Bangladesh Furniture Exporters Association-BFEA

Website

Bangladesh Furniture Exporters Association-BFEA Bangladesh Furniture Exporters Association, 28 of The CA 1994, Reg.

T-807/12 (Affiliated with FBCCI)
The Hon'ble President K M Akhtaruzzaman , BFEA
Address-Grameen Bangla Akshay Tower, 5th floor, 51, Madani Avenue, Vatara, Dhaka-1212
Off-02-226617216

22/08/2026

The main reasons for the failure of SRO 384 and its revised version SRO 203—issued to facilitate non-garment export growth through 100% bank guarantees—stem from unnecessary regulatory strictness, complex operational conditions, and flawed revenue-protection mechanics.

Reasons for Ineffectiveness

Redundant Entry Barriers (Steps 1 & 3): Requiring export orders or letters of credit (LC) upfront is unnecessary. Since imported raw materials are fully backed by a 100% bank guarantee, the government's revenue is completely secure; the National Board of Revenue (NBR) can instantly encash the guarantee if the exporter fails to export within the stipulated period.

Overly Complex Input-Output Coefficient Rules (Step 2): To prevent false declarations of raw material usage and wastage, the NBR imposed cumbersome conditions regarding coefficient determination, usage declarations, and wastage approvals, creating severe operational bottlenecks.

Misplaced Focus on Wastage Over Value Addition: Rather than relying on complex wastage approvals, revenue loss (up to 90%) can be mitigated far more efficiently through value-addition thresholds. SRO 384 set a uniform 30% minimum value addition, while SRO 203 diluted this to simply requiring export proceeds to exceed import costs—overlooking value addition as the primary safeguard.

Recommended Actions

Streamline Import & Export Clearances: Remove upfront LC and export order prerequisites for clearing raw materials. Rely entirely on the 100% bank guarantee to secure duty obligations.

Establish Sector-Specific Value Addition Rates: Replace uniform or vague value-addition requirements with differentiated rates for the 18 covered product sectors, aligning them with the value-addition criteria applied for Bangladesh's duty-free market access abroad.

Simplify Coefficient & Wastage Approvals: Shift from rigid, pre-approval wastage audits to standard, post-export duty adjustments backed by the bank guarantee framework.

Amend Legal & Encashment Terms: Revise SRO 384 and SRO 203 to explicitly define reasonable export completion timelines, clear protocols for bank guarantee encashment upon default, and simplified adjustment mechanisms.

Bangladesh Furniture Industry at High Point Market 2026A meeting was held today at our office to review Bangladesh’s par...
15/08/2026

Bangladesh Furniture Industry at High Point Market 2026

A meeting was held today at our office to review Bangladesh’s participation in the **High Point Market (HPMKT) Spring 2026, USA**. The discussion highlighted the participation of six leading Bangladeshi furniture manufacturers, the challenges faced during the exhibition, market opportunities, and future strategies for expanding Bangladesh’s furniture exports to the US market.

Despite logistical challenges, the delegation successfully promoted Bangladesh as a promising furniture sourcing destination and established valuable business connections. The meeting also emphasized continued participation in HPMKT and stronger collaboration among **BFEA, EPB, the Bangladesh Embassy in the USA, and exporters.
Bangladesh Furniture Exporters Association-BFEA
Export Promotion Bureau

কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে বাংলাদেশের ৮৪২৮ পণ্যঢাকা : ৪ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরি...
04/08/2026

কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে বাংলাদেশের ৮৪২৮ পণ্য

ঢাকা : ৪ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (Comprehensive Economic Partnership Agreement-CEPA) নিয়ে নেগোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরের আলোচনার পর মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দুই দেশের বাণিজ্যমন্ত্রীর যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে এ অগ্রগতির ঘোষণা দেওয়া হয় । আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদনের ধাপ শেষ হলে চুক্তিটি কার্যকর হবে।

চুক্তি কার্যকর হওয়ার প্রথম দিন থেকেই বাংলাদেশের ৮ হাজার ৪২৮টি পণ্য দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে তাৎক্ষণিক শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। অপরদিকে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের বাজারে ১ হাজার ৫৪টি পণ্যে একই সুবিধা ভোগ করবে। সার্বিকভাবে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য ও সেবা কোরিয়ার বাজারে অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে, যেখানে বাংলাদেশের বাজারে কোরিয়ার ৮৭ শতাংশ পণ্য একই ধরনের সুবিধা লাভ করবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে CEPA Negotiation Conclusion Ceremony-তে যৌথ ঘোষণা দেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী হান-কু ইয়েও (Han-Koo Yeo)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান এনডিসি, বাংলাদেশের প্রধান নেগোসিয়েটর ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তার, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান নেগোসিয়েটর পার্ক গিউন-ওহ এবং ডেপুটি প্রধান নেগোসিয়েটর ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (এফটিএ) মো. ফিরোজ উদ্দিন আহমেদসহ দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বর্তমান সরকার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির একটি দেশের সঙ্গে এ ধরনের একটি উচ্চমানের বাণিজ্য চুক্তির নেগোসিয়েশন সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছে। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ, হোম টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন রপ্তানি পণ্য দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান অর্জন করবে।

তিনি জানান, সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। সে লক্ষ্য অর্জনে উচ্চ প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সিইপিএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী হান-কু ইয়েও বলেন, বাংলাদেশ ও কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাস ৫৬ বছরের। এতদিন সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দু ছিল মূলত টেক্সটাইল খাত। এখন সময় এসেছে সম্পর্ককে প্রযুক্তি, সরবরাহ ব্যবস্থা, শিল্প সহযোগিতা ও বিনিয়োগের মতো নতুন খাতে সম্প্রসারণের। তিনি বলেন, সিইপিএ কার্যকর হলে কোরিয়ান কোম্পানিগুলোর বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ আরও বাড়বে।

সেবা খাতেও বড় অঙ্গীকার দক্ষিণ কোরিয়ার :

পণ্য বাণিজ্যের পাশাপাশি সেবা খাতেও দুই দেশ উল্লেখযোগ্য বাজার উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে। বাংলাদেশ কোরিয়ার জন্য ৯৫টি উপখাত উন্মুক্ত করবে। বিপরীতে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের জন্য ১১১টি উপখাতে চারটি মোডে সেবা বাণিজ্যের সুযোগ দেবে। এতে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তির অংশগ্রহণ এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক বছরে পাঁচ দফা আলোচনা :

সিইপিএ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে প্রথমে উভয় দেশ Terms of Reference (ToR) চূড়ান্ত করে। পরে Trade Negotiating Committee (TNC) এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ১১টি Technical Working Group (TWG) গঠন করা হয়।

২০২৫ সালের ২২ থেকে ২৭ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে প্রথম দফা আলোচনা শুরু হয়। পূর্বনির্ধারিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী মোট পাঁচ দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যার মধ্যে বাংলাদেশে দুই দফা এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় তিন দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া বিভিন্ন অনিষ্পন্ন বিষয়ে প্রধান নেগোসিয়েটর পর্যায়ে প্রায় ৪০টি অনলাইন বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পর আলোচনার সমাপ্তি ঘটে।

বাণিজ্য সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনা :

বর্তমানে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি করে প্রায় ৪৯১ দশমিক ৭৩ মিলিয়ন ডলার, আর আমদানি করে প্রায় ৯০২ দশমিক ৯০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। ফলে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৪১১ মিলিয়ন ডলার।

বর্তমানে বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় তৈরি পোশাক, হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ, পাট ও পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য এবং সিরামিক সামগ্রী রপ্তানি করে। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশে আমদানি হয় শিল্পযন্ত্র, লোহা ও ইস্পাত, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, প্লাস্টিক, রাসায়নিক ও কাগজজাত পণ্য।
উল্লেখ্য , সিইপিএ কার্যকর হলে শুধু রপ্তানি নয়, শিল্পায়ন, বিদেশি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রাক্কালে বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্য সক্ষমতা ধরে রাখতে এ চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।

বর্তমানে এটি নেগোসিয়েটর পর্যায়ের আলোচনার সমাপ্তি। উভয় দেশের আইনগত প্রক্রিয়া এবং মন্ত্রিসভার অনুমোদন সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সিইপিএ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে।

বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০২৬ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে ‘দক্ষতায় গড়ি সম্মিলিত ভবিষ্যৎ’ (Skills for a Shared Future) প্রতিপাদ্যকে স...
28/07/2026

বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০২৬ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে ‘দক্ষতায় গড়ি সম্মিলিত ভবিষ্যৎ’ (Skills for a Shared Future) প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)-এর উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিনিয়োগ ভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) জনাব রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মো: নুরুল হক, এমপি; প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব জনাব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং জাতীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন তহবিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব মো: তৌহিদুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিব ও জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালিতে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তর/ সংস্থার প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী ও এনজিও প্রতিনিধি, দক্ষতা উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাতের প্রতিনিধি, অ্যাসেসর, প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণার্থী, তরুণ ও যুবসমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ করেন।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নের জন্য দক্ষ, উৎপাদনশীল ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী মানবসম্পদ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের বাইরে থাকা যুবকদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের কারিকুলাম যুগোপযোগী করার পাশাপাশি নতুন শ্রমবাজার অন্বেষণ করতে হবে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত যোগ্যতা ও দক্ষতার সনদ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিকে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন শ্রমবাজারে পাঠানোর উদ্যোগ জোরদার করতে হবে এবং পরিবর্তনশীল শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী রিস্কিলিং ও আপস্কিলিংয়ের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে আনুষ্ঠানিক খাতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং দেশের অবশিষ্ট জনমিতিক লভ্যাংশের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার শিল্প ও উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে ইনভেস্ট বাংলাদেশ নামে একটি নতুন উন্নয়ন মডেল নিয়ে কাজ করছে। বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতির ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, লালফিতার দৌরাত্ম্য দূর করা, অর্থের সংস্থান, জ্বালানি নিরাপত্তা, মাল্টিমোডাল ও সিমলেস কানেক্টিভিটি এবং উৎপাদনশীল ও টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ২০২৪- পরবর্তী সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে সরকার বয়ানের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অল্প সময়ের মধ্যেই ঘুরে দাঁড়াবে এবং একটি ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হয়ে টেকসই সমৃদ্ধি, শান্তি ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব নুরুল হক বলেন, বর্তমান সরকার স্বল্প ব্যয়ে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি বিদেশে পাঠাতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আগামী ১৮ মাসের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো কার্যকরভাবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি দক্ষতা উন্নয়নে বেসরকারি খাতকে আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসার পাশাপাশি উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, কাতার সরকার বাংলাদেশে চারটি সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে তাদের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী উপযোগী করে দক্ষ জনবল তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। ইউরোপে সম্ভাবনাময় নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসন বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নেবে। প্রথাগত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বিকল্প ও উদ্ভাবনী উপায়ে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সম্প্রসারণে তিনি এনএসডিএ-এর কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনাব এ বি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, দেশে দুর্নীতি ও লালফিতার দৌরাত্ম্য এখনও পুরোপুরি দূর হয়নি। এসব বিষয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনায় রয়েছে এবং তা নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, দক্ষতা উন্নয়নে যেসব প্রতিষ্ঠান কার্যকর ও সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করবে, সরকার তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দক্ষতা উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশনায় ইতোমধ্যে ঢাকায় এআইভিত্তিক ট্রাফিক সিগন্যাল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা উন্নয়নের ওপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন এবং দক্ষতা উন্নয়নকে সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে তাঁর পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সরকারের সচিব ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী বলেন, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা ও বেসরকারি খাতে দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে এনএসডিএ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে এনএসডিএ। সরকারি-বেসরকারি খাতের চাহিদার ভিত্তিতে টাস্ক অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে দক্ষতার মান ও কারিকুলাম উন্নয়ন, পুরোনো স্ট্যান্ডার্ড ও কারিকুলাম পর্যালোচনা এবং নতুন ও উদীয়মান অকুপেশনের জন্য স্ট্যান্ডার্ড প্রণয়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষক ও অ্যাসেসরদের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং সেক্টরভিত্তিক চাহিদা ও সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। শিল্প দক্ষতা পরিষদগুলোকে (আইএসসি) আরও কার্যকর ও সক্ষম করে তুলতে প্রায় ১ কোটি টাকার অফিস সরঞ্জাম প্রদান করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা বিবেচনায় জাপানিজ, ইংরেজি, আরবি ও ইতালিয়ানসহ বিভিন্ন বিদেশি ভাষা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কারিকুলাম উন্নয়নের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের শ্রমবাজার উপযোগী স্ট্যান্ডার্ড ও কারিকুলাম প্রণয়ন করা হচ্ছে। এনএসডিএর নিবন্ধিত ৭৮৭টি দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের জব ও শিল্প সংযোগ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, জাতীয় দক্ষতা সনদ (এনএসসি) অর্জনকারীদের ৭৪ শতাংশ কর্মসংস্থান বা আত্মকর্মসংস্থানে যুক্ত হয়েছেন এবং ৮.৩ শতাংশ ৭২টি দেশে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কর্মসংস্থান লাভ করেছেন। নিষ্ক্রিয় দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এনএসডিএর জাতীয় দক্ষতা সনদের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রদত্ত অন্যান্য সনদ ও সার্টিফিকেশন কার্যক্রমকে সমন্বয়ের মাধ্যমে এনএসডিএর আওতায় অ্যাসেসমেন্টের ভিত্তিতে জাতীয় দক্ষতা সনদ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এছাড়া এনএসডিএ সনদধারীদের একটি ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেমের আওতায় আনার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক অর্থনীতি ও শ্রমবাজারের চাহিদা মোকাবিলায় তরুণদের ভবিষ্যৎ উপযোগী দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। ডিজিটাল রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি, সবুজ অর্থনীতি এবং শিল্পখাতের পরিবর্তনশীল চাহিদার কারণে কর্মজগতের দক্ষতার ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এ বাস্তবতায় তরুণদের প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি যোগাযোগ, সমস্যা সমাধান, সৃজনশীলতা, অভিযোজন সক্ষমতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও আজীবন শেখার মানসিকতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা আরও বলেন, দেশের বিপুল যুব জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে সরকার দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষতা প্রশিক্ষণ, জাতীয় দক্ষতা মানদণ্ড প্রণয়ন, প্রশিক্ষণের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, দক্ষতার স্বীকৃতি প্রদান এবং দক্ষ যুবকদের দেশ-বিদেশের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি খাত, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, প্রশিক্ষণ প্রদানকারী সংস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সহযোগীদের কার্যকর অংশীদারিত্বের মাধ্যমে একটি দক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যৎ উপযোগী কর্মশক্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস প্রতি বছর ১৫ জুলাই বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে। তরুণদের কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও টেকসই জীবিকার জন্য দক্ষতা অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০১৪ সালে দিবসটি ঘোষণা করে। একই সঙ্গে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের গুরুত্ব এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন এজেন্ডায় এর ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করাও দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য। বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে ১৫ জুলাই তারিখে মিডিয়া ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এনএসডিএ দিবসটি উদ্‌যাপন শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ জুলাই র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে দেশের যুবসমাজকে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে এবং দক্ষ, কর্মক্ষম, উদ্ভাবনী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকল অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তর/ সংস্থার প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী ও এনজিও প্রতিনিধি, দক্ষতা উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাতের প্রতিনিধি, অ্যাসেসর, প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণার্থী, তরুণ ও যুব প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রপ্তানিতে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য নির্ধারণ, ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশাঢাকা : ২৬ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ আগামী ২০২৬-২...
26/07/2026

রপ্তানিতে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য নির্ধারণ, ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা
ঢাকা : ২৬ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এর মধ্যে পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা রপ্তানির লক্ষ্য ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। উভয় খাতেই ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
রবিবার (২৬ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বাংলাদেশের রপ্তানি খাত ঘুরে দাঁড়ানোর বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, বিনিয়োগ সহজীকরণ এবং সরকারি সেবার প্রক্রিয়া সরলীকরণের মাধ্যমে রপ্তানিতে নতুন গতি আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে চলতি বছরের মধ্যেই এফটিএ সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গেও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শিগগিরই শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশই তৈরি পোশাক খাতনির্ভর। এই নির্ভরতা কমাতে সরকার চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ফুটওয়্যার, শিপবিল্ডিং, শিপ রিসাইক্লিং, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এসব খাতের বিকাশে শিগগিরই সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ওপর কার্যকর শুল্ক কাঠামোয় বাস্তবিক অর্থে নতুন কোনো পরিবর্তন আসেনি। আগের ১০ শতাংশ শুল্কই নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে বহাল রয়েছে। ফলে দেশের রপ্তানিতে নতুন করে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই।
জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, গ্যাস সরবরাহের সীমাবদ্ধতার কারণে শিল্প খাতের উৎপাদন সক্ষমতার একটি অংশ এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। অতিরিক্ত এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) স্থাপনের মাধ্যমে পরিস্থিতির উন্নয়নে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকারের নীতিগত স্থিতিশীলতা, ব্যবসাবান্ধব সংস্কার, নতুন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতি ক্রেতাদের আস্থা বৃদ্ধির ফলে আগামী অর্থবছরে নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলাদেশের সামনে এখন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত হয়েছে। ব্যবসা সহজীকরণ, নতুন বাজারে প্রবেশ এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা দেশের রপ্তানি খাতে নতুন এক ঊর্ধ্বগতির সূচনা করতে চাই।

An Executive Committee meeting to oversee the activities and performance of Bangladesh’s Commercial Wings abroad was hel...
07/07/2026

An Executive Committee meeting to oversee the activities and performance of Bangladesh’s Commercial Wings abroad was held today at the Export Promotion Bureau (EPB), chaired by Mr. Mohammad Hasan Arif, Vice Chairman and Chief Executive of EPB.
During the meeting, the Chair presented an overview of Bangladesh’s export performance, highlighting sector-wise and mission-wise export achievements and trends. He briefed the meeting on the key challenges facing the country's export sector and outlined strategic priorities and the way forward for achieving the export targets set for FY 2026–27.
Vice Chairman and Chief Executive emphasized the need for Commercial Counsellors stationed abroad to play a more proactive role in market diversification, export promotion, and identification of new business opportunities for Bangladeshi products. He also underscored the importance of addressing customs-related bottlenecks and called upon the National Board of Revenue (NBR) to facilitate the resolution of issues that may impede export diversification initiatives and the smooth movement of goods.
The meeting featured constructive discussions among stakeholders on strengthening coordination among government agencies, trade bodies, and overseas commercial missions to sustain export growth and enhance Bangladesh’s competitiveness in the global market.
Representatives from the Ministries of Commerce, Fisheries and Livestock, Foreign Affairs, Agriculture, Business Promotion Council, National Board of Revenue (NBR), Bangladesh Bank, FBCCI, BGMEA, BKMEA, DCCI, and other leading chambers and trade associations attended the meeting.


#ইপিবি #বাংলাদেশ #রপ্তানি #ব্যবসা #বাণিজ্য

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬’-এ উপস্থিত রয়েছেন বিএনপি চেয়...
04/07/2026

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬’-এ উপস্থিত রয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।

আজ শনিবার (০৪ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই ’২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি এবং আমরা জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আয়োজনে সম্মেলনটি শুরু হয়।

আগামী ১৫ জুলাই বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস, ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে শিল্প দক্ষতা পরিষদের (আইএসসি) প্রতিনিধিদের সাথে এক প্রস্তুতি...
29/06/2026

আগামী ১৫ জুলাই বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস, ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে শিল্প দক্ষতা পরিষদের (আইএসসি) প্রতিনিধিদের সাথে এক প্রস্তুতিমূলক সভা এসএসডিএ-এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন এনএসডিএ-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী।

আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস ২০২৬: নানা আয়োজনে উদযাপন করেছে এসএমই ফাউন্ডেশন২৭ জুন আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস। এ বছর দিবসটির প্...
28/06/2026

আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস ২০২৬: নানা আয়োজনে উদযাপন করেছে এসএমই ফাউন্ডেশন

২৭ জুন আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য, ‘Human-Centered Entrepreneurship in an AI-Driven Future: Economic Empowerment for the Next Generation of MSMEs’ বা ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যতে মানবকেন্দ্রিক উদ্যোগ: মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের আগামী প্রজন্মের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন’। শোভন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতকে আরো এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালে জাতিসংঘ ২৭ জুনকে ‘এমএসএমই দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। সেই হিসাবে এ বছর সারা বিশ্বে ১০ম বারের মত দিবসটি পালিত হচ্ছে। জাতিসংঘ বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে ৬০ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান দরকার। প্রতি ১০টি কাজের মধ্যে ৭টি হবে এমএসএমই খাতে। এছাড়া অর্থায়ন এমএসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য অন্যতম চ্যালেঞ্জ। স্বল্পোন্নত দেশের শতকরা ৪১ ভাগ, মধ্য আয়ের দেশগুলোতে ৩০ ভাগ এবং উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে ১৫ ভাগ উদ্যোক্তা ঋণ পেতে সমস্যায় পড়েন। বিশ্বের ব্যবসার শতকরা ৯০ ভাগ, কর্মসংস্থানের ৬০-৭০ ভাগ এবং জিডিপিতে ৫০ ভাগ অবদান এমএসএমই খাতের। বিশ্বজুড়ে কর্মক্ষম দরিদ্র, নারী, যুবক ও পিছিয়ে পড়ার জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার উন্নয়নের মেরুদণ্ড হিসেবে ভূমিকা রাখছে এমএসএমই খাত। তাই এমএসএমই খাতের উন্নয়নে সহায়ক নীতি, সহজ অর্থায়ন, দক্ষতা ও উদ্ভাবনে সহায়তা এবং শ্রম আইন বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে জাতিসংঘ। পাশাপাশি শোভন কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে এমএসএমই উদ্যোক্তাদের পণ্য বাজারজাতকরণ, প্রযুক্তি সহায়তা ও ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন আরো উন্নত করারও সুপারিশ জাতিসংঘের। এবছর আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), বাংলাদেশের সহায়তায় দিবসটি উদযাপন করেছে এসএমই ফাউন্ডেশন। এ উপলক্ষ্যে জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ও টেক্সট ম্যাসেজের মাধ্যমে এমএসএমই উদ্যোক্তাদের শুভেচ্ছা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বিশেষ সংখ্যা ও অনুষ্ঠান প্রকাশ ও প্রচারণা, বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস পালন করেছে এসএমই ফাউন্ডেশন। ২৮ জুন ২০২৬ রবিবার, সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবন থেকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিডা ভবন পর্যন্ত এ উপলক্ষ্যে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়। এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরীসহ দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন প্রতিনিধি ও সরকারি বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা এতে অংশগ্রহণ করেন। ২৮ জুন ২০২৬ রবিবার, সকাল ১১টায় আগারগাঁও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিডা ভবন মিলনায়তনে শিল্পসচিব আব্দুন নাসের খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন উইম্যান অন্ট্রাপ্রেনিউয়র্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ওয়েব)-এর সভাপতি নাসরীন ফাতেমা আউয়াল। অনুষ্ঠানে সন্মানীয় অতিথি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), বাংলাদেশ-এর প্রধান Max Tunon। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে এসএমই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম তুলে ধরেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজিম হাসান সাত্তার।
শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশের উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও ব্যবসা-অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে কাজ করছে। জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭-এ এমএসএমই খাতের উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা সৃষ্টিকে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। জাতীয় বাজেটে এসএমই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা, এসএমই ক্লাস্টার ম্যাপিং হালনাগাদকরণ এবং ‘Youth Entrepreneurship & Startups for Students (YESS Program)’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রান্তিক পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়নের আওতায় আনার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। এছাড়া, টার্গেটেড সাপোর্ট কর্মসূচির আওতায় নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও মেন্টরশিপ প্রদান, বিদ্যমান উদ্যোক্তাদের দক্ষতা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তাদের কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ প্রতিষ্ঠা, চাহিদাভিত্তিক ঋণ সহায়তা, রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, ডিজাইনিং ও ব্র্যান্ডিং উন্নয়ন এবং দেশি-বিদেশি মার্কেটপ্লেসে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কার্যক্রম দেশের এমএসএমই খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে।
ওয়েব সভাপতি নাসরীন ফাতেমা আউয়াল বলেন, দেশের প্রায় এক কোটি পুরুষ উদ্যোক্তার বিপরীতে নারী-উদ্যোক্তার সংখ্যা মাত্র প্রায় সাত লাখ। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নারী-উদ্যোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে কর্মসংস্থান বাড়ে, পারিবারিক আয় বৃদ্ধি পায়, শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উন্নত হয় এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়। তাই নারী-উদ্যোক্তা উন্নয়ন মানেই জাতীয় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, বৈষম্য হ্রাস এবং অর্থনৈতিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে আরও একধাপ অগ্রগতি।
এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে এসএমই ফাউন্ডেশন প্রায় ২২ লক্ষাধিক উদ্যোক্তাকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সেবা প্রদান করেছে, যাদের মধ্যে আড়াই লক্ষাধিক সরাসরি সুবিধাভোগী উদ্যোক্তা এবং ৬০% নারী-উদ্যোক্তা। এসএমই ফাউন্ডেশন ২০০৯ সাল থেকে ক্রেডিট হোলসেলিং কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ৩শ’ কোটি টাকা প্রায় ১৫ হাজার উদ্যোক্তার মাঝে বিতরণ করেছে, যাদের অন্তত ২৫% নারী-উদ্যোক্তা। এসএমই ফাউন্ডেশন সারা দেশে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করছে, উদ্যোক্তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে, উদ্যোক্তাদের ব্যবসাকে প্রযুক্তি ও আইসিটি-বান্ধব করে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে, উদ্যোক্তাদের পণ্যের বিক্রয় ও বাজারজাতকরণ, প্রচার প্রসারে কাজ করছে, উদ্যোক্তাদেরকে নীতিগত সহায়তা প্রদান করছে, বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের সাথে অ্যাডভোকেসি করছে। তবে আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতার কারণে সারাদেশে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা যাচ্ছেনা। এমতাবস্থায়, এসএমই ফাউন্ডেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারের সদয় মনোযোগ ও সহায়তা দরকার।
শিল্পসচিব আব্দুন নাসের বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়, এসএমই খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। এই খাতের উন্নয়নে এমএসএমই নীতিমালা ২০২৬ মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর ProGRESS প্রকল্পের সহযোগিতায় দেশের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা উন্নয়ন সেবা সহজলভ্য ও আরও কার্যকর করতে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় ‘বিজনেস ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস (BDS) পোর্টাল’। এসএমই ফাউন্ডেশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজিম হাসান সাত্তারের সঞ্চালনায় এই বিষয়ে প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ফাউন্ডেশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারজানা খান, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মাহমুদ হাসান, ব্র্যাক ব্যাংক অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আব্দুল মোমেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও-এর চিফ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার পেদ্রো জুনিয়র বেলেন এবং নারী-উদ্যোক্তা শারমিন লাবনী।

EPB and British High Commission Hold Roundtable on Enhancing Utilization of the UK’s Developing Countries Trading Scheme...
24/06/2026

EPB and British High Commission Hold Roundtable on Enhancing Utilization of the UK’s Developing Countries Trading Scheme (DCTS)
The Export Promotion Bureau (EPB), in collaboration with the British High Commission (BHC) in Dhaka, organized a roundtable discussion on the United Kingdom's Developing Countries Trading Scheme (DCTS) at the EPB Conference Room today. The event brought together representatives from leading export associations, chambers, and trade bodies to discuss strategies for enhancing the utilization of DCTS preferences, addressing market access challenges, and preparing Bangladeshi exporters for the country's graduation from Least Developed Country (LDC) status.
The roundtable was inaugurated by Mr. Mohammad Hasan Arif, Vice Chairman and Chief Executive (Additional Secretary) of the Export Promotion Bureau. Mr. James Goldman, Deputy High Commissioner of the British High Commission in Dhaka, delivered the opening remarks on behalf of the UK Government.
Ms. Ellie Parker, Regional Trade for Development Advisor for South Asia, Central Asia and South Caucasus at the British High Commission, delivered the keynote presentation on the UK’s Developing Countries Trading Scheme (DCTS). Her presentation highlighted the implications of Bangladesh's LDC graduation, recent improvements under the DCTS, opportunities available for Bangladeshi exporters, and proposed collaborative initiatives to increase awareness and utilization of the scheme.
The discussion focused on increasing awareness and utilization of the DCTS, opportunities and challenges arising from Bangladesh's forthcoming LDC graduation, barriers to accessing the UK market, and lessons from the ready-made garments (RMG) sector for diversifying exports across other promising sectors.
Participants highlighted the importance of ensuring that Bangladeshi exporters fully benefit from the preferential market access opportunities available under the DCTS. To support this objective, EPB and the British High Commission agreed to undertake a series of awareness and capacity-building initiatives in the coming months.
The Vice Chairman and Chief Executive of the EPB informed participants that a comprehensive DCTS booklet will be published to provide exporters with practical information and guidance on eligibility requirements, rules of origin, documentation procedures, and preference utilization. Furthermore, a series of sensitization workshops will be organized in Dhaka and Chattogram in collaboration with the British High Commission and relevant sector associations and chambers to strengthen exporters' understanding of the scheme and improve utilization rates. Both organizations will also undertake broader information dissemination activities through business associations and digital platforms to reach exporters across the country.
The roundtable was attended by the Presidents of the Bangladesh Ceramic Manufacturers and Exporters Association (BCMEA), Bangladesh Plastic Goods Manufacturers and Exporters Association (BPGMEA), and Banglacraft. Representatives from major trade and industry organizations also participated, including the Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA), Bangladesh Knitwear Manufacturers and Exporters Association (BKMEA), Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI), Dhaka Chamber of Commerce and Industry (DCCI) , Metropolitan Chamber of Commerce and Industry (MCCI), Footwear, Leather Goods and Accessories Exporters Association (FLAXA), Bangladesh Frozen Food Exporters Association, Bangladesh Chamber of Industry (BCI), Bangladesh Agro-Processors7 Association (BAPA), Bangladesh Land port Authority(BLPA) , and the Bangladesh Association of Pharmaceutical Industries (BAPI), among others.
Participants welcomed the initiative and emphasized the need for continued collaboration between the Government of Bangladesh, the British High Commission, and the private sector to maximize the benefits of the DCTS, diversify exports, and strengthen Bangladesh's competitiveness in the UK market in the post-LDC graduation.


#ইপিবি #বাংলাদেশ #রপ্তানি #ব্যবসা #বাণিজ্য

Address

Grameen Bangla Akshay Tower, (5th Floor), 51, Madani Avenue, Vatara
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 09:00 - 05:00
Tuesday 09:00 - 05:00
Wednesday 09:00 - 05:00
Thursday 09:00 - 05:00
Sunday 09:00 - 05:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Furniture Exporters Association-BFEA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category