26/01/2026
কয়েকদিন আগে কৌতূহলবশত আমি "হেলিকপ্টারের দাম কত" লিখে গুগলে সার্চ দিয়েছিলাম।
এরপর থেকে আমার জীবন এলোমেলো হওয়ার দশা। ইউটিউব, ফেসবুক, টিকটক, ইন্সটাগ্রাম যেখানেই ঢুকি শুধু বড়লোকি বিজ্ঞাপন! এই যেমন:
👉 এই ছুটিতে ঘুরে আসুন বুর্জ খলিফা।
👉 প্রিয় মানুষকে উপহার দিন ডায়মন্ড নেকলেস।
👉 আপনার অপেক্ষায় আইফেল টাওয়ার।
👉 অগ্রিম বুকিং দিন আইফোন ১৬।
👉 নিউইয়র্কে কিনুন স্বপ্নের বাড়ি।
👉 চাঁদে আপনার জন্য ১০ কাঠা ভালো জমি আছে।
কত আর সহ্য করা যায়!
বিপদ থেকে উদ্ধারের পথ বের করতে হল।
গতকাল রাতে সার্চ করেছি, "ছেঁড়া জুতা সেলাই করার উপায় কী?"
অবশেষে আমার সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে।
বিজ্ঞাপনের লেভেল এখন আমার লেভেলে নেমে এসেছে।
আজ সকাল থেকে ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম আমাকে দেখাচ্ছে মাত্র ১০০ টাকায় কিনুন ৩ জোড়া স্যান্ডেল, সাথে ১৫ টাকা ক্যাশ ব্যাক!
জাস্ট ফান
27/01/2025
With Habib Vai 2.1 – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
25/01/2025
বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো! এই ৪০ কোটি শুক্রাণু মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুঁটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু। আর বাকিরা? এই ছুঁটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়। এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে, তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি অথবা আমরা সবাই। কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন ?
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন ছিলনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা, তবুও আপনি জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার ছিলনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি
জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার ছিলনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি
জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিল এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।
❒ বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায় কিন্তু আপনি মারা যাননি, পুরো ১০ টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন।
❒ বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি
টিকেছিলেন।
❒ বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায় কিন্তু আপনি এখনো বেঁচে আছেন।
❒ অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায় কিন্তু আপনার কিছুই হয়নি।
❒ বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে কিন্তু আপনি এখনো আছেন।
আর আজ- আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেন ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন? এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন। যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি। ৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে ক্রমাগত দৌড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন। তাহলে হতাশা কেন ?
❒ কেন একজন আপনার লাইফ থেকে চলে গেলে
সেটা মেনে নিতে পারেন না ?
❒ কেন আপনি একটা কিছু হলেই ভেঙে পড়েন ?
❒ কেন বলেন আমি আর বাঁচতে চাইনা ?
❒ কেন বলেন, আমি হেরে গিয়েছি ?
এমন হাজারো কথা তুলে ধরা সম্ভব, কিন্তু আপনি কেন হতাশ হয়ে পড়েন ? আপনি কেন হারবেন? কেন হার মানবেন? আপনি শুরুতে জিতেছেন, শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন। নিজেকে সময় দিন, মনকে প্রশ্ন করুন- কি প্রতিভা আছে আপনার ? মনের চাওয়াকে সব সময় মূল্য দিন, সব সময় ঈশ্বরকে স্বরণ করুন। দেখবেন আপনি জিতে যাবেন,শুধু নিজের মনের জোর নিয়ে যুদ্ধ করতে থাকুন, আপনি নিশ্চয়ই জিতে যাবেন।
😌❤️😌
সংগৃহীত
24/01/2025
With Rushdania Rubaba Sairi – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
24/01/2025
শাশুড়ি হওয়ার সহজ উপায়।
১। ছেলের বিয়ে দেবেন না। বিয়ে করতে দিন। পাত্রপাত্রী পছন্দ করতেও পারেন৷ কিন্তু বিয়েটা পাত্রপাত্রীকেই করতে দিন। ওরা ভোট দিয়ে দেশের সরকার নির্বাচন করতে পারেন কাজেই নিজেদের জীবনসঙ্গীও নির্বাচন করতে পারবেন।
২। ছেলের বৌ এর মা হয়ে উঠতে যাবেন না সেক্ষেত্রে ছেলের বৌ আপনার ছেলের বোন/দিদি হয়ে যেতে পারে। ছেলের বৌ এর শাশুড়ি হয়ে উঠুন। ঐ সম্পর্কটা মাতৃত্বর মতো আগলে রাখার নয় বন্ধুর মতো পাশে থাকার। কারণ অ্যাডাল্ট মানুষকে আগলে রাখার দরকার হয় না,তাদের পাশে থাকার দরকার হয়।
৩। ছেলের বৌ কী খেল কী পরলো কটায় বেরোলো এই ধরনের দাড়োয়ানগিরি করার জন্য আপনি এক্সট্রা পয়সা পাবেন না। ওটা ওনাকে নিজের দায়িত্বেই করতে দিন। উনি নিজের বাড়ি ছেড়ে আরেকবাড়িতে এসে ওঠার দম দেখাতে পেরেছেন যখন তখন বাকিটাও পারবেন।
৪। ছেলেকেও এগুলো নিজেকেই করতে দিন। সব জায়গায় সংসার আগলে খবরদারি করতে যাবেন না। নতুন জেনারেশন আসছে তাদের সংসার তারা তাদের মতো করে ঠিক চালিয়ে নেবে। ভুল করলে ভুল থেকে শিখে নেবে। শিখিয়ে পড়িয়ে মানুষ করার দায়িত্ব আপনার ফুরিয়েছে।
৫। ছেলের বৌ ছেলের আয়া নয়, ছেলে খেল না কেন, স্নান করলো না কেন এগুলো নিয়ে ছেলের বৌএর কান মাথা খেয়ে নেবেন না। সবাই অ্যাডাল্ট। যে যেটা ভালো বুঝবে ঠিক করবে।
৬। নিজের জীবন বাঁচুন। বাবুটা এরপর কী করবে? বাবুর কী হবে? বাবু কেন বদলে যাচ্ছে এসব নিয়ে একটু কম কান্নাকাটি করুন।
৭। নতুন লোকটি যিনি আপনার বাড়িতে আসছেন তাকেও তার জীবনটা বাঁচতে দিন।গড়ে পিটে নেওয়ার চেষ্টাও করবেন না। উলটো ফল হবে
৮। আপনার কিন্তু বয়সটা বাড়তির দিকেই যাবে কাজেই এখন আপনার এনার্জী আছে বলে এমন কিছু করবেন না যাতে মেয়েটি আপনার প্রতি শুরু থেকেই বিতৃষ্ণ হয়ে থাকে। পরে তাহলে আপনার হেল্প এর দরকার হলে সে মন থেকে সেটা করতে পারবে না। জাস্ট দায়ত্ব পালন করে কাটিয়ে দেবে।
৯। ভালোবাসা দিলে ভালোবাসা পাবেন। সেটা লোকদেখানো সুনুমুনু পুচু পুচু না করলেও চলবে। মানুষ হিসেবে তাকে সম্মান করুন।
১০। বাবু কবে বাবা হবে সেই চিন্তা আপনার নয়। কাজেই ওটা জাস্ট ভুলে যান। ছেলের বিয়ে দিয়েছেন আনন্দ করেছেন ওটাই থাক। তারপরের ডিসিশনটা ছেলে ছেলেরবৌকেই নিতে দিন। আপনাকে মুখ দেখানোর জন্য সাততাড়তাড়ি বাচ্চার জন্ম দিয়ে দিলে তো পরেরদিন বাচ্চাটা দামড়া হয়ে উঠবে না। তারা তাদের বাচ্চা তাদের সুবিধা মতোই নেবে।
নিজে ভালো থাকুন অন্যদের ভালো রাখুন।
#সংগৃহিত
25/09/2024
বাসায় পড়ানোর সময় অভিভাবক খেয়াল করলেন যে, তাদের সন্তান
'ন্যাচার'কে 'নাটুরে' (Nature) বলে উচ্চারণ করছে!
কার কাছ থেকে উচ্চারণটি শিখেছে জানতে চাইলে সন্তান জানালো -
স্কুলের ইংরেজির শিক্ষকের কাছ থেকে।
ইংরেজি শিক্ষকের কাছে যেয়ে অভিভাবক বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলেন।
তিনি দুঃখ ভারাক্রান্ত কণ্ঠে জানালেন, "চিন্তার কোন কারণ নাই,
ছাত্ররা একটু 'মাটুরে' (Mature) হলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।"
বিষম খেয়ে অভিভাবক প্রধান শিক্ষকের কাছে নালিশ করলেন - "কী ধরণের বিদ্যাপীঠ এটা, স্যার!
ছাত্র বলে 'নাটুরে', শিক্ষক বলেন 'মাটুরে'!"
শুনে প্রধান শিক্ষক উদাস হয়ে বললেন, "সবাই শুধু বড় বড় কথা বলে। একজনও ভাল 'লেকটুরে' (Lecture) দিতে পারে না।"
ক্ষিপ্ত অভিভাবক এবার উত্তেজিত হয়ে দেখা করলেন স্কুলের গভর্নিং বডির সভাপতির সংগে।
সভাপতি একটু হতাশ কণ্ঠে বললেন, "আমিও বুঝি। কিন্তু কী করবেন বলুন? এটাই যে এই অঞ্চলের 'কালটুরে' (Culture)।"
অভিভাবকের মাথায় চক্কর দিলো। তিনি কোনমতে লোকাল সাংসদের সাথে দেখা করলেন।
তিনি সব কিছু শুনে প্রবল চিৎকার, চেঁচামেচি করতে করতে বললেন, "আমি জানতাম,
আমি আগেই জানতাম, এই স্কুলটার নাই কোনো 'ফুটুরে' (Future)!"
অভিভাবক কাঁপতে কাঁপতে পড়ে গিয়ে মাথা ফাটিয়ে ফেললেন। জ্ঞান হারাতে হারাতে শুনতে পেলেন,
কে যেন বলছে, "ফেসবুকে দিবো... একটা ‘পিকটুরে’ (Picture) তুলে দে!"
ঐ স্কুলের মাঠে এখন 'এগ্রিকালটুরে' (agriculture) চর্চা হচ্ছে।
- Collected.
29/05/2024
প্রেমে বিচ্ছেদ হওয়ার কারণে যদি তোমার মরে যেতে ইচ্ছে করে, তবে বাড়ির আশেপাশের কোন হাসপাতালে গিয়ে দেখো এসো, মানুষ একদিন বেঁচে থাকার জন্য কতোটা লড়াই করে।
সামান্য অভাবে যদি তুমি দিশেহারা হয়ে পড়ো, তবে রাতের আঁধারে রাস্তার দু'পাশে ঘুমিয়ে থাকা মানুষগুলোকে একবার দেখে এসো, যাদের পেটে নেই ভাত,মাথার ওপর নেই ছাঁদ।
যদি তুমি কালো হওয়ার কারণে নিজের মুখ লুকিয়ে বেড়াও অন্যদের কাছ থেকে, তবে এসিডে ঝলসে যাওয়া মানুষগুলোর দিকে তাকাও যারা নিজেদের সেই ঝলসানো চেহারা নিয়েও সমাজে ঘুরে বেড়াচ্ছে অবলীলায়।
মেয়ে না-হয়ে ছেলে হলে ভালো হতো কিংবা ছেলে না-হয়ে মেয়ে হলে ভালো হতো যদি মনে হয়, তবে আমাদের সমাজের তৃতীয় লিঙ্গের (প্রচলিত ভাষা হিজড়া) মানুষের দিকে তাকাও, যারা নিজেদের পরিবারের থেকে বিতাড়িত হয়েও জীবন চালিয়ে যাচ্ছে সমাজের সাথে তাল মিলিয়ে।
যদি নারী বলতে টাকা লোভী, ছলনাময়ী,ধোঁকাবাজ মনে হয় (কিছু কিছু মেয়েরা এমনও হয়), তবে নিজের মায়ের দিকে তাকাও, যে তোমার বাবার অভাবের সংসারে না খেয়ে পড়ে আছে তবুও ধনী কাউকে বিয়ে করার পথ বেছে নেয় নি।
যদি পুরুষ বলতে দেহ লোভী, মেয়ে বাজ মনে হয়, তবেনিজের বাবার দিকে একবার তাকিয়ো, যার ছোঁয়ায় নেই কোনো লালসা আছে শুধু মায়া, মমতা, স্নেহ। যে তার মেয়ের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল।
নিজের মধ্যে যদি কখনো অহংকার এসে পড়ে, তবে কোনো কবরস্থানে ঘুরে এসো, যেখানে তোমার চেয়ে বড় বড় জ্ঞানী, সুন্দরী, এবং সফল ব্যক্তিরা মাটির নিচে শুয়ে আছে।
সংগৃহীত
18/05/2024
বাসায় হারিকেন ছিলোনা, ২০ হাজার ওয়াটের হ্যালোজেন এল ই ডি লাইটের আলোতে পড়াশুনা করতে হয়েছে। বাসায় একটা হাতপাখাও ছিলোনা, এসির বাতাসে কষ্ট করে পড়াশুনা করতে হয়েছে.. স্কুলে পায়ে হেটে যে যাবে সেই সক্ষমতা টুকুও ছিলোনা, নিজের গাড়িতে যেতে হতো... কোচিং সেন্টারে সবগুলা সাবজেক্ট পড়বে সেই এবিলিটিও ছিলোনা, প্রতিটা সাবজেক্টের জন্য আলাদা আলাদা টিচার বাসায় এনে পড়ানো লাগছে... পড়া শেষে ক্লান্ত হয়ে ঘুম চলে আসলে সামান্য চা টুকু খেতে পারতোনা হরলিক্স খেতো তাই, শরীরটা আরেকটু এলিয়ে আসলে ক্লান্ত শরীরে গোসল করার জন্য নলকূপ, টিউবওয়েল ছিলোনা, সুইমিং পুলে গিয়ে গোসল করতে হতো... পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে পরে সামান্য ডিম দুধ কলাও খেতে পারতোনা, ফ্রাইড রাইস, চাওমিন, চিকেন, চাইনিজ খাবার খেয়ে যেতে হতো.... ঘরে হারিকেন তো ছিলোনা আগেই বলেছি, মোমবাতিও জ্বালানোর মত সুব্যবস্থা ছিলোনা কারন বিদ্যুৎ চলে গেলেই অটো জেনারেটর চালু হয়ে যেতো.... হ্যা এই ছেলেটাও আজ এসএসসি তে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে...... :)Copied