02/10/2023
আলহামদুলিল্লাহ!!!
অাজ অাপনাদের দোয়ায় চট্টগ্রাম নগরীর স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়,পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়ে (SGPA 3.97 out of 4 ; without any sort of improvement exam) আইনে স্নাতক সম্পূর্ণ করলাম।অামার পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।দোয়া করবেন যেন ভবিষ্যতে সাধারন মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত করতে পারি। ❤️❤️🥰
15/09/2020
সফলতা বনাম সমাজ!!
সফলতাঃ আমি SSC তে GPA 5.00 পেয়েছি।
সমাজঃ ভালো, তবে এ আর এমন কিছুনা। আমার অমুক ভাইয়ের ছেলে, আমার অমুকের মেয়েও তো পাইছে। ভালো একটা কলেজে চান্স নাও আগে।
সফলতাঃ আমি নটরডেম কলেজে চান্স পেয়েছি।
সমাজঃ কতজনকেই তো দেখলাম ঢাকায় গিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এইচএসসিতে ডাব্বা খাবা।
সফলতাঃ আমি HSC তে GPA 5.00 পেয়েছি।
সমাজঃ তাতে এমন কি ? আসল খেলা মেডিকেল, বুয়েট, ঢাবি তে চান্স পাওয়া। কত দেখলাম GPA 5.00 পাওয়া ছাত্র কোথাও চান্স পায়না।
সফলতাঃ আমি ঢাবিতে চান্স পেয়েছি, অমুকবিজ্ঞানে।
সমাজঃ মেডিকেলে, বুয়েটে তো আর পাইলা না। আমার অমুকের ছেলে অমুক মেডিকেলে পড়ে, তমুকের মেয়ে বুয়েটে পড়ে। অমুকবিজ্ঞান আবার এমন কি সাবজেক্ট? কত ছেলে চান্স পেয়ে পাশ করতে পারেনা। আগে পাস কর তারপর কথা বল।
সফলতাঃ আমি অনার্সে ফার্স্ট ক্লাস পেয়ে পাশ করেছি।
সমাজঃ CGPA কত ? ফার্স্ট তো আর হওনি। আমার
অমুকের ছেলে অমুক কলেজ থেকে পড়ে CGPA 3.80
পেয়েছে, আর ঢাবি থেকে পড়ে তোমার এই অবস্থা!
পাশ করে কি করেছ, চাকরি তো আর পাওনি। কত দেখলাম ঢাবি থেকে পড়ে বেকার ঘুরছে।
সফলতাঃ আমি চাকরি পেয়েছি।
সমাজঃ BCS ক্যাডার তো আর হওনি। যে বেতনের চাকরি, তার থেকে গার্মেন্ট্সে কাজ করা ভালো ।
সফলতাঃ আমি BCS ক্যাডার হয়েছি।
সমাজঃ তাতে কি হয়েছে ? পুলিশ/প্রশাসন তো আর পাও নাই, তোমারটা কোন ক্যাডার হইলো! কোন পাওয়ার নাই।
সফলতাঃ আমি প্রশাসন ক্যাডার পেয়েছি।
সমাজঃ পলিটিক্যাল লিডারের কাছে তো তুমি কিছুই না,
তো লাভ নাই! লবিং করো, লিডার হও।
অবশেষে একদিন আমি মারা গেলেও সমাজ
বলবেঃ "মরেছে তো কি হয়েছে ? প্রতিদিনই তো কতো মানুষ মারা যাচ্ছে....!"
হুম, এটাই আমাদের সমাজ। প্রতিযোগীতামূলক সমাজ। তাই সমাজের মানুষের কথায় কান না দিয়ে নিজেকে সফলতার শীর্ষে তুলুন, নিজের আত্মতৃপ্তিতে নিজে চলুন।
Credit:Robiul alam luipa
11/09/2020
পোশাক শিল্পের ইতিহাস!!!
আদিকাল থেকে মানুষ কোন না কোন বস্ত্র ব্যবহার করে আসলেও আসলে সেলাই মেশিনের সাহায্যে তৈরি বস্ত্র ব্যবহার শুরু হয় সর্বপ্রথম ১৭৫৫ সালে। সেখান থেকে বাংলাদেশে এর ব্যবহার শুরু হয় অনেক পরেই বলা যাই। বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬০ সালে। আর রিয়াজ গার্মেন্টস ছিল তার পথ-প্রদর্শক। ১৯৬০ সালে ঢাকার উর্দুরোডে রিয়াজ স্টোর নামে একটি ছোট দর্জির কারখানা কাজ শুরু করে। তখন থেকেই রিয়াজ গার্মেন্টস স্থানীয় বাজারে কাপড় সরবরাহ করতো। ১৯৭৩ সালে কারখানাটি নাম পরিবর্তন করে মেসার্স রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড নামে আত্মপ্রকাশ করে। রিয়াজ গার্মেন্টস ১৯৭৭ সালে ফ্রান্সের প্যারিসভিত্তিক একটি ফার্মের সাথে ১৩ মিলিয়ন ফ্রাংক মূল্যের ১০ হাজার পিস ছেলেদের শার্ট রপ্তানি করে। আর এটাই ছিল প্রথম বাংলাদেশ থেকে সরাসরি পোশাক রপ্তানি। এরপর ২৭ ডিসেম্বর ১৯৭৭ বাংলাদেশের প্রথম সংস্থাপন (বর্তমান জনপ্রশাসন) সচিব মোহাম্মদ নূরুল কাদের খান দেশ গার্মেন্টস লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন । ১৯৭৯ সালে দেশ গার্মেন্টস লিমিটেড দক্ষিণ কোরিয়ার দায়েগু কর্পোরেশনের সহায়তায় প্রথম যৌথ উদ্যোগে নন-ইকুইটি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করে। ফলে দেশ গার্মেন্টস ও দক্ষিণ কোরিয়ার দায়েয়ু কর্পোরেশনের মধ্যে প্রযুক্তিগত এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতার সম্পর্ক স্থাপিত হয়। মেশিনে কাজ করার মতো উপযোগী করে তোলার জন্য প্রথমে শ্রমিকদের এবং পরে পরিদর্শকদের দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরাই ১৯৮০ সালে উৎপাদন শুরু করে। দেশ গার্মেন্টস লিমিটেড ছিল প্রথম শতভাগ রপ্তানিমুখী কোম্পানি। ১৯৮০ সালে ইয়াঙ্গুন নামে অপর একটি কোরিয়ান কর্পোরেশন বাংলাদেশি ট্রেকসীম লিমিটেড নামে অপর একটি কোম্পানির সঙ্গে প্রথম যৌথ উদ্যোগে তৈরি পোশাক কারখানা গড়ে তোলে। বাংলাদেশি অংশীদাররা নতুন প্রতিষ্ঠান ইয়াঙ্গুনস বাংলাদেশ-এ শতকরা ৫১ ভাগ ইকুইটির মালিক হয়। ট্রেকসীম লিমিটেড ১৯৮০ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ থেকে প্যাডেড এবং নন-প্যাডেড জ্যাকেট সুইডেনে রপ্তানি করে। উভয় ক্ষেত্রেই বাজারজাতকরণের দায় বিদেশি অংশীদাররাই নিয়েছিল। গার্মেন্টস প্রস্তুতকারক ও গার্মেন্টস রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে প্রকৃতপক্ষে ১৯৮১-৮২ সালে ০.১ বিলিয়ন টাকার রেডিমেইড গার্মেন্টস রপ্তানি করে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের পদচারণা আরম্ভ হয়। উক্ত সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গার্মেন্টস শিল্পের তেমন কোন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল না। অথচ মাত্র ১০ বৎসরের ব্যবধানে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ১৯৯২-৯৩ সালে ১৪৪৫ মিলিয়ন ইউ.এস ডলারে উন্নীত হয়। এরপর থেকে বাংলাদেশকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নি। দিনকে দিন পোশাক রপ্তানির পরিমাণ বেড়েই চলেছে। যেখানে ২০১১-১২ অর্থবছরে সর্বমোট পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১৯,০৮৯.৭৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সেখানে তা ২০১২-১৩ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১,৫১৫.৭৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০১৩-১৪ অর্থবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত এর পরিমাণ ৯,৬৫৩.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। রপ্তানি আয় বাড়ার সাথে সাথে বাংলাদেশে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির সংখ্যাও দিনকে দিন বাড়ছে । বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০০ এর উপর গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি রয়েছে। যেগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণে পোশাক উৎপন্ন করা হচ্ছে। ৯০ দশকের পর নারীদের অন্তর্ভুক্তি এই শিল্পকে আরো গতিশীল করে তোলে।
পোশাক শিল্পের ইতিহাসসম্পাদনা
আদিকাল থেকে মানুষ কোন না কোন বস্ত্র ব্যবহার করে আসলেও আসলে সেলাই মেশিনের সাহায্যে তৈরি বস্ত্র ব্যবহার শুরু হয় সর্বপ্রথম ১৭৫৫ সালে। সেখান থেকে বাংলাদেশে এর ব্যবহার শুরু হয় অনেক পরেই বলা যাই। বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬০ সালে। আর রিয়াজ গার্মেন্টস ছিল তার পথ-প্রদর্শক। ১৯৬০ সালে ঢাকার উর্দুরোডে রিয়াজ স্টোর নামে একটি ছোট দর্জির কারখানা কাজ শুরু করে। তখন থেকেই রিয়াজ গার্মেন্টস স্থানীয় বাজারে কাপড় সরবরাহ করতো। ১৯৭৩ সালে কারখানাটি নাম পরিবর্তন করে মেসার্স রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড নামে আত্মপ্রকাশ করে। রিয়াজ গার্মেন্টস ১৯৭৭ সালে ফ্রান্সের প্যারিসভিত্তিক একটি ফার্মের সাথে ১৩ মিলিয়ন ফ্রাংক মূল্যের ১০ হাজার পিস ছেলেদের শার্ট রপ্তানি করে। আর এটাই ছিল প্রথম বাংলাদেশ থেকে সরাসরি পোশাক রপ্তানি। এরপর ২৭ ডিসেম্বর ১৯৭৭ বাংলাদেশের প্রথম সংস্থাপন (বর্তমান জনপ্রশাসন) সচিব মোহাম্মদ নূরুল কাদের খান দেশ গার্মেন্টস লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন । ১৯৭৯ সালে দেশ গার্মেন্টস লিমিটেড দক্ষিণ কোরিয়ার দায়েগু কর্পোরেশনের সহায়তায় প্রথম যৌথ উদ্যোগে নন-ইকুইটি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করে। ফলে দেশ গার্মেন্টস ও দক্ষিণ কোরিয়ার দায়েয়ু কর্পোরেশনের মধ্যে প্রযুক্তিগত এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতার সম্পর্ক স্থাপিত হয়। মেশিনে কাজ করার মতো উপযোগী করে তোলার জন্য প্রথমে শ্রমিকদের এবং পরে পরিদর্শকদের দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরাই ১৯৮০ সালে উৎপাদন শুরু করে। দেশ গার্মেন্টস লিমিটেড ছিল প্রথম শতভাগ রপ্তানিমুখী কোম্পানি। ১৯৮০ সালে ইয়াঙ্গুন নামে অপর একটি কোরিয়ান কর্পোরেশন বাংলাদেশি ট্রেকসীম লিমিটেড নামে অপর একটি কোম্পানির সঙ্গে প্রথম যৌথ উদ্যোগে তৈরি পোশাক কারখানা গড়ে তোলে। বাংলাদেশি অংশীদাররা নতুন প্রতিষ্ঠান ইয়াঙ্গুনস বাংলাদেশ-এ শতকরা ৫১ ভাগ ইকুইটির মালিক হয়। ট্রেকসীম লিমিটেড ১৯৮০ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ থেকে প্যাডেড এবং নন-প্যাডেড জ্যাকেট সুইডেনে রপ্তানি করে। উভয় ক্ষেত্রেই বাজারজাতকরণের দায় বিদেশি অংশীদাররাই নিয়েছিল। গার্মেন্টস প্রস্তুতকারক ও গার্মেন্টস রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে প্রকৃতপক্ষে ১৯৮১-৮২ সালে ০.১ বিলিয়ন টাকার রেডিমেইড গার্মেন্টস রপ্তানি করে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের পদচারণা আরম্ভ হয়। উক্ত সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গার্মেন্টস শিল্পের তেমন কোন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল না। অথচ মাত্র ১০ বৎসরের ব্যবধানে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ১৯৯২-৯৩ সালে ১৪৪৫ মিলিয়ন ইউ.এস ডলারে উন্নীত হয়। এরপর থেকে বাংলাদেশকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নি। দিনকে দিন পোশাক রপ্তানির পরিমাণ বেড়েই চলেছে। যেখানে ২০১১-১২ অর্থবছরে সর্বমোট পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১৯,০৮৯.৭৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সেখানে তা ২০১২-১৩ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১,৫১৫.৭৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০১৩-১৪ অর্থবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত এর পরিমাণ ৯,৬৫৩.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। রপ্তানি আয় বাড়ার সাথে সাথে বাংলাদেশে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির সংখ্যাও দিনকে দিন বাড়ছে । বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০০ এর উপর গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি রয়েছে। যেগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণে পোশাক উৎপন্ন করা হচ্ছে। ৯০ দশকের পর নারীদের অন্তর্ভুক্তি এই শিল্পকে আরো গতিশীল করে তোলে।
Source:Wikipedia
22/08/2020
The one minite manager বইটিতে দেখানো হয়েছে কিভাবে একজন অাদর্শ ম্যানেজার তার দক্ষ ম্যানেজমেন্টের দ্বারা সর্বোচ্চ ফলাফল বের করতে পারেন। অামরা প্রতিনিয়ত পরিবার,সমাজ,শিক্ষাজীবনে এবং পেশাদার জীবনে অামাদের অধীনস্হ বা সহকারী বা বন্ধু-বান্ধবের সাথে ডিল করি ;তাদের থেকে কাজ অাদায় করার চেষ্টা করি।যারা সফলভাবে কাজ অাদায় করতে পারে তারা কেন পারে বা যারা কাজ অাদায় করতে পারে না তারা কেন পারে না!The one minkite manager বইটিতে Kyne Blanchard তিনটি গোল্ডেন রুল দেখিয়েছেন-১.এক মিনিটের লক্ষ্যমাত্রা; ২.এক মিনিটের প্রশংসা; ৩.এক মিনিটের পুনঃনির্দেশনা।এই গোল্ডেন রুলস গুলো প্রয়োগ করে অাপনি অন্যদের থেকে ইফেক্টিভলি কাজ অাদায় করে নিতে পারবেন।কাজ অাদায় করার যাদুমন্ত্র বিস্তারিত জানতে হলে অবশ্যই বইটি পড়তে হবে,কাজেই এখনি পড়ে ফেলুন!
সারসংক্ষেপঃ
মোঃনূর নবী
অাইন বিভাগ(২০ব্যাচ), পিসিঅাইইউ
27/02/2020
'স্টুডেন্ট হ্যাকস' বইটি অায়মান সাদিক ও সাদমান সাদিক এর যৌথভাবে লিখিত শিক্ষা বিষয়ক বেস্টসেলার বই।বইটিতে একজন অাদর্শ ছাত্র হিসেবে নিজেকে তৈরি করার হ্যাকস গুলো তুলে ধরা হয়েছে। যেমন কিভাবে পরিক্ষার অাগে, পরিক্ষার সময় এবং পরে নিজেকে ভালো ছাত্র হিসেবে প্রস্তুত করা যায়!কিভাবে ইফেক্টিভলি বেশি বেশি বই এবং সফট স্কিল গুলো অায়ত্ত করা যায়!সর্বোপরি লেখকদের গৌরবপূর্ণ ছাত্র জীবনের হ্যাকস গুলো যেগুলো তাদের ভালো ছাত্র হিসেবে অাত্মপ্রকাশ করতে সহায়তা করেছিলো সেগুলো এই বইতে ছাত্রদের সাথে ভাগ করা হয়েছে!
সারসংক্ষেপঃ
মোঃনূর নবী
অাইন বিভাগ(২০ব্যাচ), পিসিঅাইইউ
25/02/2020
জংকার মাহবুব এর লেখা 'প্যারাময় লাইফের প্যারাসিটামল'(বেস্টসেলার) বইটি হচ্ছে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা এবং পরিপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বই।যেখানে ছাত্র জীবনের বিভিন্ন সমস্যা গুলো এবং সমাধান এক নান্দনিক ভাষায় লেখক উপস্থাপন করেছেন।তিনি দেখিয়েছেন কিভবে ছাত্র জীবন অারো বেশি ইফিশিয়েন্ট করা যায় জীবনকে অারো বেশি প্রোডাক্টিভ করা যায়।এই বইটির অারেক দেখার মত বিষয় হচ্ছে এখানে কিছু চ্যাকার বা মিটার দেওয়া হয়েছে যেখানে অাপনি অাপনার বর্তমান অবস্হান(অাদৌ কি প্রোডাক্টিভ না ক্যারিয়ার ক্ষেতে যাচ্ছে!) পরিমাপ করতে পারবেন।বইটিি পড়ার পর অামার পুরো ছাত্রজীবনের দর্শন ই পাল্টে গেছে।কাজেই,অামি মনে করি প্রত্যেক শিক্ষর্থীর এই বইটি একবার হলেও পড়া উচিত।
সারসংক্ষেপঃ
মোঃনূর নবী
অাইন বিভাগ(২০ব্যাচ), পিসিঅাইইউ
24/02/2020
Rich dad and poor dad বা ধনবান বাবা এবং নির্ধন বাবা রবার্ট তুর কিয়োসাকির লেখা অর্থনৈতিক জ্ঞান বিষয়ক একটি অান্তজার্তিক বেস্টসেলার বই।
এই বইতে মোটাদাগে দেখানো হয়েছে ধনী গরীবের চিন্তা চেতনার কারণেই ধনীরা ধনী এবং গরীবরা গরীব হয়!এখানে দেখতে পাই লেখকের দুটো বাবা ছিলো একটি হচ্ছে অল্প শিক্ষিত কিন্তু প্রচুর অর্থনীতি জ্ঞান সম্পূর্ণ ধনীবাবা এবং অন্যটি পিএইচডি ডিগ্রিধারী নির্ধন বাবা। ব্যাবহারিক অর্থনীতি বিষয়ে এনাদের চিন্তা চেতনা ছিলো একদম একে অপরের বীপরীত।
ধনবান বাবা অর্থের জন্য কাজ করে না বরং অর্থ প্রতিনিয়ত চক্রবৃদ্ধি অাকারে তার জন্য কাজ করে এবং সম্পদ তৈরি করে অপর দিকে নির্ধন বাবা অর্থের জন্য কাজ করে কোনো রকম জীবন অতিবাহিত করে, অার তাকে ধনবান বাবা রেট রেইস হিসেবে অাখ্যায়িত করে।
ধনবান বাবার কাছে সম্পদ এবং দায় সুস্পষ্ট।তারমতে অামাদের বাড়ি গাড়ি কখনো সম্পদ হতে পারে না কেননা একে তো অামরা এগুলো ক্রয় করে অর্থ খইয়েছি তারপর এগুলোর পিছনে অারো অর্থ(বাড়ির বিদ্যুৎ,গ্যাস,সিকিউরিটি,গাড়ির গ্যারেজ বিল,পেট্রোল,ড্রাইভার ভাড়া) প্রতিনিয়ত ব্যায় করতে হয় কিন্তু নগদ এক টাকা ও লাভ অাসে না।এগুলো দায়ে পরিণত হয়। কিন্তু এই বাড়ি গাড়ি সম্পদে ও পরিণত হতে পারতো যদি ভাড়া দেওয়া হতো নিজের বিলাসিতার কথা ভুলে গিয়ে, তাহলে এই সম্পদ থেকে অারো সম্পদ হতো।
ধনী বাবার মতে অামাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যাবস্হা সেকেলের ই রয়ে গেছে এখানে প্রকৃত এবং ব্যাবহারিক অর্থনীতি জ্ঞান সম্পর্কে কিছুই পড়ানো হয় না। এখানে পড়ানে হয় তাত্ত্বিক জ্ঞান যা কখনো ধন বৃদ্ধি করতে পারে না। এখানে পুঁজিপতিদের জন্য অাদর্শ কর্মচারী তৈরি হয় উদ্যোক্তা নয়! তাই অামাদের অর্থনীতি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে, শুধু নিজে অর্জন করলেই হবে না তা সন্তানসন্ততিদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।
ধনীরা বৈধ উপায়ে গরীবের চেয়ে কম পরিমাণে কর দেয়।অাপনাকে ট্যাক্স এবং করপোরেশন সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখতে হবে। তাহলে অাপনি খুব কম পরিমাণে কর দিতে পারবেন। অন্য দিকে গরীব মানে নিম্নবৃত্ত- মধ্যবৃত্ত তাদের অায়ের পরোটাই কর হিসেবে সরকারকে দিয়ে দেয় যা তারা টের ই পায় না। এই জন্য ট্যাক্স করপোরেশন সম্পর্কে জানতে হবে।
সব সময় শেখার জন্য কাজ করুন, অাপনার প্রচুর থাকলে ও সেটার মধ্যে অাবদ্ধ না থেকে নিত্য নতুন সম্পর্কে জানুন, জ্ঞান অর্জন করুন।অর্থ থাকা সত্ত্বেও ও অর্থের জন্য কাজ না করে শেখার জন্য কাজ করুন এতে অাপনার অায় ভবিষ্যতে অারো বেড়ে যাবে।
অাপনাকে খুব অল্প বয়স থেকেই শুরু করতে হবে যেন দেউলিয়া হলেও অন্ততপক্ষে ৩০ বছরের অাগে দেউলিয়া হয়ে যান।তবে দেউলিয়া হবেন তখনই যখন অাপনি বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন না করে কাজে নেমে যাবেন। এই জন্য অাপনাকে প্রচুর পরিমাণে বই,ম্যাগাজিন,ওয়ার্কশপ, সেমিনার, পেইড কোর্স এ অংশগ্রহণ করতে হবে!
লেখক তার ধনী বাাবার শিক্ষা গ্রহণ করে শুধু এই বই লিখে ক্ষান্ত হননি তিনি অাজ মাল্টি বিলিওনিয়ার তার ব্যাবসা অাজ পুরো অান্তজার্তিক মন্ডলব্যাপি!
সারসংক্ষেপঃ
মোঃনূর নবী
অাইন বিভাগ(২০ব্যাচ), পিসিঅাইইউ
23/02/2020
জংকার মাহবুব এর লেখা 'রিচার্জ ইউর ডাউন ব্যাটারী' বইটি হচ্ছে তরুণদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনামূলক বই। যেখানে অামরা দেখতে পাই ভার্সিটির এক বড় ভাই(মাসুম) ছোট ভাই(অাবির) কে সব সময় অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনা দেয়,হয়ত কখনো হটাৎ চলার পথে,চায়ের অাড্ডায়,মেসের অাড্ডায়,বনভোজনে বা ক্যাম্পাস করিডরে।
কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে অামরা নানা রকম হতাশায় ভূগি এবং অামাদের অাসল লক্ষ্য থেকে দূরে সরে যাই অার তখনই এই বড় ভাই নানা রকম গাইডলাইন দিয়ে ক্যারিয়ারের প্রতি মটিভেটেড করে।তিনি দেখান কিভাবে পরিশ্রম করে ট্যালেন্টের তকমা পাওয়া যায় বা তা ধরে রাখা যায়, তিনি দেখান কিভাবে নিজেকে সব সময় কাজের(লেখাপড়া,দক্ষতা,স্টার্টআপ) প্রতি ফোকাস রাখতে হয়, তিনি দেখান কিভাবে নিজের অাশ-পাশের সোসাইটিকে নিজের ক্যারিয়ারের জন্য অনুকূল ভাবে গড়ে তুলতে হয়, কিভাবে নিত্য নতুন দক্ষতা অর্জন করা যায়,সর্বপরি কিভাবে নিজেকে একজন সফল এবং দক্ষতাপূর্ণ ব্যাক্তি হিসেবে অাত্মপ্রকাশ করা যায়।
অামি মনে করি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রত্যেক তরুণকে এই বইটি পড়া উচিত কেননা এতে অামাদের তরুণদেরই ক্যারিায়ার বিষয়িক বাস্তব সমস্যা গুলোর সমাধান অাছে।
সারসংক্ষেপঃ
মোঃনূর নবী
অাইন বিভাগ(২০ব্যাচ), পিসিঅাইইউ
24/01/2020
হূমায়ন অাজাদ এর "পাক সার জমিন সাদ বাদ" উপন্যাসে তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে ধর্মও জিহাদের অপব্যাখা দিয়ে বিশেষ সময়ে বিশেষ দল বা সরকারের সহায়তায় মৌলবাদী জঙ্গিরা বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের উপর খুন,ধর্ষণ,লুটপাট,অগ্নিসংযোগ ঘটিয়ে দেশে ত্রাস ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম এবং পাকিস্তানের মত একটি ব্যার্থ জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত হয় তার চিত্র সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন!এখানে লেখক জঙ্গিদের দৈনন্দিন বেহায়পনা কাজ গুলো সরাসরি লিখেছেন তাই অামি যেসকল পাঠকরা প্রাপ্তবয়স্ক নয় তাদের এই উপন্যাসটি পড়তে অনুউৎসাহিত করবো!
মোঃনূর নবী
অাইন বিভাগ(২০ব্যাচ), পিসিঅাইইউ
05/10/2019
Assignments are given to students to bridge the gap between student’s learning at school and at home. Assignments are assumed to produce the desired documents which can be put to use for future study. The statement or the question they attempt has to be understood completely in detail to complete the assignment successfully.
We must understand that assignments are a significant part of the academic process and there are reasons why schools assign assignments to students. One of the main reason has been stated above- to break the walls and bridge the gap between learning at home and at school. Another reason for them being assigned to students is that students apart from learning something academically they will also learn to plan out their work and learn to organize it neatly.
When it comes to discussing the advantages of assignments, we have attempted to elaborate on 7 main advantages. Read on!
The following are technical advantages of assignment writing:
1. Provides Awareness and Knowledge about Technical Topic
Teachers assign students with various topics so that they can grasp the technical knowledge about several things that they can not understand in theory.
It also helps in broadening the horizons of their cognitive skills. Students are exposed to informative insights and meaningful concepts in a great way through assignments. This is also a great way to develop a perspective towards the topic.
2. Writing Skills Are Improved
Assignments that require you to write an essay or a paragraph regarding the topic help you to improve your writing abilities. this is because after developing different assignments students’ skill to pen down and present their thoughts in a legible manner is sharpened.
They will eventually be able to communicate and elucidate better when they develop a writing habit.
3. Analytical Abilities or Cognitive Abilities Are Also Enhanced
Belittling the value of assignments won’t get us anywhere, as students are able to enhance and increase their imaginative and mental skills. Their rationality is also improved at the same time.
Assignments provide students the space to experiment and try out ideas and other innovative methods to deliver their subject in a unique way.
4. Research Traits Are Also Enhanced
By means of assignments, students get the opportunity to do research on their topic and by doing so they explore different assumptions and examples about their topic.
Doing research is important and considered an engaging activity for the human brain to expand its knowledge base. Research that goes into making an assignment benefits students in critical thinking, analytical ability and engages students in the university community and provides benefits and advantages at professional levels.
Students gain a lot of experience out of research like:
Time Management
It’s one of the most sought-after skills that everybody must learn because time management and other activities go hand in hand.
If you are lack of abilities to manage your time, it will get difficult for you to synchronize your work. If you fail in time management, you will not accomplish what you want to and you might even make poor decisions regarding your work schedule.
Planning and Organizing Skill
You learn to place and prioritize your work and focus on the least in the end. Organizing your work will lead to the completion of work with peace of mind rather than going through the hassle and chaos due to which you shall lose your focus and miss out a lot of important areas to cover in your assignment while doing your research.
5. Application of Real Life Examples Improves Learning
This facet must be taken into account as assignments provide a juncture to students so that they can apply and correlate different authentic life examples with there topic. This way it helps students to imbibe knowledge and acquire new levels of learning whenever they are engaged in writing a new assignment.
6. Scope of Improvement
Every writer is sensitive of their work but let’s not forget that little feedback and criticism received from teachers would do no harm instead it would provide insight and room for improvement that would help you in writing and give better results next time when working on an assignment. Only, when you make mistakes you’ll learn and through practice, you shall learn to write assignments and develop your writing style.
7. Helps You during Exams
While researching regarding your topic and later when you practice writing, you are indirectly getting prepared for your exams.
In your exams, you might be asked a general question and you will or might be able to answer that because while researching you’ll go through other articles to get something valuable for your assignment and in a way, you tend to remember them.
So during exams, you might be able to answer those questions and since having a practice of writing and feedback from teachers that were helping you might write your answer in a much better way.
04/07/2019
গুগল ট্রাফিক কি? গুগল ট্রাফিক কিভাবে সকল রাস্তার ট্রাফিক তথ্য যোগাড় করে?
----------------------------------
গুগল ট্রাফিক গুগল ম্যাপ এর অনেক জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি ফিচার। গুগল ম্যাপে গুগল নীল,হলুদ এবং লাল রং দিয়ে রাস্তা মার্ক করার মাধ্যমে রাস্তার ট্রাফিক কন্ডিশন সম্পর্কে আপনাকে জানিয়ে দেয়। আপনি যদি এখনও না জানেন আপনার গুগল ম্যাপে ট্রাফিক কিভাবে দেখবেন, সেহেতু গুগল ম্যাপ অ্যাপে প্রবেশ করুন এবং ডান পাশে নিচের দিকে Go বাটনটিতে চাপ দিয়ে আপনার গন্তব্য এর লোকেশন সেট করুন, এতে করে সেই রুটে রাস্তার ট্রাফিক কন্ডিশন সম্পর্কে আপনি জানতে পারবেন। আবার বামপাশে ওপরের মেনু থেকে Start Driving অপশন ব্যবহার করেও আপনি আপনার আসেপাশের রাস্তার ট্রাফিক কন্ডিশন দেখতে পারবেন। একইভাবে কম্পিউটার ও মোবাইল ডিভাইসে গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে ট্রাফিক কন্ডিশন সম্পর্কে জানা যাবে। প্রথম প্রথম ঢাকা শহরের ট্রাফিক কন্ডিশন দেখানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ২০১৭ সালের ১০ নভেম্বর থেকে গুগল ট্রাফিক ফিচারটি চালু হয়। তারপর থেকে কেবল ঢাকা নয়, অন্যান্য জেলার গুরুত্বপূর্ন মহাসড়ক এর ট্রাফিক কন্ডিশনও গুগল ম্যাপে দেখা যাচ্ছে।
গুগল ট্রাফিক শুরু হয় যেভাবে
-------------------------
সর্বপ্রথম ২০০৭ সালের দিকে গুগল ট্রাফিক চালু হয় । তার আগে গুগল ট্রাফিক তথ্য সংগ্রহ করার জন্য ট্রাফিক সেন্সর এর ওপর নির্ভরশীল ছিল। সেসময় সরকারি ও বেসরকারিভাবে নানা গুরুত্বপূর্ণ শহরের রাস্তায় ইনফ্রারেড বা লেজার পয়েন্টিং সেন্সর ব্যবহার করা হত। যে সেন্সরটি গাড়ির আকৃতি এবং গতি নির্নয় করতে পারত। সেন্সরটি তার প্রাপ্ত তথ্য ডিজিট্যালি কনভার্ট করে বের করতে পারত রাস্তায় আসলে জ্যাম আছে কিনা। পরে একত্রিত তথ্য একটি মেইন সার্ভারে জমা হত।
তবে এই সিস্টেমে ট্রাফিক তথ্য সংগ্রহ করা গুগলের জন্য তেমন ফলপ্রস্যু হয়নি। গুগল তখন ইতিমধ্যে জিপড্যাস নামক একটি ট্রাফিক অ্যানালাইসিস কোম্পানি কিনে রেখেছিল। এবার গুগল জিপড্যাস এর প্রযুক্তি ব্যবহার করতে শুরু করে। আর এই প্রযুক্তিটিই ছিল জিপিএস ব্যবহার করে ট্রাফিক তথ্য সংগ্রহকরন। গুগল মোবাইল ফোন এর জিপিএস থেকে প্রাপ্ত ফলাফলকে অ্যানালাইজ করে ট্রাফিক রেজাল্ট তৈরি করতে শুরু করে।
গুগল ট্রাফিক যেভাবে তথ্য সংগ্রহ করে
------------------------------------
গুগল ম্যাপ রাস্তার দুরত্ব মাপার সময় অনেকসময় মোবাইল বা সেলুলার টাওয়ার এর ওপর নির্ভরশীল। ট্রাইল্যাটেরেশন নামক বিশেষ এক জ্যামিতিক প্রক্রিয়ায় দু থেকে তিনটি সেলফোন টাওয়ার এর মাঝের অবস্হান এগুলোর দুরত্ব ইত্যাদি মাপা যায়। এরকম একটি সিস্টেমে গুগল রাস্তার দুরত্বও বের করে থাকে।
গুগল ট্রাফিক এর ট্রাফিক সম্পর্কিত সকল তথ্য আহরন করার প্রধান মাধ্যম হল সারাবিশ্বে ছড়িয়ে থাকা শতকোটি সক্রিয় মোবাইলফোন। প্রতিটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে গোপনে গুগলের কাছে তথ্য চলে আসে। গুগল ট্রাফিক মূলত এতসব মোবাইল ফোনের তথ্যের ক্রাউড সোর্সিং রিপোর্টকে অ্যানালাইস করে ট্রাফিক রেজাল্ট তৈরি করে । গুগল এখানে জিপিএস ব্যবহার করে আপনার রিয়েল-টাইম অবস্হান এবং গতি নির্নয় করে। এভাবে আপনার মত আরও অনেক মোবাইল এর জিপিএস থেকে প্রাপ্ত তথ্যগুলোকে একত্র করে গুগল সেই এলাকার ট্রাফিক এর খুবই ভালো একটি আইডিয়া পেয়ে যায়।
যখন কোনো রাস্তায় একাধিক জিপিএস ডিভাইস থেমে থেমে যাবে , তখন গুগল সেই রাস্তাতে হাল্কা জ্যাম আছে বলে মনে করে নেবে । আবার একইভাবে যখন কোনো রাস্তায় একাধিক জিপিএস ডিভাইস একদম থেমে থাকবে , গুগল সেই রাস্তাকে লাল রঙ এ মার্ক করবে মানে পুরোপুরিভাবে জ্যাম ।
গুগল ট্রাফিক কি গোপনীয়তা ভঙ্গ করছে
-----------------------------------
গুগল যখন আপনার মোবাইল থেকে ট্রাফিক তথ্য সংগ্রহ করছে, তখন এটি আপনার ট্রিপ তথা যাত্রার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপনার গতি, অবস্হান ইত্যাদির অপর নজর রাখছে। সুতরাং আপনি কোথায় থেকে যাত্রা শুরু করে কোথায় গেলেন গুগল সব ট্র্যাক করেছে। তবে এখানে ভয়ের কিছু নেই, কেননা গুগল এখানে আপনার এই এক্টিভিটি ট্র্যাক করছে অ্যানোনিমাস ভাবে, গুগল এখানে কেবল একটি জিপিএস ইনেবলড ডিভাইস এর রাস্তায় মুভমেন্ট বা গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে সে স্হানের ট্রাফিক অবস্হাকে জানার জন্য। সেহেতু যখন সেই জিপিএস ইনেবলড ডিভাইস ডিসকানেক্ট হয়ে যায়, সাথে সাথে সেই ডাটা সবসময়ের জন্য ডিলিট হয়ে যায়। সুতরাং গুগল আপনাকে ট্র্যাক করলেও আপনার ক্ষতির কিছু নেই , কেননা ট্র্যাকিং এর সময় এখানে কোনো ইউজার ডাটা সংগ্রহ হচ্ছে না ।
ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন । আর আপনার গুরুত্বপূর্ণ অভিমত নিচে কমেন্ট সেকশনে জানাতে পারেন ।
02/07/2019
অামি ডামন সিউর যে বাংলাদেশ সেমি খেলতে পারবে না। দিন দিন সমীকরণ অারো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।