23/02/2021
Paradise View – প্যারাডাইজ ভিউ
আপনার সাধ এবং সাধ্যের সংমিশ্রনে ভবিষ্যতের সেরা ইনভেষ্টমেন্ট অফার। প্রতি মাসে মাত্র ৫০০/= টাকা কিস্তি দিয়ে পেতে পারেন বাগেরহাটে ৩ তারকা বিশিষ্ট একটি হোটেলের আংশিক মালিকানা। আপনার খরচের পর বাড়তি অংশটুকু দিয়ে আজই করে ফেলুন একটি সুন্দর ভবিষ্যতের শুরু।
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন; Mobile: 01711463482 (WhatsApp), eMail: [email protected]
কেন বাগেরহাটে ৩ তারকা হোটেল?
নির্মাণকাজ শেষ করে এই হোটেলটি ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত করতে আরো ৩ বছর সময় লাগবে। ইতিমধ্যেই পদ্মা সেতু হয়ে যাবে। ফলে ভ্রমণ পিপাসুরা খুব সহজেই বাগেরহাট যেতে পারবেন, যা এখনও কষ্ট সাধ্য। বাগেরহাটে রয়েছে ষাট গুম্বুজ মসজিদ, খান জাহান আলীর মাজার, বাগেরহাট শহরের উপর দিয়ে বয়ে গেছে দড়াটানা নদী, কাছেই রয়েছে সুন্দরবন, শীঘ্রই খুলছে মঙ্গলা পোর্ট, থাকছে বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, থাকছে আন্তর্জাতিক রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন এলাকা। বিভিন্ন সরকারী, আধা সরকারী, এনজিও কর্মীসহ অসংখ্য মানুষ প্রয়োজনীয় কাজে হরহামেশাই বাগেরহাট যাচ্ছে। কিন্তু, সেখানে খুব ভাল মানের কোন হোটেল নেই। যে কারণে মানুষ বাগেরহাট গিয়ে রাত্রি-যাপনের জন্যে খুলনা যেতে হচ্ছে। যদিও, খুলনায়ও আন্তর্জাতিক মানের হোটেলের অভাব রয়েছে।
কি কি থাকছে আমাদের হোটেলে?
সর্বমোট ৫৫ কামরার আমাদের এই হোটেলে থাকছে পরিবারের জন্য ৫টী ভিআইপি ফ্যামিলী স্যুইট। যে স্যুইটে থাকছে ২টি বেডরুমসহ ড্রইং, বাথরুম এবং ব্যালকনি। রুমের ইন্টেরিয়র হবে আন্তর্জাতিক ৫ তারকা হোটেলের সমমানের।
প্রেসিডেন্সিয়াল সুইট হবে ৩০টি। যাতে থাকবে সুদৃশ্য বেডসহ ড্রইং, সুদৃশ্য আন্তর্জাতিক মানের ইন্টেরিয়র, বাথরুম ও ব্যালকনি।
এক্সেকিউটিভ রুম থাকছে ১৫টি। যাতে সুদৃশ্য ইন্টেরিয়রসহ বাথরুম ও বেলকনির ব্যবস্থা।
আন্ডার গ্রাউন্ডে থাকছে ৫টি ড্রাইভার রুম। যেখানে থাকবে কমন বাথরুম/টয়লেট।
ড্রাইভার রুমে ফ্যান থাকলেও অন্য সকল রুম পুরো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।
ছাদে থাকছে স্যুইমিং পুল, হ্যালিপ্যাড। বাচ্চাদের জন্য থাকছে কিডস জোন, সকলের জন্য থাকছে স্টিমিং রুম, সোওনা, ব্যায়ামাগার। আন্ডারগ্রাইন্ডে থাকছে পার্কিং, লবিতে প্রবেশের পূর্বেই থাকছে সুদৃশ্য ফোয়ারা, বাগানসহ আকর্ষনীয় মনোরম পরিবেশ। থাকছে আন্তর্জাতিক মানের রেষ্টুরেন্ট। বিভিন্ন সভা, বিয়েসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য থাকছে কনফারেন্স হল।
কেন আপনি এই হোটেলের গর্বিত অংশিদার হবেন?
বাণিজ্যিক চিন্তা করে এই হোটেলে গর্বিত অংশিদার হলে বছর শেষে পাচ্ছেন লাভাংশ। মাত্র ৫৫ রুমের এই হোটেল বাগেরহাটে যাওয়া ভ্রমণ পিপাসু এবং বিভিন্ন কারণে যাওয়া পর্যটকদের কারণে লাভজনক হবে আল্লাহ এর ইচ্ছায়। এছাড়াও আপনি যতদিনের জন্য হোটেল রুম বুকিং দিবেন, ততদিন ইচ্ছে করলে থাকতেও পারবেন। না থাকলে লাভের অংশ পাবেন। থাকলেও কনফারেন্স হল, রেষ্টুরেন্ট, ব্যায়ামাগারসহ বিভিন্ন খাত থেকে আয়ের অংশ আপনার ভাগে যতটুকু আসবে ঠিক ততটুকু পাবেন। এছাড়াও সাফ-কবলা রেজিষ্ট্রিতে মূল জমির মালিক হবেন। ফলে শুধু আপনি নন, আপনার বংশধর বা উত্তরাধিকারী সবাই এই হোটেলের গর্বিত অংশিদার হিসেবে আজীবন লাভ পেতে থাকবেন।
কেন আমাদের অফার সবচেয়ে আকর্ষনীয়?
কেননা, আমরা দিচ্ছি সবচেয়ে কম মূল্যে এবং কম লাভে এই আকর্ষনীয় অফার। এমন কি মাসে মাত্র ৫০০/= টাকা কিস্তি দিয়েও আপনি এই হোটেলের গর্বিত অংশিদার হতে পারবেন। রয়েছে মাত্র ৭০০০/= টাকা দিয়েও এই হোটেলের অংশিদার হওয়ার সুযোগ। ফলে, আপনার হয়তো এতোদিন স্বপ্ন ছিল, ভবিষ্যতের জন্য কিছু করার; কিন্তু, সাধ্য ছিল না। আমরা আপনার সাধ্যের মাঝে নিয়ে এসেছি আমাদের এই অফার।
কেন সুন্দরবনের কাছে না হয়ে মূল বাগেরহাট শহরে এই হোটেল?
সুন্দরবনে শুধূমাত্র নির্দিষ্ট সংখ্যক পর্যটক একটি নির্দিষ্ট সময়ে ভ্রমণ করেন। কিন্তু, মূল বাগেরহাট শহরে সব সময়ে পর্যটকের ভীড় থাকে। এছাড়া যারা সুন্দরবনে ভ্রমনে যান, তারাও বাগেরহাট শহরেই থাকতে চান। বাগেরহাট শহরেই রয়েছে দড়াটানা নদী, খান জাহান আলীর মাজার, ৬০ গুম্বুজ মসজিদসহ বিভিন্ন আকর্ষনীয় পর্যটন এলাকা সেই সাথে অনেক সরকারী-আধা সরকারী এবং বে-সরকারী অফিস। সুন্দরবনের কাছে কম মূল্যে জায়গা পাওয়া গেলেও আমরা সেখানে না করে, হোটেলটি করছি উচ্চ মূল্যের জমি বাগেরহাট মূল শহরে ২৫০ শয্যা সরকারী হসপিটালের পাশে। যার পাশেই রয়েছে পিসি কলেজ, মহিলা কলেজ, দড়াটানা নদী, খান জাহান আলীর মাজার, ৬০ গুম্বুজ মসজিদ।
ফেইসবুক পেইজ: https://www.facebook.com/theparadiseview
05/11/2017
Khoiyachora Waterfall
খৈয়াছরা ঝরনা, বরতাকিয়া, মিরসরাই, চিটাগাং
16/09/2014
খৈইয়াছড়া ঝর্ণায় ঘুরে আসুন - িনউজ এর বাংলা ব্লগ । bangla blog | সামহোয়্যার ইন ব্লগ - বাঁধ...
খৈইয়াছড়া, সিতাকুন্ড/ khoiya chora waterfall আকার আকৃতি ও গঠনশৈলির দিক দিয়ে এটাই নিঃসন্দেহে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঝর্ণা। এর মোট ৯ টি মুল ধাপ এবং অনেকগুলো বিচ্ছিন্ন ধাপ প্রমান করে যে এমন আর একটা ঝর্ণাও বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি।খৈইয়াছড়াতে সব সময় জ্বলে (এমন কি বৃষ্টিতেও) এমন একটি...
16/09/2014
খৈইয়াছড়া, সিতাকুন্ড/ khoiya chora waterfall
আকার আকৃতি ও গঠনশৈলির দিক দিয়ে এটাই নিঃসন্দেহে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঝর্ণা। এর মোট ৯ টি মুল ধাপ এবং অনেকগুলো বিচ্ছিন্ন ধাপ প্রমান করে যে এমন আর একটা ঝর্ণাও বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি।খৈইয়াছড়াতে সব সময় জ্বলে (এমন কি বৃষ্টিতেও) এমন একটি পাহাড় আছে।সেখানে আগুন কখনও নিভে না।
কিভাবে যাবেন এ ঝরনায় ?
আপনি যদি ঢাকার দিক থেকে যান তাহলে চট্টগ্রামের মিরসরাই পার হয়ে বারতাকিয়া বাজারের আগে খৈয়াছড়া আইডিয়াল স্কুলের সামনে ঢাকা চট্টগ্রাম রোডে নামবেন । স্কুলের প্রায় ত্রিশ গজ আগে একটি রাস্তা ঢাকা চট্টগ্রাম রোড হতে ডান দিকে ঢুকেছে ঐ রাস্তায় ঢুকবেন না । ঐখান থেকে হাতের বাম দিকে গ্রামের রাস্তা ধরে দশ মিনিট হাঁটলে পথে রেললাইন পরবে, রেললাইন পার হয়ে আরো দশ মিনিট হাঁটলে ঝিরি পাবেন । ইচ্ছে করলে ঢাকা চট্টগ্রাম রোড থেকে ঝিরি পর্যন্ত আপনি সি.এন.জি নিয়েও (৫০-৬০টাকা লাগবে) যেতে পারবেন । ঐখান থেকে আপনাকে খৈয়াছড়া ঝর্ণার মূল ট্র্যাকিং শুরু করতে হবে । ঝিরি থেকে শেষ স্টেপ পর্যন্ত সোয়া দুই ঘন্টার মত সময় লাগবে । বৃষ্টি বা পাহাড়ি ঢল সমস্যার কারণ হতে পারে সেজন্য অবশ্যই দড়ি সাথে নিবেন, প্রয়োজনে কাজে লাগতে পারে । খৈয়াছড়া ঝর্ণা ট্র্যাকিং বাংলাদেশের অন্য ঝর্ণাগুলো থেকে একটু আলাদা । তাই সবসময় সতর্কতার সাথে পা ফেলবেন । লবন নিয়ে যাবেন জোক আছে।
মনে রাখবেন সীতাকুন্ড থেকে বাসে বড়তাকিয়া ১৫-২০ মিনিট এর বেশি লাগেনা। সিএনজিতে আরেকটু বেশি সময় নেয়। আপনি সিতাকুন্ড থেকে সরাসরি সিএনজিতে “বড় তাকিয়া” বাজার বা লোকাল এ “বড় দরগার” হাট এসে , সেখান থেকে আবার “বড়তাকিয়া” বাজার যেতে পারেন। সকাল সকাল রওনা দিলে দুপরের মধ্যেই আবার সিতাকুন্ড ফেরত আসতে পারবেন।তবে আমার উপদেশ আপনি মিরশ্বরাই নামাই বুদ্ধিমানের কাজ,যদি শুধুমাত্র খৈইয়াছড়া ঝর্ণাই দেখতে চান।
ঝিরির শুরুতে হাতের ডানে সোহেল নামে একজন গাইডের বাড়ি আছে, যার মোবাইল নাম্বার – ০১৮৫২৪৮৩৯৯০।
আপনি ইচ্ছা করলে তার সাথে যোগাযোগ করে বিকাশের মাধ্যমে বাজার করার টাকা পাঠিয়ে দিলে ওর বাসায় খাওয়া দাওয়া ও বিশ্রাম করতে পারবেন । । আমি ওর মাধ্যমে খৈয়াছড়া ঝর্ণায় যাই, ওকে আমার অনেক হেল্পফুল মনে হয়েছে ।এছাড়াও মোটামুটি শিক্ষিত।যা সেখানে বিরল।
খইয়াছড়া আর সহস্রধারা (ছোট দারোগা হাটের টা ) একই দিনে দেখা সম্ভব। খইয়াছড়ায় ঔঠার সময় দড়ি থাকলে নামতে এবং উঠতে অনেক সুবিধে হবে। তবে না থাকলেও সমস্যা নেই , একটু কষ্ট হলেও মজা বাড়বে বই কমবেনা।
যাওয়ার পথ
খৈইয়াছড়া ঝর্ণা পর্যন্ত বর্ষা কালে যাওয়া যথেষ্ট দূর্গম সাধারণ মানুষের জন্য।যদিও যে কেউ এই দূর্গম পথ খুব সহজেই পাড়ি দিতে পারবে,এক জোকের সমস্যা ছাড়া।এই দূর্গম পথই আপনার আনন্দ বাড়িয়ে দিবে।অবশ্য বর্ষা কাল ছাড়া গেলে ঝর্ণার মধুর রূপটুকু মিস করবেন।কিন্তু বৃষ্টি না হলে পথ খুবই সহজ।
কোথায় থাকবেন?
বড়তাকিয়া বাজারে থাকার কোন হোটেল নেই।কিন্তু আপনি চাইলে চেয়ারম্যানের বাংলোয় উঠতে পারেন।সোহেলের বাসায়ও কষ্ট করে থাকতে পারেন।এছাড়াও আপনি ক্যাম্প করতে পারেন অথবা চট্টগ্রাম যেতে পারেন আবার সিতাকুন্ডে যেতে পারেন।
কি খাবেন?
সোহেলকে বলল,সে তার বাসায়ই খাওয়ার বন্দোবস্ত করবে।এছাড়াও সেখানে ২টি ভাতের হোটেল আছে এবং চায়ের দোকান আছে।ভাতের হোটেলে ভাত, মাছ এবং মুরগী প্রতিদিনই পাবেন।
কি কি নিতে হবে-
এখন খৈইয়াছড়ায়ই সব কিছু পাওয়া যায়।যেহেতু নিয়মিত টুরিষ্ট যাচ্ছে।এমন কি ব্যানসন সিগেরেটও সেখানে সহজলাভ্য এবং সাধারণ দামে পাওয়া যায়।তারপরও যা যা সাথে নেওয়া ভাল:
১) ব্যাগ- Bag
২) গামছা- Gamsa
৩) ছাতা- Umbrella
৪) রেইন কোর্ট- Raincoat
৫) অতিরিক্ত ০১(এক) সেট কাপড়- Extra One Set Cloth
৬) পানির বোতল- Water Bottle
৮) কেডস/ সেন্ডেল (Shocks )
৯) ক্যামেরা+ব্যাটারী+চার্জার (Camera + Films + Battery + Mamore Card + Charger
১০) পলিথিন (Polythene)
১৪) টিস্যু (Tissue/Toilet Paper )
১৫) ব্যক্তিগত ঔষধ (Personal Emergency Medicine )
১৬)একটা দড়ি নিয়ে গেলে অনেক কাজ দিবে মূল ঝরনার উপরে স্টেপ গুলা টপকাতে।