30/09/2016
The 50 meter long, 432 dwt tanker Yowa Maru partially sank in the Japan Sea off Kudamatsu, Yamaguchi, Japan. The tanker was proceeding from Douala with 450 tons of caustic soda bound for Etajima. Just after 5 minutes leaving port, it suffered water ingress along its port side hull. Unable to control the flooding, the Yowa Maru quickly developed a list to port. http://wp.me/p1t7FO-4BC
14/09/2014
বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের দ্বিবার্ষিক (২০১৪-২০১৬) ফলাফল !!
মাহবুব উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) ঐক্য পরিষদ প্যানেলে যারা (১৮ জন) বিজয়ী !!
মাহবুব উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) ৪২৫ ভোট
আলহাজ মোঃ কামাল হোসেন ৫১৩ ভোট
খুরসেদ আলম ৪৬৮ ভোট
মোঃ ইকবাল হোসেন চেয়ারম্যান ৫৫৩ ভোট
কাজী আবদুল করিম ৪৫৬ ভোট
মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ ৪৭৬ ভোট
মোঃ রেজাউল করিম ৫১৬ ভোট
মোঃ ইউনুস ৪৩৫ ভোট
মোহাম্মদ আলী ৪৬৮ ভোট
এম এ রহিম ৪৯৫ ভোট
আলহাজ মোঃ মজিবুল হক মজিব ৪৩৯ ভোট
সাঈদ আহমেদ ৫৩৫ ভোট
মোঃ মহসীন হাওলাদার ৪৩৪ ভোট
রিয়াজুল কবির - ৩৯৫ ভোট
হাজী মোঃ আলাল শাহ ৪২০ ভোট
এসএস আলী - ৪৩১ ভোট
এমএ মুসা বাবলু ৫১৩ ভোট
মোঃ রকিবুল আলম দিপু ৪৪৬ ভোট
কাজী মোঃ শফিকুল ইসলাম ও ইঞ্জিনিয়ার মেহবুবের নতুন ধারা ঐক্য পরিষদ প্যানেলে যারা (০৭ জন) বিজয়ী !!
কাজী মোঃ শফিকুল ইসলাম ৫২৩ ভোট
ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির ৫৫৫ ভোট
মোঃ সিদ্দিকুর রহমান ৫২২ ভোট
শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া ৪৫৬ ভোট
আকন্দ মোঃ সোহরাব হোসেন ৪৩৪ ভোট
মোঃ লিয়াকত হোসেন লিমন 420 ভোট
মোঃ মনির হোসেন 395 ভোট
08/08/2014
I remember thinking
I'll go on forever only knowing
I'll see you again
But I know
The touch of you is so hard to remember
But like that touch I know no other
And for sure we have danced
In the risk of each other
Would like to dance
Around the world with me
I'll be falling all about my own thing
And I know your the heaviest weight
When your not here that's hung
Around my head
And your lips burn wild
Thrown from the face of a child
And in your eyes
The seeing of the greatest few
Do what you will, always
Walk where you like, your steps
Do as you please, I'll back you up
I remember thinking
Sometimes we walk
Sometimes we run away
But I know
No matter how fast we are running
Somehow we keep
You'll be here
Somehow we keep with each other
I'll be falling all about my own thing
And I know your the heaviest weight
When your not here that's hung
Around my head
And your lips burn wild
Thrown from the face of a child
And in your eyes
THe seeing of the greatest few
Do what you will, always
Walk where you like, your steps
Do as you please, I'll back you up
08/08/2014
কর্মচারী: স্যার, আমার
একদিনের
ছুটি দরকার।
বস: বছরে ৩৬৫
দিনে প্রতি সপ্তাহে দুদিন
করে ৫২ সপ্তাহে আপনি সাপ্তাহিক
ছুটি পান মোট ১০৪ দিন।
বাকি রইল ২৬১ দিন।
প্রতিদিন
১৬ ঘণ্টা আপনি অফিসের
বাইরে কাটান। সে হিসাবে আপনি অফিসের
বাইরেথাকেন মোট ১৭০ দিন।
বাকি রইল ৯১ দিন।
প্রতিদিন
৩০ মিনিট
করে আপনাকে চা পানের বিরতি দেওয়া হয়। হিসাব
অনুযায়ী, রইল বাকি ৬৮ দিন।
প্রতিদিন এক
ঘণ্টা করে আপনাকে দুপুরেরখাবারের
বিরতি দেওয়া হয়। রইল
বাকি ২২ দিন। দুদিন আপনি অসুস্থতার
জন্য
ছুটিকাটান। রইল ২০ দিন।
বছরে ১৯ দিন
থাকে সরকারি ছুটি,
রইল আর ১ দিন। সেই একটা দিনও
আপনি ছুটি কাটাতে চান?!
কর্মচারী Shocks!!!
বস Rocks..!!!
08/08/2014
১টা ছেলে তারগালফ্রেন্ডকে
নিয়ে রেষ্টুরেন্টে গেলো।
ছেলেটা বললোঃ.আমার
কাছে কিন্তুটাকা নেই আজ
তোমাকে বিলদিতে হবে|
মেয়ে: টাকা নেই
তা আগে বলতে পারতে আমি আসতামনা|
ছেলে: এভাবে বলছো কেন?
মেয়ে:
আরে থামো তুমি আমায়কোনদিন
খাইয়েছো আজথেকে তোমার
আমার
সম্পর্ক এখানেইশেষ|
মেয়েটা বলেই
চলে গেল কিন্তু
একবারওফিরে তাকালোনা ছেলে দিখে।
ছেলেটা মন
খারাপকরে হাটছিলো এমন
সময়১টা পিচ্চি পা জড়িয়ে ধরে বলছেঃভাইআমারে কিছু
খাইতে দিবেন?
ছেলেটা পকেটে হাতদিয়ে দেখে ৩০টাকা আছে তাইদিয়ে হাটেলে পিচ্চিটাকে খাওয়ালো।
পিচ্চিটা খাচ্ছে আরকাঁদছে সে কাঁদা সুখের
কাঁদা|
খাওয়া শেষে পিচ্চি বললোঃ ভাই
আপনাকে আমি কোনদিনও
ভুলবোনা।
কথাটা শুনে ছেলেটা কাঁদছে আরভাবছেঃ আমি এতদিন
আমারগালফ্রেন্ডে র একটু
ভালোবাসা পাওয়ার জন্য
হাজারহাজার টাকা খরচ
করেছি।
আর এ মাত্র ৩০টাকায় এত খুশি।
তারপরথেকে ছেলেটা রেলষ্টশনে গিয়ে ছোট
ছেলে মেয়েদের
চকলেট,আইসক্রিম,
চানাচুর এইগুলো কিনে দেয়।
এবং তাদের
সাথে খেলা করে আর
ছেলেটা যদি ১দিননা গেলে তারা সবাই
কাঁদে।আর
এটাই হলো প্রকৃত
ভালোবাসা।
*************** ***
বিঃদ্রঃ আমাদের পোষ্ট
গুলো যদি আপনার ভাল
লাগে তাহলে অবশ্যয় কমেন্ট
করে জানাবেন।
08/08/2014
আমি #সৈকত ডুবে যাওয়া লন্চ এম ভি পিনাক 6 থেকে স্টাটাসটি লিখছি
প্রায় 40 ঘন্টা ( আনুমানিক ) হয়ে গেছে পানিতে পড়ে আছি আমি একা না অসংখ্য মানুষ কারো পানি খেতে খেতে পেট ডোল হয়ে গেছে কারো আবার পানিতে ভিজতে ভিজতে হাত পা মুখ পুরা শরীরই ধবধবে সাদা হয়ে গেছে
40 ঘন্টা আগে ও কেউ কাউকে চিনতাম না কিন্তু এখন সবার সাথেই পরিচিত হয়ে গেলাম সবার মুখে একটাই প্রশ্ন কিউ ভাই আমগো কি পানিতেই বালির নিচে কবর হবে ?
অনেকেই বলে উঠলো হরে ভাই হতে পারে তাও ভালো যেনো নদীর প্রানীদের পেটে না যাই
একজনের সাথে চা খেতে গেলাম লন্চের পেছনে চা ওয়ালা বললো ভাই চা তো শেষ
ভাই আমার মেয়েটা হয়তো খুব কাঁদছে ঠিক না ?
কিছু বলতে পারলাম না
এখানে জমিয়ে আড্ডা দিলাম এক ঘন্টার মতো উপরে দিয়ে কি যেনো একটা গেলো বুঝলাম আমাদের খুজতে বের হয়েছে কিন্তু পেলো না হয়ত পাবে ও না ঘড়িটা অফ হয়ে গেছে অনেক আগেই
অনুমান করে সময়ের কথা উল্লেখ করছি
ওহ ! আমার পরিচয়টা দেই আমি সৈকত ঢাকাতে ব্যাংকে চাকরি করি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে গিয়েছিলাম খুব আনন্দ করেছিলাম |
ওহ আরেকটা কথা বিয়েটা ও ঈদেই সেরে ফেললাম
মেয়েটার নাম নদী পাশের গ্রামেরই
ইচ্ছে করছিলো নদীকে নিয়ে ঢাকা ফিরবো কিন্তু ঢাকাতে এসে বাসা বাড়ি সব কিছু গোছাতে তো
হবে !
বলেছি সপ্তাহ দুয়েক পর ওকে নিয়ে যাবো
আহারে ! মেয়েটা জানি কিভাবে কাঁদছে !
ওকে বলেছিলাম সারাজীবন আগলে রাখবো পারলামনা
অনেক দু:খিত নদী
মা বলেছিলো আর কয়েকটা দিন থাক বাবা নতুন বউ এনেছিস এতো তাড়াতাড়ি চলে গেলে মেয়েটা মানিয়ে নিতে পারবেনা মাত্রতো বাবার বাড়ি থেকে আসলো
=মা মাত্র তো কয়েকটা দিন এর পরেই আসছি
আচ্ছা মা এখন কি করছে ?
ছোট বেলায় একবার ফুটবল খেলতে গিয়ে আমার বুকে একটা বল পরেছিলো আমার কাছে মনে হয়েছিলো আমার দম বন্ধ হয়ে গেছে
বাড়ি থেকে খবর পেয়ে মা দৌড়ে এসে নাকে চাপ দিয়ে ধরে কি কান্নাটাই না করলো
মনে আছে আরেকবার অনেক জ্বর আসছিলো আহা ! সারারাত জেগে থেকে আমার মাথায় পানি ডেলেছিলো
আর আল্লাহর কাছে দোয়া করতে লাগলো
( এরকম অনেক রাত ) আমি দেখে দেখে হাঁসতে হাঁসতে বললাম মা আমি যদি মরে যাই তুমি কাঁদবা ?
=হ্যা কাঁদবো বাবা , তবে তুই তো দেখবি না কারন তোর আগেই তো আমি মরে যাবো
=মা বিশ্বাস করো আমি তোমাকে কাঁদাতে চাইনি সব দোষ ঐ ড্রাইবারের আর কেরানী/সারেং ড্রাইবার শালায় নিজেই পারতো লন্চটাকে নিয়ন্ত্রনে আনতে কিন্তু ও নিজে বাঁচতে গিয়ে লন্চের ড্রাইবার রুম থেকে দৌড় দিলো মা আমি সব দেখছি কেবিনে বসে থেকে আর কেরানী শালায় জানে এই লন্চটি পচাশি জন যাত্রীর ধারন ক্ষমতা আছে তাড়পরো টাকার জন্য এতো মানুষ তুললি আর সেই টাকা এখন পানিতে গলছে
কেবিনের ভেতর প্যাচ বেশি থাকায় আমি বের হতে পারলাম না
যাও বের হওয়ার জন্য দৌড় দিলাম তখনই একটা বাচ্চা বললো চাচ্চু আমাকে নিয়ে যাও ওকে ধরতে গিয়েই আরো কয়েকজন আমাকে ধরে রাখলো যদি ও কিছু বলতে পারছিলনা কেউ তবে সবারই আকুতি ছিল আমাকে বের করো
আমাকে নিয়ে যাও
হ্যা পারতাম বের করতে যদি মানুষের নি:শ্বাস টা সৃষ্টিকর্তা বিশ ত্রিশ মিনিট দিতো কিন্তু তা তো সম্ভব না
ও আচ্ছা আমার বাবা !
ব্যাটাকে কখনো কাঁদতে দেখি নাই সবসময় দেখতাম চোখ দুটা লাল করে কথা বলতো সারা দিন শাসনের উপ্রে আর দৌড়ের উপ্রে রাখতো
আচ্ছা ওসমান সাহেব আপনি কি কাঁদছেন আপনার ছেলের জন্য ?
নাকি এখনো লাঠি নিয়ে দাড়িয়ে আছেন ?
হ্যা কাঁদবেন কারন আমি তো বড় ছেলে
আমার চাকরি টা পাবার পরই সংসারে মাত্র সুখ দেখা দিয়েছিলো ভাল বেতন ও পাচ্ছিলাম আপনাকে চাষের কাজ থেকে ও অব্যাহতি দিয়েছিলাম
আমি যখনই মোনাজাত ধরতাম বেশির ভাগ সময়ই প্রার্থনা করতাম যেনো আল্লাহ আমাকে আমার মা বাবাকে নিজ হাতে মাটি দেয়ার তৌফিক দেয় আল্লাহ আমার দোয়াটা কবুল করলনা ওনার প্রতি আমার কোন রাগ ক্ষোভ নেই কারন ওনি যা করেন আমাদের ভালোর জন্যই করেন
এবার আসি ছোটভাই সীমান্তর প্রসঙ্গে
ঈদে একটা পান্জাবি দুইটা প্যান্ট নিয়ে গিয়েছিলাম খুশি হয়েছিলো তবে তেমনটা না
কিন্তু যখন রাতে ওর জন্য আনা নতুন এন্ড্রয়েড ফোনটা বের করলাম আহারে কি যে খুশি হলো সারাদিন গেমস খেলতে লাগলো যতদিন বাড়িতে ছিলাম ততদিন দেখতাম গেমসেই পড়ে আছে
আচ্ছা ও কি এখনো গেমস খেলছে ?
নাকি আমার জন্য কাঁদতেছিস ভাই কেঁদে আর কি করবি
ভাল করে লেখা পড়া করিস
আচ্ছা এবার আসি দেশের সরকার প্রসঙ্গে
হ্যা আপনারা অনেক চেষ্টা করছেন আমাদের পচা গলা লাশ গুলো বের করতে
আচ্ছা মাননীয় মন্ত্রী আপনিইতো ঈদের আগে বলেছিলেন আপনাদের সব লন্চ স্টিমারই ঠিক আছে
আচ্ছা পদ্মার সামান্য ঢেউই কি আমাদের মৃত্যুর কারন ?
মন্ত্রী সাহেব প্লিজ আমাদের লাশ গুলো আমাদের বাবা মার কাছে পৌছে দিয়েন টাকা বা ক্ষতিপূরন লাগবেনা
শুধু লাশটা দিয়ে দিয়েন
মৃত্যুর পর এটাই মানুষের একটা চাওয়া তাকে যেনো ভাল করে সত্কার করা হয়
আমাদের তো আরো কিছুদিন বেচে থাকার ইচ্ছা ছিল !
ইচ্ছে ছিলো পৃথিবীর বুক থেকে মুক্ত বাতাস নিতে
থাক তা আর লাগবেনা
জানেন পানিতে না বাতাস নেই শ্বাস নিতে গেলেই ফুসফুসে পানি চলে যায়
শেষবার যখন পৃথিবী থেকে শ্বাস নিচ্ছিলাম তখন না অনেক কিছু মনে পড়েছিলো মা ,বাবা ,সীমান্ত নদী তোমাকে ও
আচ্ছা নদী তুমি এখন কি
করবে ?
তোমার সুন্দর ভবিষ্যত্ জীবনটা নষ্ট করে দিলাম অনেক স্বপ্ন ছিলো তোমার ঠিক না ?
জীবনের থেকে এই অংশটা ভূলে যেও নতুন করে জীবনটাকে
সাজাও শুভকামনা রইলো
আর কিছু লিখতে পারলাম না ব্যাটারি টা পানিতে ভিজে যাচ্ছে কিছুক্ষনের মধ্যেই হয়তো অফ হয়ে যাবে
দেশটাকে খুব মিস করবো দেশের মানুষ গুলোকে ও
তবে আমাদের এই মৃত্যুটাকে
স্বাভাবিক ভাববেন না এটি অস্বাভাবিক
এই মৃত্যুর জন্য আমি আপনি প্রত্যক্ষ / পরোক্ষ ভাবে দায়ী এ দায় কেউ এড়াতে পারবেন না শুধু দোয়া করি এরকম মৃত্যু যাতে কারো না হয় এই কবরহীন মৃত্যু বড়ই কষ্টকর
#বিদ্র: লেখাটি সম্পূর্ন কাল্পনিক কল্পনায় ভূল হতেই পারে ভূলভ্রান্তি ক্ষমার চোখে দেখবেন
#সৈকত নামের ঐ লন্চে কেউ ছিল কিনা আমি জানিনা অবসর ছিলাম কি নিয়ে লিখবো মাথায় আসছিলো না তাই লিখলাম
যাই হোক আমরা ফিলিস্তিনিদের জন্য অনেক প্রার্থনা করেছি এবার এই বালির নিচে পড়ে থাকা মানুষদের জন্য একটু দোয়া করি তাঁদের আত্না যেন শান্তি পায়।
Collected
05/08/2014
"এই পৃথিবীতে আমি অবসর নিয়ে শুধু আসিয়াছি"
___জীবনানন্দ দাশ
এই পৃথিবীতে আমি অবসর নিয়ে শুধু আসিয়াছি — আমি হৃষ্ট কবি
আমি এক; — ধুয়েছি আমার দেহ অন্ধকারে একা একা সমুদ্রের জলে;
ভালোবাসিয়াছি আমি রাঙা রোদ, ক্ষান্ত কার্তিকের মাঠে — ঘাসের আঁচলে
ফড়িঙের মতো আমি বেড়ায়েছি — দেখেছি কিশোরী এস হলুদ করবী
ছিঁড়ে নেয় — বুকে তার লাল পেড়ে ভিজে শাড়ি করুন শঙ্খের মতো ছবি
ফুটাতেছে — ভোরের আকাশখানা রাজহাস ভরে গেছে নব কোলাহলে
নব নব সূচনার: নদীর গোলাপী ঢেউ কথা বলে — তবু কথা বলে,
তবু জানি তার কথা কুয়াশায় ফুরায় না — কেউ যেন শুনিতেছে সবি।
কোন্ রাঙা শাটিনের মেঘে বসে — অথবা শোনে না কেউ, শূণ্য কুয়াশায়
মুছে যায় সব তার; একদিন বর্ণচ্ছটা মুছে যাবো আমিও এমন;
তবু আজ সবুজ ঘাসের পরে বসে থাকি; ভালোবাসি; প্রেমের আশায়
পায়ের ধ্বনির দিকে কান পেতে থাকি চুপে; কাঁটাবহরের ফল করি আহরণ
কারে যেন এই গুলো দেবো আমি; মৃদু ঘাসে একা — একা বসে থাকা যায়
এই সব সাধ নিয়ে; যখন আসিবে ঘুম তারপর, ঘুমাব তখন।