Soul Mates

Soul Mates

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Soul Mates, Furniture shop, Holding 193, Block B, Safwan Road, Bashundhara R/A, Dhaka 1229, Dhaka.

18/08/2024

সবাই ফিরেছে ক্লাসে, পরীক্ষার টেবিলে। ফিরে নাই শুধু শহীদ আহনাফ।
এ দৃশ্য এতদিন আমরা ফি/লি/স্তি/নে দেখতে অভ্যস্ত ছিলাম। স্কুলের সহপাঠীরা সবাই ফিরেছে, যে বন্ধু ফিরে নাই তার টেবিল ফাঁকা, সেখানে তার নাম লেখা কিংবা ফুল রাখা।
হাসিনা রেজিমের কল্যাণে এমন দৃশ্য বাংলাদেশেও দেখতে হইল। আমরা ভাবতেও পারি নাই, গা/জায় একের পর এক গণহ/ত্যা নিয়ে দেখতে দেখতে একদিন আমাদেরও একটা গণ/হ/ত্যা সইতে হবে।
র/ক্তাক্ত জুলাই বিপ্লব শেষে সবাই ফিরেছে কলেজে। শুধু শফিক উদ্দিন আহম্মেদ আহনাফ ছাড়া।
আহনাফের টেবিলটা আজ ফাঁকা। তার স্মরণে সহপাঠীদের ফুল রাখা সেখানে৷ তারা তাদের শহীদ বন্ধুকে প্রিয় ভাইকে ভুলে নাই, ভুলতে পারবেও না।
আহা, ক্লাসের বা পরীক্ষা হলের টেবিল চেয়ার নিয়ে আমাদের কত টানাটানি থাকত৷ এটারে জড় বস্তুই মনে হইত না তখন।
সত্যি যদি জড় বস্তু টেবিলের প্রাণ থাকত, আহনাফের এই শূন্যতা, এই ফুলের তোড়ার ভার কীভাবে সইত!
ভাই, তুই বাংলা মায়ের বুকে আদরে থাক। মমতায় থাক আমাদের অম্লান স্মৃতি হয়ে। বেঁচে থাক বিপ্লবী আন্দোলনের স্ফুলিঙ্গ হয়ে।
ছবি: বোরহান উদ্দিন শেখ, বিএফ শাহীন কলেজ ঢাকার ফেসবুক গ্রুপ থেকে নেওয়া।

14/08/2024

১. অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি বিএনপির বর্তমান নীতি সঠিক, তাঁরা সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের শর্ত ও পরিবেশ সৃষ্টির জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করছেন, করবেন এবং সময় দেবেন। অতএব অবিলম্বে নির্বাচনের জন্য হঠকারি এবং আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের ফাঁদ থেকে বিএনপি দূরে থাকবে। ক্ষমতাচ্যূত ফ্যাসিস্ট শক্তির নানাবিধ ষড়যন্ত্র ও কলাকৌশল মোকাবিলা করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করাই বিএনপির এখনকার কাজ।
২. দুঃসাহসী ও আপোষহীন বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন বাহাত্তরের তথাকথিত ‘সংবিধান’ জনগণের সংবিধান নয়, একে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। গণঅভ্যুত্থানের পূর্ণ 'বিজয়'বা 'বিজয়ী গণঅভ্যুত্থান বলতে এটাই বোঝায়: নতুন বাংলাদেশ গঠন করা। তার জন্য দরকার নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়নের জন্য নতুন গণ পরিষদ নির্বাচন (Constituent Assembly) এবং জনগণের অভিপ্রায় ধারণ করতে সক্ষম নতুন গঠনতন্ত্র (Constitution) প্রণয়ন। বেগম খালেদা জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়িত করুন। নতুন বাংলাদেশের আবির্ভাব নিশ্চিত করুন।
৩. ফ্যাসিস্ট শক্তির সাজানো নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে বেগম জিয়া ফ্যাসিস্ট শক্তিকে ‘বৈধ’ শক্তি হিশাবে স্বীকৃতি দিতে আপোষহীন ভাবে অস্বীকার করে এসেছেন। এর রাজনৈতিক তাৎপর্য বুঝতে হবে। এর মধ্য দিয়ে জুলাই বিপ্লবের রাজনৈতিক শর্ত নীরবে তিনি তৈরি করে গিয়েছেন। অর্থাৎ তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, নির্বাচন নয়, গণঅভ্যূত্থানই ফ্যাসিস্ট শক্তিকে উৎখাত করবার একমাত্র পথ। আজ আমরা তাঁর এই ঐতিহাসিক অবদান স্মরণে রাখব। যদি আমরা বর্তমান ফ্যাসিস্ট সংবিধান ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে জনগণের অভিপ্রায় সম্বলিত নতুন ‘গঠনতন্ত্র’ প্রণয়ন করতে পারি, সেটাই হবে তাঁর অবদান অক্ষয় করে রাখবার একমাত্র পথ। বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনি অমর হয়ে থাকবেন।
৪. অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ যে ক্ষমতা গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা খালেদা জিয়াকে মুক্ত ঘোষণা করেছেন। এবং এর মধ্য দিয়ে ব্যক্তির মর্যাদা প্রতিষ্ঠার গণ অভিপ্রায়কেই তাঁরা বাস্তবায়িত করেছেন। ফ্যাসিস্ট শক্তি বেগম খালেদা জিয়াকে ক্রমাগত অপমান ও হেয় করেছে। তাই নতুন গঠনতন্ত্রের প্রধান আদর্শিক ভিত্তি হবে ব্যক্তির স্বাধীনতা এবং ব্যক্তির মর্যাদা নিশ্চিত করা। আমরা এমন একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করতে চাই যেখানে ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং ব্যক্তির মর্যাদা হরণ করবার কোন আইন রাষ্ট্র করতে পারবে না।
৫. ফ্যাসিস্ট ও খুনি শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে এখনও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। অতএব বিএনপির ভূমিকা হবে ছাত্র-জনতা-সৈনিকের মৈত্রীর ভিত্তিতে অর্জিত ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’-কে রক্ষা করা। এই মৈত্রীর নজির বিদ্যুতের ঝলকের মতো আমরা ১৯৭৫ সালের সাতই নভেম্বরে দেখেছিলাম। যখন একই ভাবে ছাত্র-জনতা-সৈনিকের মৈত্রীর ভিত্তিতে গঠিত গণশক্তি ভারতীয় ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল এবং গণ অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তি হিশাবে জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের রাষ্ট্র নায়কে পরিণত করেছিল। এবার সেই একই মৈত্রীর শক্তি আমরা আবার প্রত্যক্ষ করলাম। স্বাধীনতার ঘোষক এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানকে হেয় ও ছোট করবার জন্য ফ্যাসিস্ট শক্তি ক্রমাগত বিএনপিকে ক্যান্টনমেন্ট থেকে আসা দল বলে প্রচার করেছিল।
৬. দলীয় পরিচয় ও অহমিকা ত্যাগ করে জনগণের অংশ হিশাবে এই গণঅভ্যুত্থানে বিএনপিকর্মীরা অংশগ্রহণ করেছেন, তাঁদের বিপুল অবদান ছাড়া গণ অভ্যুত্থান কখনই সফল হোত না।। ছাত্র-নেতৃত্বের কৌশলী অবস্থানকে তাঁরা মেনে নিয়েছিলেন। তাঁদের আমরা ধন্যবাদ জানাই।
আমরা আশা করব গণঅভ্যুত্থানকে পরিপূর্ণ বিজয়ের দিকে নিয়ে যাবার জন্য তাঁরা অত্ন্দ্র প্রহরীর মতো মাঠে থাকবেন। জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে তাঁরা 'নতুন বাংলাদেশ' গঠন করবেন।
জনগণ বিএনপির কাছে এটাই এখন প্রত্যাশা করে।

10/08/2024
30/07/2024

" আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হব "

09/07/2024

ধার্মিকরা বাটপার হয় না,

বাটপাররা ধার্মিক সাজে।

13/04/2024

১ মাসের স্কুল শেষ। মাসজুড়ে আত্মশুদ্ধি এবং তাকওয়ার প্রশিক্ষণ তো নিলাম। এবার নিজের পরীক্ষা নিজে নেই। নিজের রেজাল্ট নিজে দেই।

আসুন, যার যার রেজাল্টটা একটু খুঁজে নেই:-

•যাকে আমি অপছন্দ করি। চরম চক্ষুশূল। রমজানের শেষে এই বিদ্বেষ ও ঘৃণার মাত্রা কতটুকু কমেছে?

•যাকে আমার হিংসা হয়। যার ভালো কিছু দেখলেই আমার অন্তরটা জ্বলে। সেই হিংসার মাত্রা কতটুকু কমেছে?

•’জীবনে একবার সুযোগ পেলে দেখে নিবো’- এই প্রতিহিংসার মাত্রা কতটুকু কমেছে?

•বিশ্বের তাবৎ বিখ্যাত বই-পুস্তক পড়ে শেষ। অথচ রমজানে আল্লাহর কিতাব কোরআন কতটুকু পড়েছি?

•নামাজ রমজানেও যেমন ফরজ। তেমনি সারাবছর ও সারা জীবনের জন্যও ফরজ। মনেপ্রানে এই উপলব্ধি ও সংকল্প কতটুকু করেছি?

•সুদ-ঘুষ-দুর্নীতিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত আমরা রমজানের পর এপথ থেকে কতটুকু সরে আসবো? নাকি বরাবরের মতই ঘুষকে স্পিডমানি, তদবির, সিস্টেম, পার্সেন্টিজ বা খরচাপাতি বলে নিশ্চিন্তে যথারীতি ‘নিজের জন্য জায়েজ’ বলে চালিয়ে নিবো?

•সুদকে ইন্টারেস্ট নাম দিয়ে সুদের অর্থনীতি, সুদের ব্যাংকিং এবং সুদভিত্তিক ব্যাবসা দেদার্ছে চালিয়ে যাবো?

•যারা পুলিশ, আমলা, বিচারক। উপরের নির্দেশ, ফোনকল, তদবির বা ব্যক্তিগত লাভের আশায় মজলুমের হক নষ্ট করা থেকে নিজেকে কতটুকু নিবৃত্ত রাখতে পারবো?

• যারা রাজনৈতিক নেতা-কর্মী। ক্ষমতাকে স্বর্ণের ডিমপাড়া রাজহাঁস মনে করে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ইচ্ছামত লুটপাট করা থেকে কতটুকু সরে আসতে পারবো?

• যারা সুশীল, সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী। আল্লাহর এই বাণী আমাদের অন্তরে কতটুকু ভীতি সৃষ্টি করবে? ‘নিশ্চয়ই কান, চোখ, অন্তর—এগুলোর প্রতিটি সম্পর্কে কৈফিয়ত তলব করা হবে।’ (সুরা বনি ইসরাঈল:৩৬)

• যারা যুবক। ইন্টারনেটে বাজে ভিডিও দেখা, বিএফ-জিএফের সাথে অশ্লীলতা থেকে নিজেকে কতটুকু সংযত রাখতে পারবো?

রমজান মাসে আমরা যেভাবে জাহান্নামকে ভয় করেছি। বাকি ১১ মাসও যেন সেভাবেই জাহান্নামকে ভয় করতে পারি। আমি যেন শুধুই এক মাসের মুমিন না হই।

বিরক্তিকর নাক ডাকার কারন ও বন্ধের উপায় 21/04/2015

বিরক্তিকর নাক ডাকার কারন ও বন্ধের উপায় শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য যে নালি থাকে, সেটা সরু হওয়ার কারণে সাধারণত মানুষ ঘুমের মধ্যে নাক ডাকে। এ নালি সংকীর্ণ হওয়ার বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা ক্ষতিকর নয়। হালকাভাবে নাক ডাকা মানে ভালো ঘুম হওয়ার লক্ষণ বলেই ধরে নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে ঘুমের ‘পজিশন’ পরিবর্তন করা বা একটু নড়েচড়ে শুলে…

09/12/2014

Soul Mates One of the biggest, reputed and leading Trading
Company in Bangladesh since 10 years doing Indenting, Import, Export,
Marketing, Industrial Consulting

29/06/2014

রমজান সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা গুলো !
হিজরি বছরের ৯ম মাস হল পবিত্র রমজান বা মাহে রমজান। ইসলাম যে পাঁচটি ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত তার মাঝে অন্যতম একটি হলো রোজা পালন করা। আমাদের অনেকের মাঝেই রমজান পালন সম্পর্কে নানান রকম ভুল ধারণা আছে। আসুন জেনে নেয়া যাক কি সেই ভুল ধারণাগুলো।

১) রমজান সংযমের মাস। কিন্তু আমরা অনেকেই এই মাসে কি খাবো, কোথায় খাবো তা নিয়ে অনেক চিন্তিত থাকি। গৃহিণীরা রান্নাঘরেই বেশির ভাগ সময় কাটিয়ে ফেলেন ইফতার ও সেহেরীতে রকমারি খাবার পরিবেশনের চিন্তায়। দিন শেষে ক্লান্ত হয়ে সৃষ্টিকর্তাকেই হয়তো আর স্মরণ করা হয়না। আবার অন্য দিকে, প্রচুর খাবার আয়োজন করার ফলে সব খাওয়াও হয়না। যার ফলে বিপুল পরিমাণ খাবার অপচয় হয় যা অত্যন্ত গুনাহের কাজ।

২)আমরা অনেকেই হয়তো রোজা রাখি, কিন্তু সেহরী করে নিয়ত করি না। রোজা রাখতে হলে সেহেরীর পরে নিয়ত অবশ্যই করতে হবে। নিয়ত মুখে উচ্চারণ না করে মনে মনে করলেও হবে। নিয়ত অবশ্যই ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবার আগেই করতে হবে।

৩) অনেকে তারাবীর নামায পড়ার পরেই খেয়ে সেহেরীর নিয়ত করে ঘুমিয়ে পরেন। কিন্তু সেহেরী করার আসল সময় হলো রাতের শেষ ভাগে, ফজরের পূর্বে। এই সময়ের পূর্বে সেহেরী খাওয়া উচিত নয়।

৪)আমরা অনেকেই হয়তো ভুল করে কিছু খেয়ে ফেলি রোজা থাকা অবস্থায়। এর পর রোজা ভেঙ্গে গেছে ভেবে খাওয়া-দাওয়া করে নেই। কিন্তু ভুলে কিছু খেয়ে ফেলা হলে রোজা না ভেঙ্গে সম্পূর্ণ করা উচিত।

৫)একটি ভুল ধারণা কম-বেশি সবাই পোষণ করে তা হলো, সেহেরী করা মানেই ভারী খাবার খাওয়া। কিন্তু আপনার কাছে যদি খাওয়ার কিছু না থাকে কিংবা খেতে চাচ্ছেন না তাহলে এক গ্লাস পানি খেয়েও আপনি নিয়ত করে নিতে পারেন।

৬) আমরা অনেকেই মনে করি রোজায় মেহেদী লাগানো যায় না। কিন্তু হাতে বা চুলে মেহেদী লাগালে রোজা ভাঙ্গে না।

৭)কেউ কেউ মনে করেন মুয়াজ্জ্বিন আযান দেয়া শেষ করার পরে রোজা ভাঙতে হয়। এটা ভুল ধারণা। আযান শুরু হওয়ার সাথে সাথেই আপনি রোজা ভাঙতে পারবেন।

৮) অনেকেই হয়তো জানেন না যে, ইফতারীর আগে প্রতিদিন একটি করে দোয়া কবুল হয় আল্লাহ পাকের দরবারে। তাই ইফতারীর আগের এই সুযোগটা হাতছাড়া না করাই ভালো।

৯) রমজানের শেষের দিকের দিনগুলো আমাদের রান্না-বান্না, ঘর গুছানো ও ঈদের কেনাকাটার ব্যস্ততায় চলে যায়। আমাদের নবীজি শেষের দিনগুলোতে ইবাদতে মশগুল থাকতেন। তাই ঈদের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে আমরা যেন রমজানের শেষ দিনগুলোর রহমত থেকে বঞ্চিত না হই।

১০) অনেক বাবা-মা তাদের সন্তানকে রোজা রাখতে দিতে চান না। কিন্তু সন্তান যদি শারিরীকভাবে সুস্থ থাকে তাহলে রোজা রাখতে দেয়া উচিত। বাধা দেয়া গুনাহের কাজ হবে।

১১)আমরা সারাদিন না খেয়ে রোজা রাখি। কিন্তু কারণে-অকারণে মাথা গরম, ঝগড়া-ঝাটি, মারামারি এইগুলো পরিহার করি না। কিন্তু এটা মনে রাখা উচিত যে রমজান হলো আত্মশুদ্ধির মাস। এই মাসে সমস্ত খারাপ অভ্যাস পরিহার করার অভ্যাস করে সারা বছর তা বজায় রাখাই রমজানের প্রকৃত সার্থকতা।

১২)রোজা রাখলে চুল বা নখ কাটা যাবেনা এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। রোজা রেখে নখ বা চুল কাটলে রোজা ভাংগে না।

১৩)রোজায় মুখে থুথু আসলে ফেলে দিতে হয় এটা একটি ভ্রান্ত ধারণা। থুথু গিলে ফেলা হলে রোজা ভাঙ্গেনা। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে মুখে বেশি পরিমাণে থুথু জমিয়ে গিলা উচিত না।

১৪) অনিচ্ছা্কৃতভাবে বমি হলে রোজা ভাঙ্গে না।

১৫) কোথাও ভ্রমণ করলে রোজা ভাঙতে হয় মনে করে অনেকেই রমজান মাসে দূরে কোথাও যেতে চান না। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। আপনি রোজা রাখতে পারলে রেখে দিতে পারেন।

রমজান মাস হলো সংযমের মাস। তাই এ মাসে নিজেকে সকল প্রকার অপচয় থেকে বিরত থাকা উচিত। এছাড়াও সারাদিন রোজা রাখার পরে সুস্থ থাকার জন্য ইফতারে বেশি তেল ও ঝাল খাবার পরিহার করুন এবং প্রচুর পানি খান।

29/06/2014

জেনে নিন রোজায় ডায়াবেটিক রোগী- কী করবেন, কী করবেন না?

ডায়বেটিস রোগটা এমনিতেই প্রাণঘাতী, তিল তিল করে ধ্বংস করে দেয় শরীরটা। সারা বিশ্বে রোজাদার ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা প্রায় পাঁচ কোটি। এই সিয়াম সাধনার মাসে রোজা রাখা নিয়ে তারাই সবচাইতে ঝামেলায় ভুগে থাকেন। যেমন- তাঁদের দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা ঠিক কি না, ইনসুলিন কিভাবে নেবেন বা গ্লুকোমিটার দিয়ে শর্করা মাপলে রোজা ভেঙে যাবে কি না ইত্যাদি। আসুন জানি, ডায়বেটিস রোগীর রোজা রাখার নানান দিক।

কাদের জন্য রোজা ঝুঁকিপূর্ণ?

চিকিৎসকরা কয়েক ধরনের ডায়াবেটিক রোগীর জন্য রোজা রাখা ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচনা করে থাকেন। এঁরা হলেন- টাইপ ১ ডায়াবেটিক রোগী, ডায়াবেটিক গর্ভবতী ও দিনে তিন বা চারবার ইনসুলিন গ্রহণকারী। এ ছাড়া যাঁদের সাম্প্রতিক সময়ে মারাত্মক হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করা স্বল্পতা) বা মারাত্মক হাইপারগ্লাইসেমিয়া কোমা (রক্তে শর্করা আধিক্যজনিত অজ্ঞান হওয়া) হয়েছে, যাঁরা হাইপোগ্লাইসেমিয়া সম্পর্কে সচেতন নন, ডায়াবেটিসের সঙ্গে যাঁদের কিডনি, যকৃৎ, হৃদযন্ত্রের জটিলতা আছে বা ডায়ালিসিস করছেন তাঁরাও অতি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছেন। ঝুঁকিপূর্ণের তালিকায় আরো পড়েন ইনসুলিন ও সালফোনিলইউরিয়া ওষুধ ব্যবহারকারীরা। বাকিরা সচেতনতা ও সতর্কতা অবলম্বন করলে রোজা রেখেও ভালো থাকতে পারেন।
খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামে মেনে চলুন এই টিপসগুলো-

রমজান মাসে আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও খাবার সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। যেহেতু ডায়াবেটিক রোগীর সুনিয়ন্ত্রিত ও সঠিক সময়সূচির খাদ্যাভ্যাস মেনে চলতে হয়, তাই তাঁদের এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের বেলায় লক্ষ করা দরকার-

-দৈনন্দিন ক্যালরির পরিমাপ আগের মতোই থাকবে, কেবল সময়সূচি বা খাদ্য উপাদান পরিবর্তিত হতে পারে।

-শেষ রাতে সেহরি খাওয়া আবশ্যক ও তা গ্রহণ করতে হবে যথাসম্ভব দেরি করে। সেহরিতে জটিল শর্করাসহ সব ধরনের উপাদান রাখতে হবে। কেননা এই খাবারই দিনভর শক্তি জোগাবে।

-ইফতারে একসঙ্গে প্রচুর খাবার না খেয়ে ধাপে ধাপে খেতে হবে। মিষ্টিজাতীয় ও ভাজাপোড়া তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিন। যেমন- কাঁচা বা সিদ্ধ ছোলার সঙ্গে শসা টমেটোর সালাদ. চিঁড়া-টক দই, ঘুগনি বা চটপটি, স্যুপ, ফল ইত্যাদি। শরবতের বদলে ডাবের পানি বা লেবুপানি। একটি কি দুটি খেজুর খাওয়া যেতে পারে।

-ইফতার ও সেহরির মধ্যে নৈশভোজে রুটি বা অল্প ভাত খাওয়া যেতে পারে।

-রোজা রেখে দিনের বেলা বেশি ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রম না করাই ভালো। সন্ধ্যার পর চাইলে হাঁটাহাঁটি করতে পারেন। তারাবির নামাজ নিয়মিত পড়লে অতিরিক্ত ব্যায়াম না করলেও চলবে।
সতর্ক থাকবেন যেসব বিষয়ে

-ডায়াবেটিক রোগীর এ সময় চার ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে- রক্তে হঠাৎ শর্করা স্বল্পতা বা হাইপোগ্লাইসেমিয়া, রক্তে শর্করা আধিক্য বা হাইপারগ্লাইসেমিয়া, কিটোনিউরিয়া বা প্রস্রাবের সঙ্গে কিটোন নির্গত হওয়া এবং পানিশূন্যতা।

-রোজা রেখে দিনের বেলা গ্লুকোমিটার দিয়ে রক্তে শর্করা পরিমাপ করুন। আলেমরা মত দিয়েছেন, গ্লুকোমিটার দিয়ে শর্করা মাপলে রোজা ভাঙে না। ইফতারের এক ঘণ্টা আগে ও দুই ঘণ্টা পরে এবং মাঝেমধ্যে দুপুরে রক্তে শর্করা দেখুন। দিনের বেলা কখনো রক্তে শর্করা চার মিলিমোলের কম বা ১৬.৭ মিলিমোলের বেশি হয়ে গেলে রোজা ভাঙতে হবে।

-সন্ধ্যার পর একসঙ্গে অনেক খাবার ও সহজ শর্করা বা চিনি-মিষ্টি জাতীয় খাবার খাবেন না। এতে হঠাৎ করে শর্করা বেড়ে যেতে পারে।

-পানিশূন্যতা এড়াতে সন্ধ্যার পর বেশি করে পানি, ডাবের পানি, জলীয় অংশ বেশি এমন খাবার গ্রহণ করুন।

-রমজানে ওষুধ বা ইনসুলিনের মাত্রা ও সময়সূচি সম্পর্কে রোজার আগেই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

-রোজায় ডায়াবেটিসের ওষুধ বা ইনসুলিনের মাত্রা ও সময়সূচিতেও পরিবর্তন আসবে। নতুন খাদ্যসূচির সঙ্গে মিলিয়ে এই পরিবর্তন করা হয়।

-যাঁরা মেটফরমিন, গ্লিনাইড, ডিপিপি গোত্রের ওষুধ খান, তাঁদের তেমন কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। কেবল ওষুধের সময়টাকে পাল্টে নিন।

-যাঁরা সালফোনিল ইউরিয়া গোত্রের ওষুধ, যেমন- গ্লিক্লাজাইড, গ্লিবেনক্লেমাইড, গ্লিমেপেরোইড ইত্যাদি ওষুধ খান তাঁরা সকালের ডোজ পূর্ণমাত্রায় ইফতারে এবং রাতের ডোজ অর্ধেক মাত্রায় শেষ রাতে গ্রহণ করতে পারেন।

-যাঁরা দুবেলা ইনসুলিন নেন, তাঁরাও সকালের ডোজ পূর্ণমাত্রায় ইফতারে এবং রাতের ডোজ অর্ধেক মাত্রায় সেহরিতে গ্রহণ করতে পারেন।

-যাঁরা আধুনিক বেসাল-বোলাস ইনসুলিন গ্রহণ করেন, তাঁরা বেসাল বা দীর্ঘ সময় কার্যকরী ইনসুলিন আগের মাত্রায় আগের সময়ে (যেমন রাত ১০টায়) গ্রহণ করবেন। আর বোলাস বা দ্রুত কার্যকরী ইনসুলিন গ্রহণ করবেন ইফতারে, নৈশভোজে ও অর্ধেক মাত্রায় সেহরিতে। নৈশভোজ গ্রহণ না করলে ওই সময় ইনসুলিন না নিলেও চলবে।

-চিরায়ত বা কনভেনশনাল ইনসুলিনের তুলনায় আধুনিক অ্যানালগ ইনসুলিন যেমন- ডেটেমির, ডেগলুডেক, গ্লারজিন, লিসপ্রো, অ্যাসপার্ট বা গ্লুলাইসিন জাতীয় ইনসুলিনে শর্করা স্বল্পতা হওয়ার ঝুঁকি কম। তাই সম্ভব হলে পুরনো ইনসুলিন পাল্টে আধুনিক ইনসুলিন গ্রহণ করুন।

-ওষুধের মাত্রার এই পরিবর্তন অনেকটাই রক্তে শর্করার পরিমাণ ওঠা-নামার ওপর নির্ভর করবে। তাই রক্তে শর্করা পরিমাপ করুন ও চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

Want your business to be the top-listed Furniture Store in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Culinary Team

Attire

Telephone

Address


Holding 193, Block B, Safwan Road, Bashundhara R/A, Dhaka 1229
Dhaka
1229