Sabbir Live

Sabbir Live

Share

It's Sabbir Ahmed. Mobile Journalism Editor-in-chief at Bangladesh Times

15/06/2026

Flawless touch and a perfect finish!

15/06/2026

দিল্লির এই অন্যায় আচরণের মুখে ডা. জাহেদ উর রহমান যেভাবে আপস না করে তাৎক্ষণিকভাবে সফর বাতিল করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও মর্যাদাপূর্ণ। তিনি ভারতকে একটি সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—বাংলাদেশ মাথা নত করবে না। এই সফরের চূড়ান্ত প্রত্যাখ্যান দিল্লির একগুঁয়ে নীতির মুখে একটি মোক্ষম কূটনৈতিক চপেটাঘাত।

➤ প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টাকে বিমানবন্দরে "হেনস্তা" তথা তার মাধ্যম বা চ্যানেল ব্লক রাখা অথবা তার নাম নিরাপত্তা সংক্রান্ত তালিকায় থাকা রাখা প্রমাণ করে — ভারত সরকার এখনো বাংলাদেশের মানুষের মনস্তত্ত্ব ও নতুন গণ-আকাঙ্ক্ষাকে বুঝতে পারেনি।

➤ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জনসমর্থিত সরকারের প্রতিনিধিকে অবমাননা করা — প্রকারান্তরে বাংলাদেশের কোটি মানুষের রায়কেই অবমূল্যায়ন করার শামিল।

➤ বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটে গেছে। দিল্লি যদি তাদের পুরোনো একপেশে চিন্তাভাবনা না বদলায়, তা খোদ ভারতের কূটনৈতিক স্বার্থেরই ক্ষতি করবে।

➤ বাংলাদেশ এখন আর কারও আজ্ঞাবহ রাষ্ট্র নয়। ভারতকে পরিবর্তিত বাংলাদেশের এই আত্মমর্যাদাশীল রূপকে সহজভাবে গ্রহণ করতে হবে।

➤ এই পরিবর্তন মানতে দিল্লির সমস্যা হলেও, অন্তত প্রতিবেশী হিসেবে ন্যূনতম কূটনৈতিক সম্মান দেখাতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ছাড়া কোনো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক টেকসই হতে পারে না।

একটা কথা বুঝতে হবে ভারত এবং বাংলাদেশ দুই দেশকে। আমরা অবশ্যই প্রতিবেশী। আমরা অবশ্যই দুই স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। আমাদের একে অপরের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। বন্ধুত্ব অনিবার্য।

13/06/2026

এমন 'নিয়ম মানা' ঢাকা শহর আগে দেখেননি!

10/06/2026

ঢাকার মোড়ে মোড়ে অবিশ্বাস্য দৃশ্য!

Photos from Sabbir Live's post 04/06/2026

পথে দুই ঘণ্টা বিরতিসহ সিলেট পৌঁছাতে ১৩-১৪ ঘণ্টা পার! এই হলো ঢাকা-সিলেট সড়কের বর্তমান অবস্থা! 🛣️ আওয়ামী লীগ কেবল প্রতিশ্রুতিই দিয়ে গেছে, সড়ক আর করতে পারেনি। শেষের দিকে এসে উদ্যোগ নিলেও ধীরগতির সব রেকর্ড ভেঙেছে তারা!

বলছি এবারের ঈদযাত্রার কথা। ঈদের সময় ঢাকা থেকে সিলেট আসার পথে পুরো সড়কটা দেখতে দেখতে আসছিলাম। কিছু জায়গায় কাজ শেষ হলেও, সিংহভাগ জায়গাই এখনো ভাঙাচোরা আর অসম্পূর্ণ। সবচেয়ে বড় কথা, এখন পর্যন্ত কাজ করার জন্য ৫৮% জমিই সড়ক বিভাগের হাতে নেই! এগুলো এখনো অধিগ্রহণই করা সম্ভব হয়নি।

সিলেটসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষের এখন প্রধান দুঃখ এই ঢাকা-সিলেট সড়ক! শেখ হাসিনা বারবার প্রকাশ্য জনসভায় এসে 'এই রাস্তা করে দেবেন' বলে সিলেটবাসীর সঙ্গে চরম প্রতারণা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জনতার ধাওয়ায় দেশ ছেড়ে পালিয়ে এখন দিল্লিতে আশ্রয় নিয়েছেন। তার তিন মেয়াদে এই সড়কের ৩% কাজও হয়নি! ❌

এখন তো নির্বাচিত সরকার, হাতে পুরো পাঁচ বছর সময় আছে। কিন্তু তাতেও কি শেষ হবে ঢাকা-সিলেট ৪-লেন এবং দুপাশে দুটি সার্ভিস লেনের কাজ? সেই ২০১৭ সাল থেকে মিটিং-প্রস্তুতি শুরু হয়ে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অগ্রগতি মাত্র ৪৫ ভাগ!

দুর্ভাগ্যবশত, এখন পর্যন্ত সিলেটের বর্তমান মন্ত্রী-এমপিদের পক্ষ থেকে কোনো জোর তাগিদ বা তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। এখন প্রয়োজন সবাইকে এক টেবিলে বসে 'One-Stop Solution'-এর মতো করে কাজ আদায় করে ছাড়ার দৃঢ় মানসিকতা। কারণ লক্ষ্য থেকে রাস্তার কাজ এখনো বহুদূরে! ২০২৮ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, যে গতি—তাতে ২০৩০-৩২ সাল পার হয়ে যাওয়ার দশা! সড়কটির বিভিন্ন অংশ অসংখ্য ঠিকাদারের মধ্যে বিভক্ত, যার বড় একটা অংশ প্রয়োজনীয় লোকবল ও যন্ত্রপাতি ছাড়াই ঢিমেতালে কাজ করছে। ফলে পিছিয়ে আছে শত শত কিলোমিটার! ⏳

কাগজে-কলমে কাজ ৪৬% শেষ দেখানো হলেও, বাস্তবে অর্ধেকেরও বেশি জমি এখনো অধরা!

31/05/2026

১টি নদী, ২টি দেশ, ৩টি নাম! দেশের সর্ব উত্তর পূর্বের মানচিত্রে

29/05/2026

সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কের সবুজ সুড়ঙ্গ!

28/05/2026

হোয়াটসঅ্যাপ স্টোরি স্ক্রল করতে গিয়ে চোখটা আটকে গেল। মনে হলো একটা ভিন্ন জিনিস দেখলাম! সাধারণত আমাদের দেশের রাজনৈতিক পোস্টার মানেই সস্তা রেষারেষি আর কড়া রঙের মেলা। কিন্তু এই ঈদ শুভেচ্ছা পোস্টারটা একদম ব্যতিক্রম!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী পেনসিল স্কেচ বা ড্রয়িং-ভিত্তিক আর্ট দিয়ে ঈদের শুভেচ্ছা দিচ্ছে।

সেই পোস্টারে ব্যক্তির চেহারার ভাব, তাঁর চশমা, ঘড়ি এবং পোশাকের ডিটেইলস সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। এটি প্রথাগত ছবির তুলনায় অনেক বেশি শৈল্পিক।
যে মানুষ শৈল্পিক চিন্তাভাবনা লালন করে তার কাজ সৃষ্টিশীল হবেই! এটা আধুনিক মনন ও পরিশীলিত রুচিবোধেরই নান্দনিক প্রকাশ। দেশের ছাত্র রাজনীতিতে এই রুচিবোধ ও নান্দনিকতা খুব বেশি দরকার !

দেখুন এখানে প্রথাগত ছবির বদলে পুরো পোস্টারে পেনসিল স্কেচ বা ড্রয়িং-ভিত্তিক যে আর্ট ব্যবহার করা হয়েছে, তা সত্যি প্রশংসনীয়। রঙের অতিরিক্ত জাঁকজমক নেই, শান্ত ও মার্জিত একটা কালার টোন।

ধন্যবাদ তামী -এ শুভেচ্ছা পোস্টার বলে দিচ্ছে- তরুণ ও মেধাবী নেতৃত্ব যে শুধু চিন্তায় নয়, রুচিতেও আধুনিকতা—! 🌟✨

Want your business to be the top-listed Furniture Store in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


3/B Nikhunja/1
Dhaka
1212