17/06/2026
Stock available
এখানে সব ধরনের স্মার্ট-ফিচার ফোন এবং গেজেট পাওয়া যায়।এবং এক্সচেঞ্জ করা হয়
17/06/2026
Stock available
ব্যবসায়ীদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন চলমান
12/01/2026
সিন্ডিকেটকে না বলুন,জনগণের স্বার্থ রক্ষায় সহজ আমদানি নিতিকে হ্যাঁ বলুন।
NEIR নামের ইন্ডিকেট সবাই সবাই দেখবেন
11/01/2026
স্মার্টফোন বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক লুণ্ঠন ও মাফিয়া রাজত্বের অবসান চাই! ✊📱
বর্তমানে বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজার এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে তথাকথিত ‘অফিশিয়াল’ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে, অন্যদিকে জুলাই বিপ্লবের খুনের আসামিরা বুক ফুলিয়ে এই ইন্ডাস্ট্রি নিয়ন্ত্রণ করছে। আজ সময় এসেছে মুখোশ উন্মোচনের।
🔴 সিন্ডিকেটের প্রাতিষ্ঠানিক লুণ্ঠন:
সরকার শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিলেও বাজারে তার উল্টো চিত্র। অফিশিয়াল ব্র্যান্ডগুলো ফোনের দাম না কমিয়ে উল্টো ৫০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। ভারতের তুলনায় একই মডেলের ফোনে ১০-১৫ হাজার টাকা বেশি রাখা হচ্ছে, অথচ দেওয়া হচ্ছে নিম্নমানের চিপসেট। এটি সরাসরি গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা!
🔴 কে এই নেপথ্যের কারিগর?
অভিযোগের তীর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (জহির)-এর দিকে, যিনি স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বর্তমানে 'অনার বাংলাদেশ'-এর নিয়ন্ত্রক।
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা: তিনি বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট ছিলেন। শেখ হাসিনা এবং মোস্তাফা জব্বার-পলক চক্রের সাথে তার ঘনিষ্ঠতার বহু প্রমাণ আজ জনসমক্ষে।
ভয়ংকর অভিযোগ: আদালত ও জনগণের তথ্যমতে, তিনি জুলাই অভ্যুত্থানে রামপুরার ছাত্র হত্যার অন্যতম অর্থদাতা ও আসামি (মামলার ১৭ নং তালিকাভুক্ত)।
অর্থ পাচার: নাফিসা কামাল সিন্ডিকেটের সাথে যুক্ত হয়ে বিমা উন্নয়ন প্রকল্প থেকে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
🔴 প্রশাসনের দ্বিচারিতা:
খুনের মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও জহির আজ ‘বস’ সেজে ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংস করছেন। অথচ যারা ন্যায্য দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন, সেই ৪৭ জন সৎ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের কাছে আমাদের প্রশ্ন—এই বৈষম্যের দায় কার?
🔴 পতিত স্বৈরাচারের দোসর ও রাজনৈতিক প্রভাব 🤝
জহিরুল ইসলাম সাবেক স্বৈরাচারী সরকারের আইসিটি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ও জুনাইদ আহমেদ পলকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের সময় শেখ হাসিনার তোষামোদিতে তিনি কোটি কোটি টাকা খরচ করেছেন। এই রাজনৈতিক সখ্যতা ব্যবহার করেই তিনি আজ একচেটিয়া বাজার জিম্মি করে রেখেছেন।
🔴 ৮০০ কোটি টাকার লুণ্ঠন ও পাচার সিন্ডিকেট 📉
গণমাধ্যমের রিপোর্ট ও তথ্যসূত্র অনুযায়ী, সাবেক অর্থমন্ত্রীর মেয়ে নাফিসা কামালের সাথে যোগসাজশে স্মার্ট টেকনোলজিস বিমা উন্নয়ন প্রকল্প থেকে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা (৬৭ মিলিয়ন ডলার) হাতিয়ে নিয়ে বিদেশে পাচার করেছে। এই বিপুল অর্থ পাচারের দায় প্রশাসন কেন এড়াতে পারছে না?
আমাদের দাবি সুষ্পষ্ট:
১️⃣ অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত ৪৭ জন ব্যবসায়ীর নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
২️⃣ খুনের মামলার আসামি ও বাজার সিন্ডিকেটের হোতা জহিরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
৩️⃣ NEIR সিস্টেমের নামে গ্রাহক হয়রানি ও একচেটিয়া বাজার তৈরির পাঁয়তারা বন্ধ করতে হবে।
৪️⃣ সম্পূর্ণভাবে সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত পর্যন্ত NEIR কার্যক্রম স্থগিত করে উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক বাজার নিশ্চিত করতে হবে।
সাধারণ গ্রাহক এবং ছোট ব্যবসায়ীরা আজ ঐক্যবদ্ধ। এই লুণ্ঠন ও অবিচার আমরা আর মেনে নেব না। এই পোস্টটি শেয়ার করে অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচন করতে সাহায্য করুন।
“শহীদ হওয়ার জন্য শুধু একটি বুলেটই যথেষ্ট নয়, তার আগে প্রয়োজন একটি বিপ্লবী চেতনা যা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কখনো মাথা নত করে না।”
— শহীদ ওসমান হাদি।
প্রতিবাদ শুরু করুন নিচের লিংক থেকেই
https://www.facebook.com/share/v/17b3oEs43U/?mibextid=wwXIfr
আমাদের শাটডাউন কর্মসূচি চলমান। কারন ? সারা জীবন ফালতু দামে ফোন কেনার থেকে ন্যায্য ট্যাক্সে কেনার রাস্তা বের করাই শ্রেয় 🔥🔥
আজও আমরা রাস্তায় আছি কেউ আমাদের কোন সমাধান দিতেছে না আমরা ব্যাবসা করে কি ভুল করছি
আমি আবারও বলছি—এটা ট্যাক্স নিয়ে নয়। অফিসিয়াল–আনঅফিসিয়াল নিয়েও না। এখানে ভীষণ রকমের কিছু একটা গোপন ও সন্দেহজনক ব্যাপার ঘটছে। আমার কথাটা মনে রাখবেন।
আমার মতামত:
১. ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়েছে যেন সব মোবাইল ব্যবসায়ীই চোর। এটা সেট করা খুব সহজ ছিল, কারণ নৈতিকভাবে শুনতে “ঠিক” লাগে। ফলে সাধারণ মানুষ প্রশ্ন না করেই সবকিছু মেনে নিচ্ছে।
২. যে প্রশাসন রিকশা, চোরাই মোবাইল বা বড় বড় মব থামাতে পারেনি—যেখানে এত আন্দোলন হয়েছে, তাতেও কার্যকর কিছু করতে পারেনি—সেই প্রশাসন এই একটি আন্দোলনের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক রকমের অগ্রাধিকার ও কঠোরতা দেখাচ্ছে। এটা ১০০% রেড ফ্ল্যাগ।
৩. খালেদা জিয়া মারা যাওয়ার ঠিক পরদিনই একই “ডিসট্র্যাকশন ট্যাকটিক” ব্যবহার করে হঠাৎ ঘোষণা দিয়ে দাবিগুলো নাকচ করা এবং কোনো সমাধান ছাড়াই সামনে এগিয়ে যাওয়া স্পষ্টভাবে দেখায়—BTRC ভীষণ তাড়াহুড়োতে আছে, তারা দ্রুত কিছু একটা শেষ করতে চায়।
৪. এই প্রক্রিয়া অন্য দেশেও আছে—এটা অস্বীকার করছি না। কিন্তু যেভাবে সবকিছু একসাথে, এই মাত্রায়, এই ত্রুটিপূর্ণ ও অসুবিধাজনকভাবে করা হচ্ছে—এটা পৃথিবীতে প্রায় কোথাওই দেখা যায় না। বাংলাদেশই একমাত্র দেশ, যেখানে NID/IMEI সংক্রান্ত ধারণাটা এতটা ফ্লড ও ইনকনভিনিয়েন্ট—তবুও জোর করে চাপানো হচ্ছে। প্রশ্ন হলো—আসল কারণ কী? অপরাধী ধরা? আহা! খুবই যুক্তিসংগত কথা—কাগজে-কলমে।
৫. যে দেশের অর্থনীতি ইতিমধ্যেই নড়বড়ে, যেটাকে কোনোভাবে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চলছে—সেই দেশে এক রাতেই লক্ষ লক্ষ মানুষকে কোনো বিকল্প পরিকল্পনা ছাড়াই বেকারত্বের দিকে ঠেলে দেওয়া হলো। জেনেশুনেই—তাদের পরিবার আছে, চারটা মুখ আছে। নতুন কর্মী নিয়োগ লাগবে। এই বেকারত্ব থেকেই আরও অপরাধ জন্ম নেবে। এত কিছু জেনেও যদি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—তাহলে ব্যাপারটা ভীষণ সন্দেহজনক, যদি না কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বিপুল লাভ পাচ্ছে।
৬. এটা কখনোই ট্যাক্সের বিষয় না। একেবারেই যুক্তিহীন। আপনি গাড়ি কিনলে ৩০০% ট্যাক্স দেন, টিভি-ফ্রিজ কিনলে ৪০০% দেন। তাহলে মোবাইলের ট্যাক্স বাড়লে মানুষ স্ত্রী-সন্তান নিয়ে রাস্তায় নামবে—আর চুরি করে ফোন আনতে চাইবে—এই দাবি সম্পূর্ণ অবাস্তব। বাংলাদেশে ন্যারেটিভ সেট করা খুব সহজ। মানুষ প্রশ্ন করে না। আর তাই কর্তৃপক্ষও উত্তর দেয় না।
৭. আমার বিশ্বাস—এটা মনোপলি ব্যবসার প্রাথমিক লক্ষণ। আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি এখানে একটি স্মার্ট সিন্ডিকেট জড়িত।
শেষ কথা?
আমি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না। আমি ভুলও হতে পারি।
কিন্তু আমার অন্তরের অনুভূতি বলছে—আমাদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।
আর অভিজ্ঞতা বলছে—সাধারণত আমার এই অনুভূতি ভুল হয় না।
Salman Mohammad Muqtadir যাক কেও একজন তো বুঝলো ব্যাপার টা
মোবাইল ব্যাবসায়ীদের উপর কেন এমন হামল করা হলো কে দিবে এর জবাব
04/01/2026
মোবাইল ব্যাবসায়ীদের উপর এমন হামলা ও নিযাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং এটা বিচার চাই সাধারণ জনগনের কাছে।
| Monday | 10:00 - 20:30 |
| Tuesday | 10:00 - 20:30 |
| Wednesday | 10:00 - 20:30 |
| Thursday | 10:00 - 20:30 |
| Friday | 10:00 - 20:30 |
| Saturday | 10:00 - 20:30 |