না বলা কথা

না বলা কথা

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from না বলা কথা, Rampura, Dhaka.

22/08/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars – they help me earn money to keep making content that you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.

09/08/2025
28/02/2020

Please like & share our online shopping Page

https://www.facebook.com/LishopBD

Li Shop BD Do Shopping Online, from your Home on LiShopBD. Customer Satisfaction is Our main Target. Buy Exclusive dresses on LiShopBD.

05/11/2019

তাং: ১২/০৪/২০১৯ খ্রি.

অনুরাধা,

কেমন আছো? কোথায় আছো? খুব জানতে ইচ্ছা করে এখনো কি পায়ে আলতা দিয়ে বৃষ্টির জলে হাঁটো! তুমি পায়ে আলতা দিলে অপূর্ব লাগে। সত্যি তুমি বিধাতার এক অপরুপ সৃষ্টি।
তোমায় আমি এই শহরে অজস্র নারীর ভীড়ে খুঁজে পেয়েছিলাম। তুমি অনন্য এক উপমাহীন। তোমার সৌন্দর্যের উপমা আমি আজও খুঁজে ফেরি।

জানি না, তোমার কাছে এই চিঠি পৌঁছাবে কিনা? তবুও তোমাকে লিখছি। যদি তোমার কাছে কখনো এই চিঠি পৌঁছায় তবে চিঠিটা পড়ে নিও। আমি তোমায় আমার মনের কল্পনা শক্তিতে আবিষ্কার করেছিলাম প্রথম দেখায়। তুমি লাল পেড়ে সাদা শাড়ি পড়ে, কাঁধে পাটের ব্যাগ ঝুলিয়ে , লম্বা চুলের বেনী দুলিয়ে গুণ গুণ করে রবীন্দ্র সংগীত গাইতে গাইতে রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলে। তখন টুপটাপ করে বৃষ্টিরাশি ভূপৃষ্ঠ ছুঁয়ে যাচ্ছিল আলতো স্পর্শে। তোমার আলতা রাঙা পা বৃষ্টির জলে স্নান করে এক অপূর্ব রূপ ধারণ করেছিল। আমি মুগ্ধ নয়নে তা অবলোকন করতে করতে তোমার পিছু পিছু কখন টিএসসি পার করে নীলক্ষেত পৌঁছে গিয়েছিলাম বুঝতেই পারিনি। হঠাৎ কানের কাছে গাড়ির হর্ণে আমি বাস্তবতা ফিরে পেলাম। গাড়ির ভেতর থেকে একটা লোক গাড়ির ক্লাস নামিয়ে আমায় পাগল বলে বকা দিচ্ছিল। আর বকা দেবারই কথা। এই বৃষ্টি মুখর দিনে একা একা পাগলের মতো মাঝ রাস্তা দিয়ে হাঁটলে তাকে লোকে পাগলই বলবে।

সেদিনের সেই পাগলামি গুলো মনে পড়লে বড্ড হাসি পায়।
পৃথিবী বদলে গেছে সেই সাথে মানুষের জীবনযাত্রার মানও। এখন আর মাটির কাপে ধোঁয়া উঠা চায়ের আসর জমে উঠে না রাস্তার মোড়ের টংয়ের দোকানে। তোমার মনে আছে অনুরাধা! তোমার সাথে আলাপ হওয়ার পর রোজ বিকেলে ক্লাস শেষে আড্ডা দিতে হাজির হতাম কানাই কাকার চায়ের দোকানে।
এখনও রোজ আড্ডা বসে চায়ের দোকানগুলোতে। তবে সেই মাটির কাপ আর চোখে পড়ে না।
আজ সত্যিই তোমায় কাছে পাওয়ার স্বপ্নে বিভোর আমার হৃদয়। আজ বারে বারে হৃদয়ের মাঝে চিনচিন ব্যথা অনুভব হচ্ছে।
মনে পড়ে যাচ্ছে সেই সব দিনের কথা। ঢাকার বাতাস ক্রমেই করুণ বিনা বাজাতে শুরু করেছে। চারদিকে থমথমে ভাব। গুমোট আকাশ, অন্ধকার রাত, এমন দূর্যোগের রাতে ঢাকায় নিরীহ ঘুমন্ত বাঙালির উপর গুলি চালায় পাকবাহিনী। আমি আমার হল থেকে ছুটে গিয়েছিলাম তোমার হলের সামনে। তোমায় এক নজর দেখে মনে শান্তি পেয়েছিলাম।

পরের দিন ভোর বেলা ২৬ই মার্চ ১৯৭১, কানাই কাকার চায়ের ছোট্ট দোকানটিতে হাজার মানুষের ভীড়।
চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রটি পাঠ করলেন। হাজার হাজার মানুষ এক যোগে বলে উঠল 'জয় বাংলা'।
দেশের অবস্থা দিন দিন খারাপ হতে লাগলো। তোমায় অনেক বুঝিয়ে সুজিয়ে বাড়ি পাঠালাম।
যাবার আগে তুমি বায়না ধরলে মাথায় সিঁদুর দিয়ে হাতে শাখা পলা পরিয়ে দিতে হবে।

মন্দিরে গিয়ে শাখা পলা পরিয়ে তোমার মাথায় সিঁদুর দিলাম। তুমি আমায় শেষ বারের মতো প্রণাম করে নিলে। আমি তোমার কপালে জ্বলজ্বল করা লাল টিপের পাশে আলতো করে চুমু দিলাম। তুমি লজ্জায় আমার বুকের মাঝে লুকিয়ে রইলে কিছুক্ষণ। তারপর মন্দির থেকে সোজা গাবতলি এসে উত্তর বঙ্গের বাসে তোমায় তুলে দিয়ে বিদায় নিলাম।
তোমায় কথা দিয়েছিলাম, মাতৃভূমিকে শত্রুমুক্ত করে তোমায় নিয়ে মায়ের কাছে যাবো।
টানা নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে তোমার গ্রামে ছুটে গিয়েছিলাম। আমি আমার কথা রেখেছিলাম অনুরাধা। তুমি কথা রাখোনি। তুমি তো বলেছিলে আমার জন্য অপেক্ষা করবে। তবে কেন আমায় ফাঁকি দিলে অনুরাধা?
আকাশ ফাটিয়ে গগন কাঁপিয়ে যখন তোমার নাম ধরে চিৎকার করছিলাম তখন একটা ছেলে এসে জানিয়েছিল, লাল পেড়ে সাদা শাড়ি পড়া অনুরাধার লাশ বহুদিন ইছামতীর জলে ভেসেছে। ভয়ে কেউ লাশে হাতও দেয়নি শুধু দূর থেকে দেখে এসেছে।
অনুরাধা তুমি মিশে আছো এই বাংলার জল,মাটি, বাতাসে। আমি আজও শুনতে পাই তোমার লজ্জা রাঙা নিশ্বাসের শব্দ। আমি এই বাংলার জলে আজও দেখি তোমার পা ধোঁয়া আলতা।
অনুরাধা আজ আর লিখতে পারছি না। আসলে বয়স তো আর কম হলো না! মন চায় এখনও অনেক কিছু কিন্তু শরীরটা যে আর নিতে পারে না। তাছাড়া ছেলের বউ সেই কখন ঔষধ দিয়ে গেছে। আবার এসে যদি দেখে আমি এখনও বসে আছি তাহলে খুব বকা দিবে। মেয়েটা অনেকটা তোমার মতো। আমায় বড্ড ভালোবাসে আবার শাসনও করে। তাই আজ আর না। যেখানেই থাকো ভালো থেকো।

ইতি
তোমার অর্ণব

লেখা : অনন্যা অনু

05/11/2019

তারিখ: ০৪/০৭/২০১৯ইং

নীল,

মনটা আজ কেবল'ই তোমার নাম জপ করছে। আর তোমায় এতো বেশি মনে পড়ার কারণ এখন আষাঢ় মাস,মানে বর্ষাকাল। এই আষাঢ় মাসের প্রতি ফোঁটা বৃষ্টির সাথে জড়িয়ে আছে তোমার আমার পাওয়া না পাওয়ার গল্প। তাই তোমাকে দেখার জন্য মনটা বড্ড চঞ্চল হয়ে উঠেছে। ভাবছি ক'দিনের জন্য তোমার কাছে চলে যাবো। কিন্তু যতবার যেতে চেয়েছি ততবার হাজারটা কাজ এসে ঘাড়ে চেপে বসেছে। কিন্তু এবার মনোস্থির করেছি কাজ আমার চুলোই যাক তবুও একবার তোমার কাছে যাব'ই। কারণ তোমায় না দেখে আর আমি আমার দৈনন্দিন কাজ ঠিক মতো করতে পারছি না।

বিয়ের পর মাত্র তিন দিন তোমায় একান্ত ভাবে পেয়েছিলাম।
বারবার স্মৃতির পাতায় সেই দিনগুলো ভেসে উঠছে।
ব্যস্ত শহরের কোলাহল ও চেনা মানুষের ভীড় থেকে অনেক দূরে শুধু তুমি আর আমি আর ছিল বৃষ্টি মুখরিত দিনের গায়ে জড়িয়ে থাকা অফুরন্ত ভালোবাসা। কখনো ভাবতেই পারিনি তোমাকে এতোটা কাছে পাবো! জানো নীল আমি এর আগে কখনো সমুদ্র দেখিনি, দেখিনি চাঁদের আলোয় ঝলমলে সমুদ্রের ঢেউ কীভাবে বৃষ্টির সাথে খেলা করে।
কখনো ফিল করিনি কারো বাহুডোরে থাকতে এতোটা ভালো লাগবে। সেই প্রথম কারো বাহুডোরে। সেদিন আকাশ ছিল মেঘে ঢাকা। মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চমকানো সাথে মেঘের ভূবণ কাঁপানো ডাক। এক ডাকে আমি তোমার বাহু বন্ধনে আবদ্ধ।
তোমার মনে আছে নীল! আমি যখন লঞ্চের ডেকে রোলিং ধরে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজছিলাম তুমি পিছন থেকে আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার খোলা চুলে মুখ লুকিয়ে গুনগুন করে গান গাইছিলে। কখনো ভাবতে পারিনি কারো হৃদয়ের স্পন্দন আমাকে এতোটা কাছে টানবে!
তোমার ভালোবাসায় সেই দিনগুলো আমার কাছে জান্নাত মনে হয়েছিল। নীল তোমার কাছে আমি সত্যি কৃতজ্ঞ তোমার ব্যস্ত জীবনের সব কাজকে ছুটি দিয়ে আমায় এতোটা সময় দেওয়ার জন্য।

নীল আমি সত্যি অনেক খুশি তোমার মতো একজন মহামানবকে স্বামী হিসাবে পেয়ে। কিন্তু ভাগ্যের এমনি পরিহাস যে, তুমি আমার থেকে অনেক দূরে। আমি চাইলেও তোমার কাছে যেতে পারি না। খুব ইচ্ছা করে সব দূরত্বকে পিছনে ফেলে তোমার বুকে নিশ্চিত মনে ঘুমাতে।
তুমি যখন আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলে আমার খুব বেশিই ভালো লাগছিল। মনের মধ্যে এক অন্য রকম ভালোলাগা কাজ করছিল তা তোমায় সামান্য কয়টা শব্দ দিয়ে লিখে বুঝাতে পারবো না। আর আমার সামান্য একটু পেট ব্যথায় তুমি এতোটা ছটফট করেছিলে দেখে আমি সত্যি অবাক হয়েছিলাম। কোন ভাবেই মিলাতে পারছিলাম না এই ছেলেটাই আমার উপর রাগ করে একটা বছর আমার সাথে একটাও কথা না বলে কী করে ছিল! কী করে আমায় এই ছেলেটা একটা বছর মরণ যন্ত্রনা দিয়েছিল?

আমার খুব জানতে ইচ্ছা করে কী ছিল আমার অপরাধ? কেন একটা বছর আমায় তুমি কষ্ট দিয়েছিলে? যেদিন থেকে তুমি আমার সাথে কথা বলা বন্ধ করেছিলে তার আগের রাতেও আমরা কত গল্প করেছিলাম। একবারো তখন মনে হয়নি সকালটা আমার জন্য অভিশাপ নিয়ে আসবে। সেদিন রাতেই আমরা ঠিক করেছিলাম আমরা বর্ষাকালে প্রথম দেখা করবো আর প্রথম দেখায় বিয়ে করবো। কিন্তু তুমি হঠাৎ করেই আমার সাথে সবরকম যোগাযোগ বন্ধ করে দিলে। সোস্যাল মিডিয়ার সব জায়গায় বারবার নক করেছি তোমায়। তুমি আমার উপর এতোটাই বিরক্ত ছিলে যে আমার টেক্সটগুলো একবারও পড়েও দেখতে না। কতোবার যে ভেবেছি তোমায় আর নক করবো না তবুও পারিনি তোমায় নক করা থেকে বিরত থাকতে।

কী করে তোমায় নক না করে থাকবো তুমিই বলো! তুমি আমার জীবনে এমন একটা সময় এসেছিলে যে, আমি তোমায় আকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করেছিলাম। তোমার আগমন আমাকে নতুন করে বাঁচার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। জীবন মৃত্যুর মাঝামাঝি আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম। তুমি আমার হাতটা ধরে বেঁচে থাকার, সকল প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করার সাহস জুগিয়েছিলে। তাই তো তোমার হঠাৎ করে চলে যাওয়াটা আমি কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছিলাম না।

তোমার নামের পাশে যখন সবুজ বাতিটা জ্বলতে দেখতাম তখন আমার ভীষণ কষ্ট হতো। ভাবতাম আমি তোমায় ব্লক করে দিবো। কিন্তু তুমি এমন ভাবে আমাতে আষ্টেপিষ্টে লতার মতো জড়িয়ে ছিলে যে, সে বাঁধন ছিন্ন করে তোমায় ভুলে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না।
নীল তুমি জানোও না কত রাত আমি না ঘুমিয়ে কাটিয়েছি। তুমি কখনো বুঝতেও পারবে না সেই তিনটা বছর আমার কতটা কষ্ট হয়েছে। আমার মাঝে মাঝে এতোটা কষ্ট হতো যে, মনে হতো আমার শিরা উপশিরাগুলো ছিড়ে রক্তকণা চমড়া ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে যাবে। আমি কোন ভাবেই নিজেকে ঠিক রাখতে পারতাম না। আমার কানে বারবার বাজতো তোমার বলা সেই ছোট্ট কথাটা, "ব্লু হার্ট তোমায় বড্ড ভালোবাসি।"
আমি আমার কান চেপে ধরে বসে থাকতাম। কারণ এই কথাটা আমাকে পাগল করে দিচ্ছিলো। আমি অনেক বার ভেবেছি নিজেকে শেষ করে দিবো। শুধু ভাবিনি কয়েকবার চেষ্টাও করেছিলাম কিন্তু সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা ও তোমার ভালোবাসার শক্তি আমায় বারবার বাঁচিয়ে দিয়েছে।
তবে তুমি বিশ্বাস করো আমার এখন একটুও অভিমান বা কষ্ট নেই। তোমার ভালোবাসা আমার সব কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। সেই বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যা বেলা আমি কোনদিন ভুলবো না। এক বছর এক মাস পাঁচদিন পর যেদিন তুমি আমায় কল করেছিলে সেদিনটাও ছিল বর্ষাকাল। আমি সেদিন বেলকনিতে দাঁড়িয়ে রাতের অন্ধকার মাখিয়ে বৃষ্টিতে ভিজেছিলাম। বৃষ্টির পানিতে মিশে গিয়েছিল আমার আনন্দ বেদনাগুলো। আমার যন্ত্রণা যে তুমি সেদিন হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করেছিলে তা বুঝতে আমার বাকি ছিল না। আমার চোখ থেকে ঝড়ে পড়া প্রতি ফোঁটা পানি তোমার মনে জমে থাকা রাগকে ভালোবাসায় পরিণত করেছিল। আর তাই তো তার এক বছর পর বর্ষা মুখরিত সন্ধ্যা বেলায় আমরা যখন প্রথম দেখা করি তখই আমরা বিয়েটা করে সবাইকে লুকিয়ে হানিমুনে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গিয়েছিলাম।
আবার বছর ঘুরে এসেছে বর্ষা। তোমায় কাছে পেতে তাই তো এতো ব্যাকুলতা।
নীল আমায় সারাজীবন এমন করে তোমার বুকে আগলে রেখো। নিজের খেয়াল রেখো আজ আর না।

ইতি,
তোমার ব্লু হার্ট

লেখা অনন্যা অনু

Want your business to be the top-listed Furniture Store in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Rampura
Dhaka
1219