Dhaka Attar

Dhaka Attar

Share

Special Imported Ators form foreign countries

Mobile uploads 20/06/2015

রমজান মাসে স্বামী স্ত্রীর জন্য কিছু বাধা
নিষেধ! 4 hours ago
ধর্ম ও জীবন
রোজায় যে জিনিসগুলো থেকে বিরত
থাকতে হয় তার মধ্যে একটি হচ্ছে যৌন
সম্পর্ক বা সহবাস। কেউ যদি এই কাজটি
রোজার দিন করে বসে তবে রোজা
ভেঙ্গে যাবে। এর প্রমাণ হচ্ছে সূরা
বাকারাতে আল্লাহ্র বক্তব্যঃ
“রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের
সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য
হালাল করা হয়েছে”। [আল-বাকারাঃ
১৮৭] এই আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে
রোজার দিনে সহবাস হালাল করা
হয়নি।
যৌন সম্পর্ক বলতে শরি’আর ভাষায়
বোঝানো হচ্ছে পুরুষাঙ্গের সাথে
স্ত্রী-অঙ্গের মিলন। এক্ষেত্রে
বীর্যপাত শর্ত নয়। অর্থাৎ এই দুই অঙ্গ
সংস্পর্শে আসলেই রোজা ভেঙ্গে
যাবে, বীর্যপাতের ঘটনা না ঘটলেও।
শায়খ সালেহ ইবন আল-‘উসায়মীন এই
মতটিই ব্যক্ত করেছেন। যৌন মিলনের
দ্বারা কেউ রোজা ভাঙলে সেই রোজা
পরবর্তীতে কাযা করতে হবে এবং
“ভারী কাফ্ফারা” দিতে হবে। সেই
প্রসঙ্গ পরে আসছে।
কোনো স্বামী যদি জোর করে স্ত্রীর
সাথে যৌনসম্পর্ক করেন সেক্ষেত্রে
স্বামীর রোজা ভেঙ্গে গেলেও স্ত্রীর
রোজা ভাঙবে না। এর কারণ আমরা
আগে উল্লেখ করেছি। আল্লাহ্র রাসূল
(সাঃ) ইবন ‘আব্বাস বর্ণিত হাদীসে
উল্লেখ করেছেনঃ “নিশ্চয়ই আল্লাহ্
আমার উম্মতের ওপর থেকে
ত্রুটিবিচ্যুতি, ভুলে যাওয়া ও জোর
করিয়ে করানো কাজকে মার্জনা
করেছেন”। [প্রসঙ্গত আজকাল যেহেতু
খবর পাওয়া যাচ্ছে নারীরা জোর করে
পুরুষদের বিয়ে করছেন, ভবিষ্যতে
পুরুষদের জন্য অনুরূপ ফিকহি আলোচনা
করতে হতে পারে।
৫.৮ শারীরিক স্পর্শ বা চুম্বন
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কামনাবসত
শারীরিক স্পর্শ যেমন স্রেফ চুমুর
কারণে রোজা ভাঙবে না। তবে এর
ফলে যদি বীর্যপাত ঘটে সেক্ষেত্রে
রোজা ভেঙ্গে যাবে। তাই রোজার
সময় এগুলো পরিহার করাই উত্তম। চুম্বন
যদি কামনাবশত না হয় সেক্ষেত্রে
ক্ষতি নেই।
৫.৯ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বীর্যপাত
ঘটানো
যদি কেউ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নিজের
বীর্যপাত ঘটান সেক্ষেত্রে তার
রোজা ভেঙ্গে যাবে। যেমন নিজে
হস্তমৈথুনের মাধ্যমে অথবা স্ত্রী
কর্তৃক হস্তমৈথুনের মাধ্যমে যদি
বীর্যপাত ঘটে তাহলে রোজা ভাঙবে।
কোনো ব্যক্তি যদি যৌনউত্তেজক
কোনো কিছু দেখে, শোনে বা পড়ে –
এক্ষেত্রে বীর্যপাত ঘটলে তার রোজা
ভাঙবে। এক্ষেত্রে স্বতঃপ্রণোদিত
ভাবে করা কোনো কাজের ফলে
বীর্যপাত ঘটলে রোজা ভাঙবে।
এভাবে রোজা ভেঙ্গে গেলে কাযা
করাই যথেষ্ট, যৌনমিলনের ক্ষেত্রে যে
ভারী কাফ্ফারা দিতে হয় সেটি
দিতে হবে না। স্বতঃপ্রণোদিতভাবে
ঘটানো বীর্যপাতের ফলে যে রোজা
ভাঙবে তার প্রমাণ হচ্ছে হাদীস
কুদসীতে আল্লাহ বলছেনঃ “সে
(বান্দা) আমার জন্যই খাদ্য, পানীয় ও
কামনা-বাসনা পরিত্যাগ করে”।
[বুখারী] যুক্তিসংগত কারণেই যে
ব্যক্তি নিজে উদ্যোগ নিয়ে বীর্যপাত
ঘটায় সে কামনা-বাসনা বা
“শাহওয়াহ” পরিত্যাগ করল না।
তবে বীর্যপাত যদি স্বতঃপ্রণোদিত
ভাবে না হয় সেক্ষেত্রে রোজা
ভাঙবে না। যেমন স্বপ্নদোষের ফলে
রোজা ভাঙবে না। কোনো ব্যক্তির
চিন্তায় যদি আচমকা কোনো যৌন
ভাবনা এসে উদয় হয় বা কোনো যৌন
উত্তেজক চিন্তা চলে আসে যা সে
স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মাথায় আনেনি
এবং এর ফলে যদি বীর্যপাত ঘটে
সেক্ষেত্রে রোজা ভাঙবে না।
৫.৯ মাযী ও মানীর মাঝে পৃথকীকরণ
বীর্যপাত প্রসঙ্গে আমাদের দুটি
তরলকে আলাদা করতে হবে। এদের একটি
হচ্ছে মাযী ( ﺍﻟﻤﺬﻱ )। এটি একটি স্বচ্ছ
পিচ্ছিল পদার্থ যা চূড়ান্ত বীর্যপাতের
আগে নিঃসরিত হয় ফোঁটায় ফোঁটায়।
মাযী নিঃসরণের ফলে রোজা ভাঙে
না (যদি না সেটা যৌনমিলনের
ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, যেক্ষেত্রে
পুরুষাঙ্গের সাথে যোনির মিলনই
যথেষ্ট রোজা ভাঙার জন্য)। শুধু মাযী
নিঃসরণের ফলে যেহেতু রোজা ভাঙে
না, কাযারও প্রশ্ন আসছে না। যদিও
ইমাম মালেকের একটি বর্ণনা অনুযায়ী
তিনি মাযী নিঃসরণকে রোজা
ভাঙার কারণ হিসেবে দেখেছেন,
কিন্তু অধিকাংশ ‘উলামা একে রোজা
ভাঙার কারণ হিসেবে দেখেন না।
মানী হচ্ছে যাকে বাংলায় বীর্য।
মানী বের হয়ে আসে চূড়ান্ত
বীর্যপাতের সময় দফায় দফায়। এটির
সাদা থিকথিকে একটি পদার্থ। মানী
বের হলেই কেবল রোজা ভাঙবে
উপরেল্লিখিত কারণগুলোতে। এ
ব্যাপারে কোনো ইখতিলাফ নেই।

Photos from Dhaka Attar's post 20/06/2015

শুরু হলো পবিত্র মাহে
রমজান
One line ডেস্ক | ১৯ জুন, ২০১৫

প্রতিবছরের মতো ফিরে এল পবিত্র মাহে
রমজান। সংযমচর্চার মধ্য দিয়ে
আত্মশুদ্ধি অর্জন ও মহান আল্লাহপাকের
অনুগ্রহ লাভের লক্ষ্যে ধর্মপ্রাণ
মুসলমানরা আজ শুক্রবার শুরু করেছেন
সিয়াম সাধনা।
পবিত্র রমজান উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো.
আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা দেশবাসীসহ মুসলিম উম্মাহকে
আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
দিনের বেলা পানাহার থেকে বিরত
থাকা ছাড়াও জাগতিক মোহ, কাম,
ক্রোধ, লোভ-লালসা দমন করে
আত্মশুদ্ধির সাধনা চলবে পুরো রমজান
মাসে। রোজা রাখার পাশাপাশি
সাধ্যমতো দান-খয়রাত ও বেশি বেশি
নফল ইবাদতের মধ্য দিয়ে ইসলামে অত্যন্ত
মর্যাদাপূর্ণ এই মাসের দিনগুলো
অতিবাহিত করবেন মুসল্লিরা।
রহমত ও বরকতের দিক দিয়ে রমজান মাস
বছরের অন্য ১১ মাস থেকে ভিন্ন। এ
সম্পর্কে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)
বলেছেন, রমজান মাসের প্রথমাংশে
রহমত, দ্বিতীয়াংশে মাগফিরাত অর্থাৎ
ক্ষমা আর তৃতীয়াংশে নাজাত তথা
দোজখ থেকে মুক্তি।
প্রসঙ্গত, আগামী ১৪ জুলাই মঙ্গলবার
দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র
লাইলাতুল কদর পালিত হবে।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী: বাসস
জানায়, পবিত্র রমজান উপলক্ষে
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাঁর
বাণীতে বলেন, মাহে রমজান সংযম,
আত্মশুদ্ধি ও ক্ষমা লাভের মাস। তিনি
আশা প্রকাশ করেন, রমজানের মহান
শিক্ষা সমাজের সর্বস্তরে ও সবার মাঝে
প্রতিফলিত হবে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর
বাণীতে পবিত্র রমজানের শিক্ষায়
উদ্বুদ্ধ হয়ে যাবতীয় ভোগবিলাস,
হিংসা-বিদ্বেষ, উচ্ছৃঙ্খলতা, সংঘাত
পরিহার করে ব্যক্তিগত ও সমাজজীবনে
শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্ব
প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী জীবনের সর্বস্তরে
পরিমিতিবোধ, ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শনের
মাধ্যমে এ মাসের পবিত্রতা রক্ষার
আহ্বান জানান।
খালেদা জিয়ার বাণী: বিএনপির
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়া মাহে রমজান উপলক্ষে
বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তিনি বলেন,
‘হিংসা-বিভেদ, অন্যায়-অবিচার,
লোভ-লালসাসহ সব ধরনের পাপকাজ
থেকে বিরত থাকার মহান শিক্ষা দেয়
রমজান। এ শিক্ষাকে ধারণ করে
নিজেদের পবিত্র মানুষ হিসেবে গড়ে
তুলতে আমাদের ব্রতী হতে হবে।’

Photos from Dhaka Attar's post 30/04/2015
27/01/2015

Dhakaator.com is going to import some collection of perfume from DUBAI as soon as possible within first week of february. All people are invited to take it by (some money) according to your ability.

Mobile uploads 20/01/2015

A innocent women is praying to ALLAH after finishing salat.

Mobile uploads 20/01/2015

MP jahid ahsan rasel with minister of religioun at istema fild 2015.

Mobile uploads 12/01/2015
Want your business to be the top-listed Furniture Store in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhanmondi 28
Dhaka
1209