31/05/2015
একদম অল্প পরিশ্রমে ঘরদোর গুছিয়ে রাখার ৯টি দারুন টিপস
সবচাইতে কঠিন কাজগুলোর মাঝে একটি হচ্ছে ঘরদোর সর্বদা গুছিয়ে টিপটপ রাখা। এখন একবার গোছালেন, কিছুক্ষণ পরই আবার দেখবেন যে সবকিছু এলোমেলো। অর্থাৎ আপনার সমস্ত পরিশ্রমই একেবারে পণ্ড। কী করবেন? ঘরদোর গুছিয়ে রাখার আছে কিছু সহজ টিপস। সেগুলো চললে আপনার ঘরদোর নোংরা হবে কম, অল্প পরিশ্রমেই বেশ সাজিয়ে গুছিয়ে টিপটপ…
20/05/2015
এখন সপ্তাহে প্রতিদিন খোলা থাকে
04/03/2015
Celebrating the Milestone today as we reached 100 Likes on our page. I would like to take this opportunity to give a big thank you to my friends and family (and the odd random user) for helping us reach this milestone. Feel free to share our page/photos with your friends. =)
06/01/2015
We keep moving forward.....
31/12/2014
Wishing you a super-duper extra luck Happy New Years! Here's hoping that all your dreams come true.
29/12/2014
ছোট্ট ঘরে শখের সংসার
নতুন সংসারে আভিজাত্যের ছোঁয়া সাধারণত কম থাকে। সবকিছু গুছিয়ে নিতে সময় লেগে যায়। বড় বাসা নেওয়াও অনেক সময় সম্ভব হয় না। তাই বলে মন খারাপ করার কোন কারণই নেই। অল্প টাকায় অল্প আসবাবে অল্প জায়গাতেও আপনি আপনার শখের সংসারটিকে সাজিয়ে তুলতে পারেন।
ধরে নিলাম ঘর পেতেছেন চিলেকোঠায়। ছোট্ট একটি বা দুটি ঘর। ঘর যদি একটি হয় তাহলে তার মধ্যেই সবকিছু গুছিয়ে নিতে হবে আপনাকে। সাধারণত এসব ঘর কিছুটা বড় হয়ে থাকে। ঘরটিকে আগে তিন ভাগে ভাগ করে নিন। এক জায়গায় অথিতি আপ্যায়ন, এক জাগায় রান্না আর খাওয়া, আর এক জাগায় থাকার ব্যবস্থা। অতিথি আপ্যায়নের জন্য জায়গা অনুপাতে রাখতে পারেন ছোট মোড়া, সোফা কিংবা শতরঞ্জি, সাথে রাখুন কুশন। রান্নার জন্য কিনে নিন ইন্ডাক্সন কুকার। এতে জায়গা অনেকখানি বাঁচবে, নোংরাও কম হবে। প্লেট কাপ রাখার জন্য রাখতে পারেন হোল্ডার কিংবা একটু বড় আকারের বক্স। পাতিল রাখার জন্য রাখতে পারেন ঝুড়ি। খুঁজলে নানা নকাশার সুন্দর ঝুড়ি আপনি পেয়ে যাবেন দোকানে। এরপর আসে খাওয়ার জায়গা। একটি টুল কিংবা মোড়ার উপর কায়দা করে বসিয়ে নিন গোল গ্লাস। ব্যাস হয়ে গেল দু’ জনের ডাইনিং টেবিল। খাবার রাখার জন্য পাশে রাখতে পারেন ছোট তাক।
এরপর থাকার জায়গা। ঘর যেহেতু ছোট খুব বড় খাট আপনি বসাতে পারবেন না। তাই জায়গা অনুপাতে খাট বসান। এছাড়া খাটের বদলে করতে পারেন ফ্লোরিং। একপাশে রাখুন ছোট্ট ল্যাম্প। জায়গা না হলে ঝুলন্ত ল্যাম্পও লাগাতে পারেন। আলমারি যদি না থাকে তবে বড় ঝুড়ি কিনে নিন। তাতে রাখুন নিত্য ব্যবহারের কাপড় গুলো। ঘরে পড়ার কাপড় রাখতে তার পাশেই রাখুন ছোট্ট আরেকটা ঝুড়ি। আর উৎসবের কাপড়গুলো ব্যাগ তুলে রাখুন কেননা উৎসব ছাড়া সেগুলোর প্রয়োজন সাধারণত হয় না। ব্যাস হয়েই গেল।
আর জায়গা গুলোকে একটু আলাদা করতে ব্যবহার করুন পর্দা, পার্টিশন ব্যবহার না করাই ভাল তাতে রুমটিকে আরো আঁটোসাঁটো লাগবে। বসার জায়গাটি আলাদা করতে একটু ভারি পর্দা ব্যবহার করুন। আর খাবার জায়গা থেকে শোবার জায়গা আলাদা করতে ব্যবহার করতে পারেন হালকা পর্দা । ঘর যেহেতু ছোট তাই আসবাব কিংবা জিনিস পত্রের পরিমাণও হবে কম। তবে যাই কিনুন একটু খেয়াল রাখুন যাতে পরবর্তীতে বাসা বদলালেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেন।
ঘর গুছিয়ে নিয়ে টুকটাক সাজিয়ে নিন। নিজেদের একটি ছবি রাখতে পারেন, আনতে পারেন একটু সবুজের ছোঁয়া । আর পুরো ছাদ তো আছেই আপনার জন্য। এভাবে অনেক অল্প জায়গায় অল্প আসবাবে সাজিয়ে তুলতে পারেন নিজের শখের সংসার।
29/12/2014
ঘরে পর্দার ব্যবহার
ঘরের সাজে একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা নিয়ে আছে পর্দা । সূর্যের আলো নিয়ন্ত্রণ এবং বাইরের জগৎ থেকে ঘরকে আড়াল করার প্রয়োজনে পর্দার ব্যবহার আসলেও সময়ের সাথে সাথে তা ঘরের সাজের অন্যতম উপকরণে পরিণত হয়েছে। পর্দার নকশায়ও এসেছে নানা সংযোজন।
আজকাল বাজারে নানা ধরনের পর্দা পাওয়া যায়। এত সব ধরনের মধ্যে কোন পর্দা আপনার ঘরে শোভা পাবে তা নির্ভর করছে আপনার প্রয়োজন ও রুচির উপর। একেবারেই সাধারণ ব্যবহারের জন্য বেছে নিতে পারেন এক রঙ্গা পলিস্টার কাপড়। এ ধরনের পর্দা ঘরে নরম আলোর আভা তৈরী করবে। দু’ রঙের কন্ট্রাস্ট করেও পর্দা লাগাতে পারেন। পছন্দটা একান্তই আপনার। চেষ্টা করুন হালকা কোন রঙ বেছে নিতে।
ভারী পর্দার প্রয়োজন যদি না থাকে তাহলে পাতলা জমিনের কাপড় বেশ ভাল। এ ধরনের কাপড় ঘরে আলোর খুব সুন্দর শেড তৈরী করবে। এছাড়া ব্যবহার করতে পারেন গ্রামীণ চেক কিংবা মারকিন কাপড়ের পর্দা। তবে খাটনির ব্যপারটিও মাথায় রাখবেন। কেননা ভারি পর্দা ধুতেও কিন্তু বেশ পরিশ্রম যাবে আপনার।
দেশীয় বুটিক শপ গুলোতে নানা নকশার অসাধারণ সব পর্দা পাওয়া যায় । কিন্তু দাম সব সময় নাগালের ভিতর থাকে না। তাই হাতে যদি সময় থাকে বাজার থেকে কাপড় কিনে নিজস্ব নকশায়ও তৈরি করে নিতে পারেন পর্দা।
একই রঙের বা একই ধরনের পর্দা ব্যবহার না করে বিভিন্ন রুমে বিভিন্ন পর্দা ব্যবহার করুন। কোন রুমের পর্দায় রাখুন হালকা রঙ কোন রুমের পর্দায় গাঢ়। একই রুমে সব সময় একই পর্দা ব্যবহার না করে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ঘরের পর্দাগুলো ব্যবহার করুন। এতে করে একঘেয়ে লাগবেনা বরং আপনার ঘর একেক সময় একেক ভাবে ধরা দেবে আপনার কাছে।
29/12/2014
ওয়্যারড্রব গুছিয়ে রাখার কিছু সহজ টিপস
নতুন জামা কিনতেই হবে, কিন্তু আগে একবার ওয়্যারড্রবটা চেক করে নিন যে কোনটা লাগবে আর কোনটা লাগবে না। যে জিনিসটা ওয়্যারড্রব যেখান থেকে নেবেন বাড়ি ফিরে সেই জিনিসটা সেখানেই রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন দেখবেন কাজটা অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে।
14/12/2013
অন্দরসাজে গাছ
Fatema Khatun's picture
Submitted by Fatema Khatun
ঘরের মধ্যে এক কোনায় সবুজ এর ছোঁয়া আনতে পারে আপনার অন্দরসাজে অনেক পরিবর্তন।
ঘরের মধ্যে এক কোনায় সবুজ এর ছোঁয়া আনতে পারে আপনার অন্দরসাজে অনেক পরিবর্তন। আসলে বাইরে বের হলে কালো ধোঁয়া, রাস্তা ঘাঁটে যানজট, মানুষের ভিড় আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে একেবারে নাজেহাল করে দেয়। তাই যান্ত্রিক জীবনে কিছুটা হলেও আপনি স্বস্তি পেতে পারেন আপনার অন্দরমহলে কিছু ছোট ছোট গাছ লাগিয়ে।
বাসার বাইরে প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নেয়ার কথা তো আমরা ভাবতেই পারিনা কারন দিনের পর দিন সমস্ত গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। তাই সবুজের মধ্যে প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নেয়ার একমাত্র উপায় হল বাড়ির ভিতরে অল্প খরচে গাছ লাগানো। আপনি আপনার লিভিং রুম , ডাইনিং রুম , ড্রয়িং রুম এ অনায়াসেই কিছু গাছ কিনে ছোট ছোট টবে গাছ গুলো লাগিয়ে আপনার রুম এর বিভিন্ন স্থান এ রাখতে পারেন। এতে আপনার ঘরের সৌন্দর্যও বাড়বে পাশাপাশি সবুজ গাছ পালা চোখে শান্তিও দিবে নিঃশ্বাসও নিতে পারবেন প্রাণ ভরে। তবে আপনার ঘরের গাছ গুলোকে রাতের বেলায় ভিতরে না রেখে বারান্দায় রাখুন, সপ্তাহে একদিন ভালোমতো রোঁদে দিন আর পাশাপাশি যত্ন নিন। এই সামান্য পরিশ্রম আপনার মনকেও ভালো রাখবে, বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে আর বাড়িতে আসা অতিথিদেরও নজর কাড়বে।
অনেক রকমের গাছ আছে সাজানোর জন্য এবং খুব অল্প খরচেই আপনি হাতের কাছে সব পাবেন। নানা ধরনের পাম, পাতাবাহার , ক্যাকটাস , বিভিন্ন ধরনের ফুলের গাছ মোটামুটি সব গাছ এর দোকানে আপনি পাবেন। আবার নানা ধরনের কর্নার প্ল্যান্টস পাওয়া যায় যা দিয়ে আপনি আপনার ঘরের কর্নার গুলকে পছন্দমত সাজাতে পারবেন।
চাইলে আপনি আপনার ছাদেও ছোট খাটো একটি বাগান তৈরি করতে পারেন বিভিন্ন রকমের ফুল গাছ দিয়ে। এবং নিজের সাথে অথবা পরিবারের প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটিয়ে দিতে পারেন আপনার ছাদের ওই ছোট্ট বাগানে।
Thanks
jatil.Pryo.com
08/12/2013
স্বল্প খরচে অন্দরসজ্জায় নতুন মাত্রা
nusrat jahan champ
কোনো উপলক্ষকে কেন্দ্র করে ঘর সাজাতে চান সবাই-ই! কিন্তু সবার সাধ্যে কি তা কুলায়? নতুন অন্দরসজ্জা - কথাটা শুনলেই মনে হয় ব্যাপক ঝক্কি আর খরচের ব্যাপার! এমনিতেই উত্সব-অনুষ্ঠানে খরচটা একটু বেশিই হয়ে থাকে, তাই অন্দরসজ্জাতেও যদি বেশি খরচ হয়, তাহলে বাজেটে টান পড়তেই পারে! আর এ কথাটা ভেবেই অনেকে অন্দরসজ্জার ব্যাপারটা এড়িয়ে যান। ঘর সাজাবেন কীভাবে, কেমন বাজেটে এটা কিন্তু সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার। সীমিত বাজেটেও অন্দরসজ্জায় আনা যায় নতুন মাত্রা।
কম খরচে চোখে পড়ার মতো অন্দারসজ্জার জন্য করতে হবে একটু বিস্তারিত পরিকল্পনা। রাতারাতি তো আর ঘরের রং, আসবাবপত্র বদলে ফেলা যায় না, তাই প্রথমেই ভেবে দেখুন ঘরের কোন পরিবর্তনগুলো সহজেই নজরে পড়বে! তৈরি করে ফেলুন 'প্রায়রিটি লিস্ট', এরপর করুন বাজেট। তবে ঝামেলার কথা হলো, লিস্ট তৈরির সময় পরিবর্তনের সব বিষয়কেই প্রাধান্য দিতে ইচ্ছে করে! সীমিত বাজেটে অন্দরসজ্জা করতে গেলে নিজের ইচ্ছে আর চাহিদার ওপর একটু নিয়ন্ত্রণ করতেই হবে।
অন্দরসজ্জায় নতুন মাত্রা দিতে এ ব্যাপারে রইল কিছু পরামর্শ -
নতুন কালার স্কিম :
শোবার ঘরের আসবাবপত্র দুম করে বদলে ফেলার কথা মোটেও ভাববেন না! শোবার ঘরের সজ্জায় নতুন মাত্রা আনার আরো অনেক উপায় রয়েছে। সবচেয়ে সহজ উপায় হলো বেডকভার বদলে ফেলা! কিন্তু তাতেও যদি মন না ভরে, তাহলে করতে পারেন অন্য ব্যবস্থাও! একটা কালার স্কিম ভাবুন, তারপর সেই অনুযায়ী পর্দা, বিছানার চাদর এবং অন্যান্য জিনিসের কাভার তৈরি করে ফেলুন। এতে মোটামুটি কম খরচেই পালটে ফেলতে পারবেন পুরো শোবার ঘরের চেহারা। একই কাজ করতে পারেন অন্যান্য ঘরের ক্ষেত্রেও!
নতুন ছবি :
ঘরের দেয়ালে যদি পরিবারের সদস্যদের ছবি থাকে, তাহলে ফটোফ্রেম না পালটে ছবিগুলো বদলে ফেলুন। রাখতে পারেন সাম্প্রতিক ছবি। নতুন ছবি ঘরের চেহারা বদলে দেবে অনেকটাই।
ল্যাম্পশেড :
ঘরের কোণে বা টেবিলে রয়েছে হাল ফ্যাশনের ল্যাম্পশেড? বদলে ফেলুন এটাও! ঘরের আসবাবপত্রের সাথে মিল রেখে কিনে ফেলুন একটু বনেদি ধাঁচের ল্যাম্পশেড। পুরোনো দিনের ছোঁয়া রয়েছে এমন ডিজাইনের একটি মাত্র ল্যাম্পশেড ঘরের চেহারা আমূল পালটে দিতে পারে এবং ঘরে সংযোজন করতে পারে নতুন মাত্রা!
কুশন কভার :
স্বল্প বাজেটের অন্দরসজ্জায় সোফাসেট পালটানো যাবে না মোটেও! তাই বলে কি সোফায় কোনো পরিবর্তন আসতে পারে না? বদলে ফেলুন সোফার কভার। সেই সাথে পালটে ফেলুন কুশন কভারও। কুশন কভার সোফার কভারের রঙের সাথে কনট্রাস্ট বা বিপরীত রঙের তৈরি করুন। কোন ধরনের কাপড় ব্যবহার করবেন ভাবছেন? বেছে নিতে পারেন হ্যান্ডলুম কটন। এতে বসার ঘরে বেশ বৈচিত্র্য আসবে। শোবার ঘর বা অন্যান্য জায়গাতেও যদি কুশন থাকে, বদলে ফেলতে পারেন সেগুলোর কভারও!
আসবাবের অদল-বদল :
আসবাবপত্র এদিক-সেদিক করে বদলে ফেলতে পারেন ঘরের চেহারা। ঘরের এই পরিবর্তনে যদি পেয়ে যান একটুখানি বাড়তি জায়গা তাহলে সেখানে রাখতে পারেন পানিভর্তি বড় মাটির গামলা আর তাতে ছড়িয়ে দিতে পারেন ফুল। এতে রাখতে পারেন ফ্লোটিং মোমবাতিও। ঘরে রাখতে পারেন নানা ইনডোর প্লান্টস।
আপনার বাজেট অনুযায়ী আপনার অন্দরমহলে কী কী পরিবর্তন আনা সম্ভব, তা ঠিক করতে হবে আপনাকেই! তাই সীমিত খরচে অন্দরসজ্জায় নতুন মাত্রা সংযোজন করতে চাইলে কৌশল ও সেই সাথে আপনার বুদ্ধিমত্তাও প্রয়োজন।
Thanks...
Priyo.com
08/12/2013
যত্নে থাকুক কাঠের আসবাব
nusrat jahan champ
সুন্দর ও আরামদায়ক ভাবে জীবনযাপন করতে প্রয়োজন হয় অনেক কিছুর। এগুলোর মধ্যে আসবাবপত্র অন্যতম। ব্যবহারিক প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি সৌন্দর্য বর্ধনও আসবাবের একটি কাজ। তাই সুন্দর ও রুচিশীল আসবাবের প্রতি মানুষের আকর্ষণ দুনির্বার। সুদূর অতীত থেকেই আসবাবপত্র তৈরির অন্যতম উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে কাঠ। কাঠের তৈরি আসবাবপত্র আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই অতীতে রাজা-বাদশাদের আসবাবপত্র তৈরি করা হতো কাঠ দিয়ে এবং সেগুলোতে করা হতো আকর্ষণীয় কারুকার্য।
বর্তমানে নানা উপকরণের তৈরি আসবাবপত্র পাওয়া গেলেও কাঠের আবেদন কমেনি এতটুকু। বরং কাঠের জিনিস দাম যেন দিনকে দিন বেড়েই চলছে! তারপরও এর চাহিদা থেমে নেই। আর থাকবেই বা কেন? ঘরে উষ্ণ ও ঐতিহ্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করতে কাঠের আসবাবের জুড়ি নেই। ভালো কাঠের আসবাব কিনতে পারলে তা টিকেও থাকে বহুদিন। তবে এর জন্য প্রয়োজন একটুখানি যত্নের। সময়ের সাথে সাথে এবং প্রতিদিনের ব্যবহারের ফলে কাঠের জিনিসে পড়ে যায় অনেক দাগ। অনেক সময় ছোপ ছোপ দাগের ফলে দেখতে বেশি পুরোনো পুরোন লাগে! সঠিকভাবে যত্ন নিতে পারলে কাঠের জিনিস ভালো রাখা সম্ভব বহুদিন পর্যন্ত। রইল ঘরোয়া উপায়ে কাঠের আসবাবপত্র দাগমুক্ত ও ভালো রাখার কিছু উপায়-
কাঠের জিনিসের অন্যতম সমস্যা হলো পোকা ধরা। পোকামাকড়ের আক্রমণ কমাতে নারকেল তেলের সাথে কর্পূর মিশিয়ে আসবাবের কোনায় কোনায় দিয়ে দিন। পোকা মারার স্প্রেও ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি পোকার প্রকোপ খুব বেশি হয়ে থাকে, তাহলে পোকা মারা বা পেস্টিংয়ের প্রফেশনাল কোনো এজেন্সির সাহায্য নিতে পারেন।
কাঠের আসবাবপত্র সব সময় শুকনো কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করুন। অনেক সময় কাঠের জিনিস মুছতে গিয়ে তাতে আঁচড়ের দাগ পড়ে যায়। এই দাগ তুলতে সামান্য বেকিং সোডার সাথে পানি মিশিয়ে নিয়ে তাতে একটা নরম কাপড় ভিজিয়ে দাগের জায়গাটা মুছে দিন।
কাঠের মতো বাঁশ দিয়েও আসবাবপত্র তৈরি করা হয়। আবার কাঠের সাথে বাঁশ ব্যবহার করেও অনেক আসবাবপত্র তৈরি করা হয়। এই বাঁশের অংশটুকু চকচকে পরিষ্কার করে তুলতে পারেন খুব সহজেই! সামান্য পানির সাথে কিছু লবণ মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণে নরম কাপড় ভিজিয়ে বাঁশের অংশটুকু বা বাঁশের আসবাবপত্র মুছুন।
অনেক সময় একাধিক ধরনের কাঠ মিশিয়ে আসবাবপত্র তৈরি করা হয়। ফলে আসবাবের কোনো অংশ হয়তো তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায় বা পোকায় ধরে। এমনটা হলে আসবাবটি ফেলে দেবেন না। ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি কেটে ফেলে দিয়ে সেখানে নতুন কাঠ লাগিয়ে নিন। এতে জিনিসটি ব্যবহার করতে পারবেন আরো অনেকদিন।
কাঠের ডাইনিং টেবিলে সবসময় টেবিল ম্যাট, রানার ও কোস্টার ব্যবহার করুন। কারণ এর ওপর দিয়ে জোরে কিছু টানলে দাগ পড়ে যেতে পারে। কাঠের টেবিলে পানি পড়লে অনেক সময় দাগ হয়ে যায়। একটি নরম কাপড়ে মেয়নেজ দিয়ে জায়গাটা মুছে নিন। ঘণ্টাখানেক পর ভেজা কাপড় দিয়ে জায়গাটা মুছে ফেলুন। দাগ উঠে গিয়ে টেবিল আবার আগের মতো চকচকে হয়ে উঠবে।
গরম জিনিস রাখার ফলে কাঠের টেবিলে অনেক সময় সাদা সাদা 'হিট স্টেইন' পড়ে যায়। এই সাদা দাগের ওপর টুথপেস্ট ও বেকিং সোডা মিশিয়ে হালকা ঘষে লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর তুলে ফেলুন। এভাবে কয়েকবার মিশ্রণটি ব্যবহার করলে সাদাভাবটা অনেকখানি কমে যাবে।
কাঠের আসবাবে মসৃণ ও চকচকে ভাবটা ধরে রাখতে অলিভ অয়েল ও লেবুর রসের মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণ দিয়ে সপ্তাহে একবার আসবাবপত্র মুছুন। এতে কাঠের চকচকে ভাব থাকবে দীর্ঘদিন এবং সহজে ছোপ ছোপ দাগ পড়বে না।
বর্ষার কাঠের আলমারি বা ওয়ারড্রোবের ভেতরটা স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে পড়ে। তখন এর ভেতরে কাপড় রাখলে তাতে ছাতা পড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। এর ভেতরে ছোট ছোট সিলিকাজেলের প্যাকেট রেখে দিন, আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কালোজিরা ও শুকনো নিমপাতার ছোট ছোট পুটুলি বানিয়ে আলমারি ও ওয়ারড্রোবের কাপড়ের মাঝে মাঝে রেখে দিন।
আলমারি বা ওয়ারড্রোবের ড্রয়ার, দেরাজের পাল্লা খুলতে অসুবিধা হলে এর চারপাশে মোম ঘষে দিন। এতে খুলতে সুবিধা হবে।
কড়া রোদ পড়ে এমন কোনো জায়গায় কাঠের আসবাবপত্র রাখবেন না। রোদে কাঠের জিনিস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়বৃষ্টিতেও কাঠের আসবাবপত্রের ক্ষতি হয়। তাই বারান্দা বা লনে কাঠের চেয়ার-টেবিল ব্যবহার না করাই ভালো।
Thanks.....
Priyo.com