Smart Technology

Smart Technology

Share

Get any Smartphone you like.. You just have to order...1st hand or 2nd hand sets.. And get them for a reasonable price..

12/02/2018

Hi guys, you can get any kind of Mobile phone by ordering in this page.It's a very easy way to get your desirable handset for a reasonable price ...
Order now.

16/05/2015
Photos 18/02/2015

Walton Primo RM

looking like HTC

It's a great one from Walton. Have many new thinghs, just like ,
.

17/12/2014

মঙ্গল গ্রহের মাটিতে প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ পেয়েছে কিউরিওসিটি রোভার। মঙ্গলের মাটি থেকে রহস্যময় মিথেন নির্গত হওয়ার প্রমাণ পেয়েছে নাসার পাঠানো রোভারটি। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এলিয়েন বা ভীনগ্রহের কোনো জীবাণু থেকেই তৈরি হচ্ছে এই মিথেন। এক খবরে জানিয়েছে ইনডিপেনডেন্ট।
গবেষকেরা বলছেন, সাধারণত ভূতত্ত্ব কিংবা অন্য কোনো তত্ত্ব দিয়ে রহস্যময় এই মিথেনের ব্যাখ্যা দেওয়া যাবে না।
২০১২ সালে মঙ্গলে অবতরণের পর থেকে মঙ্গলের মাটিতে অণুজীব খোঁজার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে রোবট যান কিউরিওসিটি। মঙ্গলের মাটিতে মিথেনের এই গজাল কীভাবে তৈরি হচ্ছে, বিজ্ঞানীরা তার ব্যাখ্যা দিতে না পারলেও দাবি করছেন, ক্ষুদ্র ব্যাকটেরিয়াসদৃশ জীবন্ত অণুজীবই এর কারণ।
গবেষকেরা বলছেন, যদি জীবন্ত কোনো অণুজীব থেকে এই গ্যাস তৈরি হয়, তবে তা ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি আবিষ্কার হিসেবে বিবেচিত হবে। কারণ, পৃথিবীতে ৯৫ শতাংশ মিথেন গ্যাস তৈরি হয় ক্ষুদ্র অণুজীব থেকে। এর পাশাপাশি অজৈবিক প্রক্রিয়াতেও এ ধরনের গ্যাস তৈরি হতে পারে।
নাসার গবেষকেরা বলছেন, কিউরিওসিটিতে এখন জীবনের অস্তিত্ব খুঁজে বের করতে বারবার পরীক্ষা করে দেখতে হবে। ২০২০ সাল পর্যন্ত পরীক্ষা চালিয়ে যেতে হবে কিউরিওসিটিকে। ২০২০ সালে মিথেনের উত্স খুঁজে বের করতে মঙ্গলের মাটিতে মনুষ্যবিহীন মিশন পরিচালিত হবে।
অবশ্য তার আগে ২০১৯ সালে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির এক্সোমার্স মিশন থেকে আরও তথ্য পাবেন বিজ্ঞানীরা। ২০১৯ সালে ৩০০ কেজি ওজনের একটি রোবটযান মঙ্গলের মাটিতে নামবে এবং দুই মিটার পর্যন্ত গর্ত খুঁড়ে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে দেখবে। এ ছাড়া প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে বের করার জন্য অত্যাধুনিক বেশ কিছু প্রযুক্তি এই রোভারে থাকবে।

মার্স সায়েন্স ল্যাবরেটরির গবেষক ড্যানি গ্লাভিন বলেছেন, ‘মঙ্গলের মাটিতে আমরা কয়েক দশক ধরেই অণুজীবের সন্ধান করছিলাম। এটি সত্যিই অসাধারণ একটি আবিষ্কার। মঙ্গলের মাটিতে আমরা প্রথমবারের মতো জৈব উপাদানের খোঁজ পেলাম। এটা আমাদের জীবনের মূল রাসায়নিক উপাদান খুঁজে বের করার উত্সাহ আরও বাড়িয়ে দেবে। আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য হচ্ছে এই জৈব উপাদানের উত্স কোথায় তা খুঁজে দেখা।’
আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আবারও গর্ত করে তা থেকে নমুনা সংগ্রহ করবে কিউরিওসিটি। এরপর তা পরীক্ষা করে আরও নিশ্চিত ফল জানাবে।

Mobile uploads 17/12/2014
20/10/2014

প্রাণঘাতী ভাইরাস
এবোলা নিয়ন্ত্রণে বিজ্ঞানীরা শেষ পর্যন্ত
ভ্যাকসিন আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন।
ভ্যাকসিনটির নাম হচ্ছে ভিএসভি-এবো।
কানাডার বিজ্ঞানীরা কয়েক বছরের
গবেষণায় এই অসাধ্য সাধন করেছেন।
শনিবার দেশটির রাজধানী অটোয়ায়
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের
ঘোষণা দেয়। আজ সোমবার থেকেই কানাডায়
ক্লিনিক ও হাসপাতালে পরীক্ষামূলক এবোলার
ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হয়েছে। এর আগে অন্য
প্রাণীর ওপর ওই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে কার্যকর
ফল পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভ্যাকসিন আবিষ্কারের মধ্য
দিয়ে গত কয়েকমাসে এবোলা ভাইরাস
নিয়ে বিশ্বব্যাপী যে উদ্বেগ-
উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছিল তার অবসান ঘটবে।
খবরে বলা হয়েছে, পরীক্ষামূলক প্রয়োগের
জন্য কানাডা ৮০০ ভাকসিন পাঠাবে বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে।
কানাডার প্রধান জনস্বাস্থ্য
কর্মকর্তা গ্রেগরি টেইলর এক বিবৃতিতে বলেন,
‘বিজ্ঞানীদের কয়েক বছরের গবেষণা ও
উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে এই ভ্যাকসিন।
এবোলা নির্মূলে এই ভ্যাকসিন সহায়তা করবে।
এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগে আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবো।’
যতটুকু জানা গেছে তা হলো, শুষ্ক বরফের
সঙ্গে একটি বিশেষ বোতলে (কন্টেইনার)
ভিএসভি-এবো ভ্যিাকসিন প্যাকেট
করে বাজারজাত করা হচ্ছে। মাইনাস ৮০
ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা মাইনাস ১১২
ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় এটি সংরক্ষণ
করতে হবে। কানাডার ন্যাশনাল
মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবরেটরি এটি আবিষ্কার
করেছে। কানাডীয় সরকার নিউলিংক
জেনেটিকস
করপোরেশনকে এটি বাজারজাতের
অনুমতি দিয়েছে।
২০১৩ সালের শুরুতে এই ভাইরাস দেখা দেয়।
মার্চে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়। গত
সেপ্টেম্বর থেকে এটি আফ্রিকার
কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়ে। সিয়েরালিওন,
লাইবেরিয়া, গায়নায় এবোলা আঘাত
হেনেছে বেশি করে। কিন্তু
এটি থামাতে না পারায় সৃষ্টি হয় উদ্বেগ
উৎকণ্ঠার।
১৪ অক্টোবর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)
জানায়, প্রাদুর্ভাবের পর থেকে এখন পর্যন্ত
এবোলায় ৪ হাজার ৪৪৭ এর বেশি লোকের মৃত্যু
হয়েছে।
জাতিসংঘের এবোলা মিশনের প্রধান
অ্যান্থনি ব্যানবারি বলেন,
‘মরণঘাতী এবোলা ভাইরাসকে থামানো না গেলে ‘নজিরবিহীন
পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। তখন
যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে তা মোকাবেলার
ক্ষমতা থাকবে না বিশ্ব সম্প্রদায়ের।’
তিনি বলেন, ‘এবোলা ভাইরাস
প্রতিরোধে বিশ্ব সম্প্রদায় পিছিয়ে পড়ছে।
ভাইরাসের সঙ্গে দৌড়ে আমরা পারছি না। আর
এর ফলে ডিসেম্বর হাজার হাজার লোক এই
ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেন,
‘এবোলা হুমকি মোকাবেলায় বিশ্ব সম্প্রদায়
যা করছে তা যথেষ্ট নয়।’ সঙ্কট
নিয়ে সম্প্রতি তিনি ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মান ও
ইতালির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন।
জাতিসংঘের সর্বশেষ তথ্য
প্রমাণে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়,
এবোলা মোকাবেলায় বিশ্ব সম্প্রদায়ের
প্রচেষ্টা বাড়ানো না হলে দুই মাসেই নতুন
আক্রান্তের সংখ্য ৫ হাজার থেকে বেড়ে ১০
হাজার ছাড়াবে।
জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন
মরণব্যাধি এবোলার
বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ‘জরুরি তহবিল’ গঠনের আবেদন
জানিয়েছেন। কারণ লড়াইয়ে তহবিল ঘাটতির
আশঙ্কা করছেন তিনি।

Mobile uploads 17/10/2014

Space Lift

এইচপি বিভক্ত হচ্ছে যেভাবে 14/10/2014

http://mobilemaya.com/news/11b_এইচপি_বিভক্ত_হচ্ছে_যেভাবে

এইচপি বিভক্ত হচ্ছে যেভাবে এইচপি এখন কঠিন টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কোম্পানিটি একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের অনেক বড় ভুলের মধ্যে একটি ছিল ১০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে সফটওয়্যর প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অটোনমি ক্রয়। কেননা পরে প্রমানিত হয়েছিল যে, অটোনমি টাকা কড়ির জাল ..

15/09/2014

একটি ভূতুড়ে শহর

পৃথিবীতে এমনও
শহর
রয়েছে যেখানে নেই
কোনো মানুষের
বসবাস।
শুধু
রয়েছে ফুটপাত
হীন
রাস্তার
পাশে ভাঙাচোরা হতশ্রী চেহারার
কয়েকটি কাঠের দালান। আর
ক্যালিফোর্নিয়ার তেমনই একটি শহর
'বোডি'। একসময় যার পরিচিতি ছিল
‘রাফ এন্ড টাফ' শহর নামে।
ধারণা করা হয়, আমেরিকার
সবচেয়ে দুর্ধর্ষ আউটলদের আবাস
ছিল এই শহরে। ঊন বিংশ শতাব্দীর
মাঝামাঝি সময়ে এখানে এমন
কোনও দিন যায়নি যেদিন
এখানে মানুষ খুন হয়নি।
১৮৮০ সালে বোডির বাইরে দুই
ডাকাত একটি স্টেজ কোচ লুট করে।
যাতে হাজার হাজার ডলারের
সোনা ছিল। লুট করার পরে এক সময় দুই
ডাকাত
ধরা পড়ে এবং তাদেরকে মেরে ফেলা হয়।
তবে তাদের লুট করা সোনার সন্ধান
আর পাওয়া যায় নি। কেউ কেউ
বলে সেই সোনাগুলো শহরের
ধারে কাছে কোথাও
মাটি খুড়ে মাটির
নিচে ডাকাতরা পুঁতে রেখেছিল।
তবে আজও উদ্ধার করা যায়নি সেই
সোনাগুলো।
চারদিকে পাহাড়
ঘেরা বোডি শহরটি আক্ষরিক
অর্থেই আমেরিকার সবচেয়ে বড়
ভূতুড়ে শহরে পরিণত হয়েছে।
বর্তমানে বোডি শহরকে কেন্দ্র
করে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন
কল্পকথা। লোক মুখে প্রচলিত আছে,
বোডির অভ্যন্তরে নির্জন খাদ
থেকে মাঝে মাঝে উচ্চকিত
হাসির আওয়াজ শোনা যায়।
এমনকি দূর
থেকে ভেসে আসে ফিসফিসানির
শব্দ বা শোনা যায় গল্প করার
আওয়াজ।
আমেরিকার নাগরিকদের
মধ্যে যারা এই শহরে গিয়েছেন
তারা বলেন শহরটি থেকে গুরু
গম্ভীর পিয়ানো বাজানোর শব্দ দূর
থেকে ভেসে আসে।
মাঝে মাঝে শোনা যায় গানের
আওয়াজ। এই শহরে বর্তমানে মানুষজন
বাস করে না। ১৮৭০ সালের
দিকে শহরে তৈরি করা কাঠের
দালানগুলো আজও শুধু ইতিহাসের
সাক্ষী হয়ে এখনো ঠায়
দাঁড়িয়ে আছে ওখানে।

Mobile uploads 14/09/2014

UFO

Mobile uploads 02/09/2014

Want your business to be the top-listed Furniture Store in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Dhaka