TownStore

TownStore

Share

The visuospatial cognition and attention seem to benefit the most. This also helps to develop the logical thinking and analytical ability.

Townstore-এ আপনি পাবেন নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যপণ্য, জীবন উপকরণ, হস্তশিল্প, শিশুদের মানসিক বিকাশের সামগ্রী এবং ফিটনেস পণ্য — সবই আস্থা ও ঐতিহ্যের প্রতীক।

আসুন, প্রকৃতি ও ঐতিহ্যের মাঝে জীবনকে অন্বেষণ করি! Introduction
As a popular form of leisure activity, the discussion of video gaming (computer, mobile or play-station) in neuroscience is that video gaming has both positive and negative effects

06/09/2026

হাইজিনিক এবং নিরাপদ পিনাট বাটার নিয়ে চিন্তা?
বাসায় বানিয়ে নিন প্রপার হাইজিন মেইন্টেইন করে হেলদি দেশি চিনাবাদামের পিনাট বাটার।

বাজার থেকে কিনতে গেলে দাম ও বেশি পরে হাইজিন এর ব্যাপারেও চিন্তা থাকে।

📍 বাড়ি ১১, রোড ১২, ডিআইটি প্রজেক্ট, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা ১২১২

#পিনাটবাটার #চিনাবাদাম

05/09/2026

অশ্বগন্ধাটা নতুন চালান আসার সাথে সাথে কয়েকদিনের মধ্যেই দেখি শেষ হয়ে যায়।
ঘুমের যে সমস্যা ভালোই কাজ করে । আলহামদুলিল্লাহ।
স্টক চেক করতে যেয়ে দেখি একটার সিল নাই।
সাসপেক্ট (ছবিতে চিত হয়ে শোয়া প্রানীটি)
মাঝে মধ্যেই রাতের বেলা দোকান পাহাড়া দেয়।
আর সারাদিন এমন চিত পটাং হয়ে থাকে।
ভাবতেছি কাজটা কি এই মহাশয়ের?/

বাই দা রাস্তা রাতে বিড়াল মারার মোক্ষম সব ভেষজ হাতিয়ার পেতে নিম্নের ঠিকানায় চলে আসুন

📍 বাড়ি ১১, রোড ১২, ডিআইটি প্রজেক্ট, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা ১২১২

#বিলাইসমাচার #অশ্বগন্ধা #ঘুম

04/09/2026

গরুর মাংস চলে এসেছে আলহামদুলিল্লাহ।

03/09/2026

তীব্র গরম আর লোড শেডিং এর মধ্যে একটু প্রশান্তি...
কারেন্ট চলে গেছে। ফ্যান বন্ধ, ঘরে গুমোট গরম। শরীর ঘামছে, মনটাও অস্থির হয়ে উঠছে।
এই সময় দরকার এমন কিছু, যা ফ্রিজ বা ইলেক্ট্রিসিটির উপর নির্ভর না করেই একটু স্বস্তি দিতে পারে।
ঠান্ডা পানিতে এক চামচ আখের গুড়ের পাউডার আর কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন।
চুমুকেই প্রশান্তি ...

#আখেরগুড় #পাউডার #শরবত

31/08/2026

একবার এক নেককার দরিদ্র ব্যক্তি স্বপ্নে দেখলেন, দুজন লোক তাকে জিজ্ঞেস করছে—একটা গাছের নিচে ১,০০০ দিনারের গুপ্তধন আছে, তুমি নিতে চাও কি না? তিনি জানতে চাইলেন, “এতে কি বারাকাহ আছে?” তারা যখন বলল, না, দরিদ্র ব্যক্তি ঐ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন। তিনি বললেন যে তার এ অর্থের প্রয়োজন নেই।
পরেরদিন রাতে সেই দুই ব্যক্তি আবার তার স্বপ্নে হাজির হলো। এবার তারা বলল, গাছের নিচে আর ৫০০ দিনার অবশিষ্ট আছে। তুমি নিতে চাও কিনা? তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, “এতে কি বারাকাহ আছে?” তারা যখন জানাল যে এতে কোনো বারাকাহ নেই, তখন তিনি আবারও প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন।
এভাবে কয়েক রাত ধরে একই ঘটনা ঘটতে থাকল এবং প্রতিবার গুপ্তধনের পরিমাণ কমতে থাকলো। অবশেষে একদিন সেই দুই ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞেস করল যে গাছের নিচে আর মাত্র দুই দিনার অবশিষ্ট আছে, সে নিতে চায় কি না? আগের মতোই তিনি প্রশ্ন করলেন, “এতে কি বারাকাহ আছে?”
এবার তারা বলল, হ্যাঁ, এতে বারাকাহ আছে।
এবার দরিদ্র ব্যক্তিটি উৎসুক হয়ে তাদের কাছে গুপ্তধনের অবস্থান জানতে চাইলেন। পরদিন সকালে তিনি স্বপ্নে দেখানো জায়গাতে গেলেন এবং সেখানে সত্যিই সেই দুই দিনার খুঁজে পেলেন।
বারাকাহযুক্ত সেই দুই দিনার হাতে নিয়ে তিনি বাজারে গেলেন এবং বাড়ির জন্য একটা মাছ কিনলেন। মাছটা কাটার পর তিনি তার পেটের ভেতরে একটা মূল্যবান রত্ন দেখতে পেলেন, যার মূল্য ছিল হাজার হাজার দিনার।

(উৎস- The Barakah Effect: More with Less, Mohammed Faris)

গল্পটা সাধারণ, কিন্তু আমরা আল্লাহর কাছে থেকে কিভাবে চাইবো, সেই চাওয়া শেখায়।

(Collected)

#বরকত

30/08/2026

লাল চালের মুড়ি নিয়ে একটা কথা বলি —
সাদা চালের মুড়ির মতো একদম ঝকঝকে, গন্ধহীন হওয়ার কথা না লাল চালের মুড়ির। কারণ হাইড্রোজবিহীন লাল চাল প্রসেস কম হয়, চালের প্রাকৃতিক আঁশ আর খোসার অংশ অনেকটাই থেকে যায়। এই জন্যই এতে একটা হালকা মাটির মতো, একটু ভারী গন্ধ থাকে — এটাই স্বাভাবিক, এটাই লাল চালের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য।
আমরা যারা সবসময় সাদা, পালিশ করা চাল/মুড়ি খেয়ে অভ্যস্ত, তাদের কাছে এই স্বাভাবিক গন্ধটাও মাঝে মাঝে "পুরান" বা "কেমন যেন" মনে হতে পারে। এটা দোষের কিছু না — নতুন স্বাদের সাথে পরিচিত হতে একটু সময় লাগেই।

অভিযোগ বোঝার জন্য এক বাটি মুড়ি নিয়ে বসে পড়লাম।
আমার কাছে গন্ধের বিষয়ে যেটা লক্ষ করেছি।
সেটা হলো একেবারে নানির বাড়ির পুরোনো সেই গন্ধটা মনে করিয়ে দিচ্ছে। যেনো টিনের ড্রাম থেকে বের করে খাচ্ছি। আলহামদুলিল্লাহ।

যদিও মুড়িটা ন্যাচারালি মিষ্টি এর
সাথে প্রাকৃতিক চাষের কলার স্বাদ অতুলনীয়।

#লালমুড়ি #মুড়ি

30/08/2026

সকাল ৮টা। রামপুরার রাস্তায় জ্যাম। বাড্ডা থেকে অফিস যেতে যেতেই আপনার আজকের এনার্জির অর্ধেক শেষ। অফিসে গিয়ে চেয়ারে বসলেন, দুপুরে আবার বসলেন, বিকেলে বসেই থাকলেন। রাতে বাসায় ফিরে মনে হলো — "শরীরটার একটু যত্ন নেওয়া দরকার।"

তখনই মাথায় আসে জিমের কথা। কিন্তু তারপর হিসাব শুরু হয় — মাসিক ফি, যাওয়া-আসার সময়, ভারী ভারী মেশিন, একজন ট্রেইনারের পেছনে বাড়তি খরচ। বেশিরভাগ মানুষ এই হিসাব করতে করতেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।

এখানেই একটা পুরনো, কিন্তু আধুনিক দুনিয়ায় নতুনভাবে ফিরে আসা জিনিসের গল্প বলা যাক — Calisthenics।

সহজ ভাষায় বললে, Calisthenics হলো নিজের শরীরের ওজন দিয়েই করা এক্সারসাইজ। পুশ-আপ, পুল-আপ, স্কোয়াট, ডিপস, প্ল্যাংক — এগুলো সবই Calisthenics-এর অংশ। কোনো মেশিন লাগে না, কোনো ভারী ডাম্বেল লাগে না। লাগে শুধু একটা খোলা জায়গা — একটা রুম, ছাদ, পার্কের কোনো বার, বা এমনকি অফিসের করিডোরও চলে।

গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে এই নাম — "kallos" মানে সৌন্দর্য, আর "sthenos" মানে শক্তি। মানে সৌন্দর্য আর শক্তি — দুটোই একসাথে গড়ে তোলার একটা পুরনো পদ্ধতি, যা আজও সমান কার্যকর।

ঢাকার লাইফস্টাইলটা একবার ভাবুন। ফ্ল্যাটে থাকা মানুষের ঘরে জিম বসানোর জায়গা নেই। রাস্তায় বেরোলে হাঁটার মতো ফুটপাতও কমই আছে। অফিসের চাকরিতে সারাদিন বসে থাকা, তারপর জ্যামে বসে থাকা — শরীর নড়াচড়ার সুযোগ দিনে দিনে কমছে।

এই বাস্তবতায় Calisthenics এত জনপ্রিয় হওয়ার তিনটা কারণ আছে। প্রথমত, এটা শুরু করতে টাকা লাগে না। একটা মাদুর, একটুখানি জায়গা — এই দিয়েই শুরু করা যায়। দ্বিতীয়ত, সময় আর জায়গার হিসাব মেলাতে হয় না। ছাদে ১৫ মিনিট, বা রাতে ঘুমানোর আগে ঘরের এক কোণায় — এটাই যথেষ্ট। তৃতীয়ত, এটা শুধু গায়ের মাসল বাড়ানোর জন্য নয়। শরীরের ব্যালান্স, ফ্লেক্সিবিলিটি, আর দিনের পর দিন চেয়ারে বসে থাকা শরীরটাকে আবার স্বাভাবিক নড়াচড়ায় ফিরিয়ে আনার একটা পথ। যে মানুষ সারাদিন ল্যাপটপের সামনে ঝুঁকে বসে থাকেন, তার জন্য এটা রীতিমতো দরকারি।

জিম আর Calisthenics-কে প্রতিযোগী ভাবার দরকার নেই — দুটোর কাজের জায়গা আলাদা। জিমে ভারী ওজন তোলা যায়, মাসল টার্গেট করে বড় করা সহজ হয়, এবং প্রগ্রেস মাপা সহজ — কত কেজি তুলছেন সেটা দিয়ে বোঝা যায়। কিন্তু জিমের জন্য সদস্য ফি লাগে, নির্দিষ্ট জায়গায় যেতে হয়, আর নির্দিষ্ট সময় বের করতে হয়। Calisthenics-এ খরচ নেই, যেকোনো জায়গায় করা যায়, আর শরীরের নিয়ন্ত্রণ এবং বাস্তব জীবনে কাজে লাগার মতো শক্তি অনেক বেশি গড়ে ওঠে। তবে খুব বেশি মাসল সাইজ বাড়াতে চাইলে এটা কিছুটা ধীর। সহজ কথায় — যার হাতে সময়, বাজেট, আর জিমের সুবিধা আছে, তার জন্য জিম ভালো। যার হাতে সময় কম, বাজেট টাইট, কিন্তু সদিচ্ছা আছে — তার জন্য Calisthenics-ই আসলে বাস্তব সমাধান। আর অনেকে এখন দুটো মিলিয়েও করছেন।

নতুন যারা শুরু করতে চান, তাদের মনে কিছু প্রশ্ন সবসময় ঘোরে। "আমি তো একটাও পুশ-আপ পারি না, তাহলে কীভাবে শুরু করব?" — এই প্রশ্নটা সবচেয়ে বেশি শোনা যায়। উত্তর হলো, সবাই শূন্য থেকেই শুরু করে। হাঁটু মুড়ে পুশ-আপ, বা দেয়ালে ভর দিয়ে পুশ-আপ — এভাবেই শুরু হয় গল্পটা। ধীরে ধীরে শরীর তৈরি হয়।

"রোজ করতে হবে?" — না। সপ্তাহে ৩-৪ দিন যথেষ্ট, শরীরকে বিশ্রাম দেওয়াটাও ট্রেনিং-এর অংশ।

"বয়স বেশি হয়ে গেলে কি আর শুরু করা যায়?" — বয়স কোনো বাধা না, শুধু শুরুটা হালকাভাবে আর সঠিক ফর্মে করতে হয়।

"মেয়েদের জন্য কি এটা উপযুক্ত?" — সম্পূর্ণভাবে। বরং যারা ভারী ওজন তুলতে অস্বস্তি বোধ করেন, তাদের জন্য এটা একটা স্বাভাবিক শুরুর জায়গা।

"শুধু শরীর দিয়ে ব্যায়াম করলে কি সত্যিই শক্তি বাড়ে, নাকি জিমের মতো কার্যকর না?" — শরীরের ওজন নিজেই একটা রেজিস্ট্যান্স। ধীরে ধীরে কঠিন ভ্যারিয়েশনে গেলে, যেমন এক হাতে পুশ-আপ, এই শক্তি জিমের সমান, কখনো তার চেয়েও বেশি প্রয়োজন হয়।

আসলে ব্যাপারটা জিম বনাম Calisthenics নয়। ব্যাপারটা হলো নিজের শরীরের সাথে একটা সৎ সম্পর্ক তৈরি করা। যেভাবে আমরা বিশ্বাস করি খাবারে কোনো শর্টকাট বা কেমিকেল না থাকাই ভালো, ঠিক সেভাবেই শরীরের যত্নেও কোনো ব্যয়বহুল শর্টকাট লাগে না। শুধু লাগে একটু জায়গা, একটু সময়, আর শুরু করার সিদ্ধান্ত।

আজ রাতে ঘুমানোর আগে ৫টা পুশ-আপ দিয়েই শুরু হোক না গল্পটা?

29/08/2026

দাগহীন, একদম ঝকঝকে ক্লিন কলা দেখলে একটু থামুন

কারো "পাস্ট" একদম দাগহীন, একদম পারফেক্ট শুনলে মনে একটা প্রশ্ন উঁকি দেয় — সত্যিই এত ক্লিন, নাকি ভেতরে অন্য কিছু আছে? বাস্তবে মাটি খুঁড়তে গিয়ে কেঁচোর বদলে সাপ বেরিয়ে আসার মতো একটা অস্বস্তি কাজ করে।

কলার বেলাতেও একই কথা খাটে।

স্বাভাবিকভাবে পাকা কলার গায়ে ছোট ছোট বাদামি ছিট (চিনি স্পট) থাকবেই — এটা এমন এক লক্ষণ যে কলার ভেতরের স্টার্চ ধীরে ধীরে চিনিতে বদলেছে, সময় নিয়ে। রংটাও একদম সমান হলুদ হয় না, একটু জায়গায় জায়গায় হালকা সবুজ বা বাদামি আভা থাকে।

কিন্তু বাজারে যেসব কলা একদম নিখুঁত সমান হলুদ, কোনো দাগ নেই, দেখতে যেন প্রিন্ট করা — সেগুলোতেই বরং প্রশ্ন করা উচিত। কারণ জোর করে বাইরে থেকে গ্যাস দিয়ে পাকানো কলার খোসা তাড়াহুড়ো করে রং বদলায়, কিন্তু ভেতরের পাকার প্রক্রিয়া অনেক সময় সেই গতিতে হয় না। ফল হলো বাইরে থেকে ঝকঝকে হলুদ, কিন্তু ভেতরে শক্ত, কষটে বা অর্ধপাকা — যেমন সাপ বেরিয়ে আসার মতো চমক।

তাই কলা কেনার সময় "কত ক্লিন দেখতে" সেটা না দেখে, ছোট ছোট বাদামি ছিট আর হালকা অসমান রংটাই খুঁজুন। এটাই বলে দেয় কলাটা আসলে সময় নিয়ে, নিজের নিয়মে পেকেছে।

কলা এসেছে আলহামদুলিল্লাহ ।

📍 বাড়ি ১১, রোড ১২, ডিআইটি প্রজেক্ট, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা ১২১২

#ক্লিনপাস্ট #অতীতবিহীন #দাগযুক্তকলা

28/08/2026

তাজা দেশি ষাঁড় গরুর মাংস দিয়ে শুক্রবার এর আয়োজন করতে চাইলে দ্রুত শপে চলে আসুন। ইনশাআল্লাহ্।

📍 বাড়ি ১১, রোড ১২, ডিআইটি প্রজেক্ট, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা ১২১২

#ষাঁড়গরু #মাংস

27/08/2026

সকালে দোকান খোলার পর থেকেই কমসে কম দুই থেকে তিনজন এসে বলতেছে কারেন্ট নাকি সারাদিন থাকবে না। শুনছেন নাকি কিছু।
গতকাল কোনো খবরই তো শুনি নাই।
এখনো পর্যন্ত দিব্যি চলছে। আলহামদুলিল্লাহ।

আখ দিয়ে নাকি বিদ্যুৎ ও এখন উৎপাদন করা যায়।
Basically আখের ছোবড়া থেকে প্রাপ্ত ইথানল এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন টা সম্ভব এবং ব্রাজিল Ethanol engine বানিয়ে সেটা দেখিয়েও দিয়েছে।

কোনো একদিন ইনশাআল্লাহ্ ঘরে ঘরে আখের উৎপাদিত বিদ্যুতের ছোয়ায় ঘোরা ফ্যানের বাতাসের নিচে আখের গুড়ের শরবত হয়তোবা খাওয়া হবে।।

নিচে আখের গুটি দানা গুড় টা নিয়ে দেখতে পারেন ইনশাআল্লাহ্। গরমে কারেন্ট থাকুক চাই না থাকুক প্রশান্ত হবে শরীর মন।

📍 বাড়ি ১১, রোড ১২, ডিআইটি প্রজেক্ট, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা ১২১২

#আখেরগুড় #বিদ্যুৎ #লোডশেডিং #গুটিদানাগুড়

Want your business to be the top-listed Furniture Store in Meradia?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


House 11, Road 12, DIT Project
Meradia
1212