাপন করেছেন, যা সাধারণ মানুষের কাছে এই দলকে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
চ্যালেঞ্জ ও আগামীর পথ
প্রথম বছরেই এনসিপি বিভিন্ন রাজনৈতিক সমীকরণে নিজেদের গুরুত্ব জানান দিয়েছে। তবে সামনের পথ মসৃণ নয়। দলের সাংগঠনিক কাঠামো আরও মজবুত করা, তৃণমূল পর্যায়ে বিস্তার লাভ করা এবং নীতি নির্ধারণী জায়গাগুলোতে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়া—এই চ্যালেঞ্জগুলো এখন এনসিপির সামনে।
'ইনকিলাব জিন্দাবাদ' স্লোগানের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই যাত্রায় এনসিপি এক বছরে তরুণদের মনে যে আশার আলো জ্বালিয়েছে, তা ধরে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ।
#জাতীয়_নাগরিক_পার্টি #বর্ষপূর্তি #নাহিদ_ইসলাম #বাংলাদেশ_রাজনীতি #ইনকিলাব_জিন্দাবাদ #গেলামী_না_আজাদী #আজাদী_আজাদী
28/02/2026
তারুণ্যের এনসিপির পথচলার ১ বছর।
Click here to claim your Sponsored Listing.