Idrish All Dailar oman

Idrish All Dailar oman

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Idrish All Dailar oman, Salalah.

Polio Vaccine Blamed for Outbreaks in Nigeria 03/01/2017

#পোলিও_টিকা_প্রতিষেধক_না_অভিশাপ? শেয়ার করে সবার কাছে পৌঁছে দিন।
------------------------------------------------
মুসলিম উম্মাহকে পঙ্গু এবং মুসলিমদের সংখ্যা হ্রাস করার এক গভীর ষড়যন্ত্র।
-----------------------------------------------------------------------
নাইজেরিয়ার ডা. হারুনা কায়েটা সফল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন, শিশুদের খাওয়ানোর পোলিও টিকায় প্রথমত রয়েছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রজনন ক্ষমতা চিরতরে নষ্ট করে দেয়ার উপাদান। দ্বিতীয়ত, বিগত নয় বছর ধরে গোটা পৃথিবীতে লাখ লাখ শিশুকে খাওয়ানো পোলিও টিকায় ক্যান্সারের ভাইরাস মেশানো হচ্ছে এবং তৃতীয়ত, ওরাল পোলিও টিকা পঙ্গুত্ব প্রতিরোধের পরিবর্তে পঙ্গুত্বের জন্য দায়ী প্রমাণিত হওয়ায় আমেরিকা, বৃটেন ও কানাডায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অথচ ডাকঢোল পিটিয়ে প্রতিষেধকের মোড়কে এই ভয়ানক বস্তুটিই বাংলাদেশসহ তৃতীয় বিশ্বের লক্ষ লক্ষ শিশুকে খাওয়ানো হচ্ছে মারাত্মক রোগটি থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষা দেবার অবিচল আস্থায়। এ বিষয়ে চাঞ্চল্যকর এ ধারাবাহিক প্রতিবেদনটি গুরুত্বের সঙ্গে ছেপেছে পাকিস্তানের প্রথম সারির জাতীয় পত্রিকা ডেইলি উম্মত। ...................এর পাঠকদের জন্য লেখাটি সংক্ষিপ্ত ও ঈষৎ সম্পাদিত আকারে অনুবাদ করা হলো।

‘ইউনিসেফ’র পক্ষ থেকে পোলিও নির্মূলে শিশুদেরকে টিকা খাওয়ানোর কর্মসূচি প্রকৃতপক্ষে শিশুদের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়ারই পরিকল্পনা।’ এটি কোনো ‘চরমপন্থী মোল্লা’ কিংবা কূপমণ্ডুক রক্ষণশীল ব্যক্তির উক্তি নয়।
পিলে চমকানো এ বিস্ফোরক মন্তব্যটি নাজেরিয়ান ফার্মাসিউটিক্যাল্স সাইন্টিস্ট ডা. হারুনা কায়েটার। আজ থেকে আট বছর আগে ২০০৪ সালে তিনি মন্তব্যটি করেছিলেন। এরই মধ্যে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ কেউ তার এ সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ কিংবা নাকচ করেননি। কারণ তাঁর মন্তব্যটি গভীর গবেষণালব্ধ এবং প্রায় অকাট্য সিদ্ধান্তরূপে উপস্থাপিত হয়েছিল। বক্ষ্যমান প্রতিবেদনের নির্দিষ্ট অংশে এ কাহিনীর বর্ণনা আসবে। প্রসঙ্গটি আপাতত এখানে রেখে আমরা সামনে অগ্রসর হবো।

গোটা পৃথিবীতে ঢোল পেটানো হলো, এ বছর পুরো ভারতের কোথাও পোলিও সম্পর্কে কোনো সমস্যা রেজিস্টার্ড হয়নি। অথচ কিছুদিন আগে ইন্ডিয়ায় পরিচালিত এক অনুসন্ধানী রিপোর্ট শিশুদের খাওয়ানোর পোলিও টিকা (ঙৎধষ াধপপরহব) এর সামনে মস্তবড় এক প্রশ্নবোধক চিহ্ন এঁকে দিয়েছে। উল্লিখিত অনুসন্ধানী নিবন্ধে তথ্য রয়েছে; এ বছর দেশটিতে এ বিষয়ে ৪৭ হাজার ৫০০ সমস্যার ঘটনা সামনে আসে। এসব ঘটনায় শিশুদের পোলিওর মতো ধ্বংসাত্মক রোগের বিষয়টি উঠে এসেছে। গুরুতর ব্যাপার হল, এ শিশুদের মধ্যে পঙ্গুত্বের দিকে ঠেলে-দেয়া পোলিও রোগের উপসর্গ লক্ষ্য করা গেছে। যাদেরকে সুনির্দিষ্টভাবে পোলিও টিকা খাওয়ানো হচ্ছিল। যাতে প্রমাণিত হয় যে, খোদ পোলিও টিকার মধ্যেই রোগটির উপাদান রয়েছে। এ যেন সর্ষের ভেতরেই ভূত! এ প্রসঙ্গেও তথ্য-উপাত্তসহ আলোচনা করা হবে।

একুশ শতকের শুরুলগ্নে পরিচালিত এই অনুসন্ধানে বলা হয়েছে ১৯৫৪Ñ ১৯৬৩ সালের মধ্যে গোটা বিশ্বের শিশুদের উপর প্রয়োগ করা পোলিও ভ্যাকসিন-এ ঝঠ-৪০ নামের ভাইরাস মেশানো ছিল। যা মানুষের মস্তিষ্ক, অন্ত্র ও হাড়ের ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। যদিও চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা ১৯৬০ সালে শনাক্ত করতে সক্ষম হন যে, বানরের ঘাড় থেকে তৈরি করা পোলিও ভ্যাকসিনে ঝঠ-৪০ ভাইরাস রয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলো বিষয়টি তখন থেকে ধামাচাপা দিতে তৎপর ছিলো এবং পোলিও টিকার মারাত্মক ঝুঁকির বিষয়টি বর্তমানে এড়িয়ে যাবার চেষ্টাই লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু কেন ? প্রবন্ধে এর বিস্তারিত উত্তরও পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হবে।

পোলিও ভ্যাকসিন-বিরোধীদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত মৌলিক তিনটি অভিযোগ সম্পর্কে প্রতিবেদনের গোড়াতে ভূমিকা সন্নিবেশিত হয়েছে।
উত্থাপিত অভিযোগত্রয়ের প্রথমটি হল, পোলিও টিকা মেয়েদের বন্ধ্যা এবং ছেলেদের প্রজনন ক্ষমতা অনেকাংশে হ্রাস করে দেয়। দ্বিতীয় অভিযোগ, এই টিকা রোগটি প্রতিরোধ তো দূরের কথা নিজেই রোগটি সৃষ্টির উপাদান বহন করে। আর তৃতীয় অভিযোগটি সবচে’ ভয়ানকÑ পোলিও টিকা মানবদেহে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে! এসব তথ্য আদৌ কোনো উড়ো কথা বা সঙ্কীর্ণ চিন্তার ফসল নয়। এ বিষয়ে অকাট্য তথ্য-প্রমাণসমৃদ্ধ একাধিক প্রবন্ধ ইন্টারনেট এবং এতদসংশ্লিষ্ট উপাত্তে ভরপুর বইপত্র মুদ্রিত আকারে পাওয়া যায়। অন্যদিকে তথ্যগুলোর প্রবক্তা চিকিৎসা বিজ্ঞানের সেসব বিশেষজ্ঞও এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছেন। মেডিকেল সাইন্সের ছাত্র থেকে শুরু করে সাধারণ লোকÑ যে কেউ এসব প্রবন্ধ এবং তথ্য উদ্ঘাটনকারী বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ই-মেইলে যোগাযোগ করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিজেদের জ্ঞান সমৃদ্ধ করতে পারেন।

কেন্দ্রীয় গুরুত্বের দিকটি হওয়া উচিত, পোলিও টিকার সমালোচকদের উত্থাপিত অভিযোগগুলোর কোনো রকম যাচাই, অনুসন্ধান বা তদন্ত ব্যতিরেকে প্রত্যাখান করতে গিয়ে আবেগ বা রাজনৈতিক রঙ চড়ানোর পরিবর্তে ব্যাপারটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণেই বিচার করা। আন্তর্জাতিক পরিসরে পোলিও টিকার প্রচারকদের আওড়ানো প্রতিটি বুলি চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস বা এর অন্ধ সমর্থক হওয়ার চেয়ে পোলিও ভ্যাকসিনের ল্যাব টেস্ট ও নিরপেক্ষ ফার্মাসিউটিক্যালস বিশেষজ্ঞ দ্বারা বিশ্বাসযোগ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এটা নিশ্চিত হওয়া কি জরুরি নয় যে, প্রতিষেধকের নামে অন্যের কথায় প্রভাবিত হয়ে নিজেদের অজান্তে আপন সন্তানদের বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকারে পরিণত করছি না তো ? বিষয়টি সহজে উড়িয়ে দেয়ার উপায় নেই; কারণ এটি জাতীয় অস্তিত্বের প্রশ্ন। পোলিও টিকা-বিরোধীদের গবেষণা সম্পর্কে আনুপুঙ্খ আলোচনায় যাবার আগে আমরা কয়েকটি মৌলিক তথ্য সামনে এনে গোলকধাঁধাটি খোলাসা করে বোঝার চেষ্টা করবো। প্রথমত, বাছাই করা যে ওয়েবসাইটগুলোতে তথ্য নেয়া হয়েছে প্রবন্ধের তথ্য যাচাইয়ের স্বার্থে সাইটগুলোর লিঙ্ক লেখার সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

রিপোর্টটি তৈরির সময় পাকিস্তানের বেশ ক’জন ফার্মাসিউটিক্যালস বিশেষজ্ঞেরও সহযোগিতা নেয়া হয়েছে, যাদের প্রায় সবাই বহুজাতিক ঔষধ কোম্পানির সঙ্গে সম্পৃক্ত। চাকুরির অবস্থানগত কিছু সীমাবদ্ধতা বা অপারগতার বিষয়টি মাথায় রেখে তাদের নাম উহ্য রাখা হলো। এখন সারা বিশ্বে পোলিও টিকা প্রয়োগের দু’রকমের পদ্ধতি চালু আছে। এর একটি ঙৎধষ ঢ়ড়ষরড় ঠধপপরহব। এটি রোগীকে মুখে খাওয়ানো হয়। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই এ পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে, অন্যদিকে দ্বিতীয় পদ্ধতি ওহধপঃরাধঃবফ ঢ়ড়ষরড় ঠধপপরহব অর্থাৎ সংক্ষেপে ওচঠ, ইনজেকশনের মাধ্যমে রোগীর দেহে এটি প্রয়োগ করা হয়। বর্তমানে গোটা দুনিয়ায় মুখে খাওয়ার (ঙৎধষ ঠধপপরহব) টিকা সম্পর্কে যতো অভিযোগ। কারণ অনুসন্ধানী রিপোর্টগুলো পর্যালোচনায় দেখা গেছে এটি যে রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োগ করা হয় তা বিপরীতধর্মী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির কারণ হয়ে উঠতে পারে। একারণেই প্রথমে আমেরিকা এবং পরে বৃটেন ও আমেরিকায় পোলিওর ওরাল ভ্যাকসিন বা মুখে খাওয়ার টিকা নিষিদ্ধ করা হয়।

একটি বিখ্যাত বহুজাতিক কোম্পানির ফার্মাসিউটিক্যালস সাইন্টিস্ট ডেইলি উম্মতকে বলেন, ‘...যেকানো মেডিসিন প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে প্রধানত ঔষধটি শতভাগ খাঁটি হওয়ার দিকেই দৃষ্টি রাখা হয়। তাতে যেন কোনো প্রকারের ক্ষতিকর কিছুই না মেশানো হয় তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। যেকোনো প্রডাক্টের বেলায় যে নীতি-কৌশল অনুসরণ করা হয় পরিভাষায় তাকে ঈড়হঃধসরহধঃরড়হ, ঋড়ৎসঁষধঃরড়হ ও অফঁষঃৎধঃরড়হ বলা হয়। ফর্মুলেশন বলতে ঔষধে বিদ্যমান ডিক্লিয়ার্ড অংশগুলোকে বোঝায়। অর্থাৎ মেডিসিন ক্রেতা জানতে পারে যে, ঔষধে কী কী উপাদান রয়েছে। যদিও এসব উপাদানের নিজস্ব কিছু ক্ষতিকর প্রভাব থাকতে পারে। তবুও সাধারণত প্রতিষ্ঠিত ধারণা হলো এসবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (ঝরমযঃ বভভবপঃ) নেই। ঈড়হঃধসরহধঃরড়হ পরিভাষাটি দিয়ে বোঝানো হয়, অজ্ঞাতসারে, অনিচ্ছাকৃতভাবে এমন কোনো উপাদান মেশানো হয়েছে যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই সচরাচর যেকোনো মেডিসিন প্রডাক্ট বাজারে আসার আগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় ঈড়হঃধসরহধঃরড়হ আছে কি না ? ঠিক একইভাবে অফঁষঃৎধঃরড়হ এর-ও পরীক্ষা/টেস্ট করা হয়। এডাল্টরেশন হলÑ ম্যানুফ্যাচারার বা প্রস্তুতকারক সজ্ঞানে বিশেষ কোনো উদ্দেশ্যে ঔষধটিতে ক্ষতিকারক কোনো উপাদান মেশানো। ঔষধটির গায়ে সেসব উপাদানের নাম উল্লেখ করা হয় না। কাজটি মানবিক ও আইনি বিচারে অপরাধ হওয়ায় তা গোপনেই সারা হয়। তাই ঔষধ প্রস্তুত ও বিপণনের ক্ষেত্রে উল্লিখিত পরীক্ষা দু’টি নীতিকৌশলের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ওরাল পোলিও ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে অধিকাংশ অভিযোগ এডাল্টরেশন বিষয়েই।

বিভিন্ন দেশের নিরপেক্ষ ও নীতিনিষ্ঠ চিকিৎসা বিজ্ঞানী যারা নিজেদের মতো করে স্বাধীনভাবে পোলিও টিকার পরীক্ষা চালিয়েছেন তারা সবাই এতে মানবদেহের জন্য উল্লিখিত মারাত্মক ক্ষতিকর উপাদানগুলো শনাক্ত করেন। যা নিঃসন্দেহে অফঁষঃৎধঃরড়হ এর পর্যায়ে পড়ে। হয়তো তাঁদের কণ্ঠ চেপে রাখা হয়েছে নতুবা তাতে কর্ণপাতই করা হয়নি। অন্যদিকে বিশেষ অ্যাজেন্ডা সামনে রেখে সারা বিশ্বে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে যে, ‘পোলিও টিকা নিরাপদ’। এই প্রোপাগান্ডায় মিডিয়াও প্রথম কাতারে থাকতে তৎপর রয়েছে। পোলিও টিকার প্রকাশিত উপাদানের একটি হল ঞবিবহ ৮০। ‘টুইয়েন এইটি’ সম্পর্কে আপনি ইন্টারনেটে প্রচুর বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট পাবেন। ঞবিবহ ৮০ গুগলে লিখে সার্চ দিলে আপনি এর গুণাগুণ সম্পর্কে বহু তথ্য-উপাত্ত পেয়ে যাবেন। এটি প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস করার পাশাপাশি মেয়েদের গর্ভধারণ ক্ষমতাকেও নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। অথচ পোলিও রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে পুরুষ ও নারীর এ দু’টি অঙ্গের কোনো সংশ্লেষ নেই। পোলিও টিকা বিষয়ে উত্থাপিত সমূহ অভিযোগ ও তার পরিগঠনের ধাপগুলো সংক্ষিপ্ত অথচ মৌলিক বিবরণ দেয়ার পর এবার এ বিষয়ে বর্তমান প্রতিবেদনের ধারাবাহিক ভাষ্যের দিকে এগুতে চাই। রিপোর্টের শুরুতেই ভূমিকা পেড়েছিলাম প্রথমত, নাইজেরিয়ান ফার্মাসিউটিক্যালস্ স্পেশালিস্ট এর অনুসন্ধান নিয়ে।

নাইজেরিয়ান চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডা. হারুনা কায়েটা অনুসন্ধানী গবেষণাটি সম্পন্ন করার সময় ফার্মাসিউটিক্যাল সাইন্সেস আহমদ বেল্লু ইউনিভার্সিটির জারিয়ার ডীন অব ফ্যাকাল্টিও ছিলেন। তাঁর মনে যখন এ ভাবনার উদয় হলো যে, তাঁর দেশসহ গোটা বিশ্বে পোলিও প্রতিরোধে যে প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে তার পেছনে গোপন কোনো অ্যাজেন্ডা নেই তো ? ২০০৪ সালে যখন নাইজেরিয়াতে পোলিও টিকা বিষয়ক কর্মসূচি ও প্রচারাভিযানের চার বছর পূর্ণ হয় তিনি ওরাল পোলিও ভ্যাকসিনের কিছু নমুনা সঙ্গে নিয়ে টেস্টের জন্য ভারত সফর করলেন। কারণ এ জাতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তখন নাইজেরিয়ায় ততো উন্নত প্রযুক্তি ছিল না। ডা. হারুনা কায়েটা ভারতের ল্যাবরেটরী বিশেষজ্ঞদের সামনেই পোলিও টিকার নমুনাগুলো টেস্ট করেন। সবচেয়ে বড় কথা হল পরীক্ষার ক্ষেত্রে তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডঐঙ) কর্তৃক সুপারিশকৃত প্রযুক্তি এঈএঅঝ ঈঐঙজগঅ ঞঙএজঅচঐণ ও জঅউওঙঘ ওগগটঘঙ ব্যবহার করেন। যাতে এসব টেস্টের গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে কেউ অভিযোগের আঙুল না উঠাতে পারে। পরীক্ষায় প্রমাণিত হয় ওরাল ভ্যাকসিনে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে।

এই ল্যাবরেটরী টেস্টের পর দেশে ফিরে তিনি দেশের সাপ্তাহিক ট্রাস্ট পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘...ওরাল ভ্যাকসিনে আমি পরিষ্কারভাবে অফঁষঃৎধঃরড়হ উদ্ঘাটন করেছি; এতে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর উপাদানের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় যে ব্যাপারটি লক্ষ্য করি তা হলো, এটি মানুষের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস করে দেয় এবং এ ভ্যাকসিনে নেশাগ্রস্ত করার উপাদানও রয়েছে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে আমি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, নাইজেরিয়াকে পোলিও মুক্ত করার নামে ইউনিসেফ প্রকৃতপক্ষের আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিভিন্নভাবে পঙ্গু করে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।’ সাপ্তাহিক ট্রাস্টের সাংবাদিক ডা. হারুনার কাছে জানতে চান যে, ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক কোম্পানি এতে ক্ষতিকারক উপাদান মেশাবে কেন ? জবাবে তিনি বলেন, তিনটি কারণে তারা এ কাজ (প্রকৃতপক্ষ কুকাজ) করে থাকতে পারেÑ

এক. প্রস্তুতকারক কোম্পানি ও এর প্রমোটকারীদের কোনো গোপন অ্যাজেন্ডা রয়েছে। এর সমান্তরালে তৃতীয় বিশ্বের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ হতে পারে তাদের একটি বিশেষ উদ্দেশ্য আর অধিকতর অনুসন্ধানই তাদের সম্ভাব্য গোপন অ্যাজেন্ডা উদ্ঘাটন করতে পারে।
দুই. ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারীগণ আমাদের Ñতৃতীয় বিশ্বের নাগরিকÑদের বোকা মনে করে। তাদের ধারণা আমরা এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার মেধা ও যন্ত্রপাতি কোনোটিই রাখি না।
তিন. সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, এ ধরনের মানবতাবিরোধী বৈশ্বিক অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নে তারা আমাদের ভেতর থেকে অ্যাজেন্ট পেয়ে যায়; যারা আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে নিজের জাতির পায়ে কুড়াল মারতে কুণ্ঠিত হয় না। ডা. হারুনা কায়েটা মারাত্মক ক্ষতিকর এই ভ্যাকসিন আমদানীকারকদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল আইনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশও করেন।

ডা. হারুনা কায়েটার বিস্তারিত সাক্ষাৎকারটি নাইজেরিয়ার সাপ্তাহিক ট্রাস্ট পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে পাওয়া যায়।

http://articles.mercola.com/sites/articles/archive/2009/12/01/polio-vaccine-blamed-for-outbreaks-in-nigeria.aspx

আরো জানুন -

http://www.vaccinationcouncil.org/2011/01/20/islam-vaccines-and-health-2/

http://www.vaccinationcouncil.org/2013/11/12/vaccines-a-peek-beneath-the-hood-by-roman-bystrianyk-and-suzanne-humphries-md/

(অসমাপ্ত)

অনুবাদ :খন্দকার মুহাম্মদ হামিদুল্লাহ

Polio Vaccine Blamed for Outbreaks in Nigeria Polio outbreak in Nigeria worsens because an oral polio vaccine made from a live polio virus, hastens, rather than prevents, the spread of the disease.

13/12/2016

DBBL Mobile Banking Frequently Asked Question (FAQ)

১। মোবাইল ব্যাংকিং কী?
মোবাইল ব্যাংকিং হচ্ছে শাখাবিহীন ব্যাংকিং ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে স্বল্প খরচে দক্ষতার সঙ্গে আর্থিক সেবা পৌঁছে যাবে ব্যাংকিং সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠির কাছে। মোবাইল প্রযুক্তি সরঞ্জাম অর্থাৎ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা প্রদান করাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।

২। মোবাইল ব্যাংকিং- এর সুবিধাসমূহ কী কী?
§ প্রকৃত অনলাইন ব্যাংকিং সেবা যা দেশব্যাপী যে কোন সময়, যে কোন স্থানে গ্রহন করা যাবে।
§ এর মাধ্যমে সকল ধরনের ব্যাংকিং লেনদেন এবং আধুনিক ব্যাংকিং সেবায় প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
§ এটি টাকা পাঠানোর সহজ ও নিরাপদ মাধ্যম।
§ টাকা সঞ্চয়ের অভ্যাস বাড়ানোর জন্য মোবাইল ব্যাংকিং অধিক কার্যকর।
§ মোবাইল ব্যাংকিং অধিকতর নিরাপদ এবং প্রতারণারোধক।

৩। ডিবিবিএল মোবাইল ব্যাংকিং- এর মাধ্যমে কী কী সেবা পাওয়া যাবে?
§ গ্রাহক নিবন্ধন বা মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট খোলা।
§ নগদ টাকা জমাদান।
§ নগদ টাকা উত্তোলন।
§ বিদেশ হতে অর্থ প্রেরণ।
§ বেতন/ভাতা বিতরণ।
§ ব্যক্তির একাউন্ট থেকে অপর ব্যক্তির একাউন্টে টাকা স্থানান্তর (P2P)।
§ মোবাইল টপ-আপ।
§ ব্যালেন্স জানা।
§ বিল প্রদান।
§ মার্চেণ্ট পেমেণ্ট।
§ ATM এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন।
§ সেভিংস্ একাউন্ট থেকে টাকা আনা।
§ সেভিংস্ একাউন্টে টাকা প্রেরণ।
§ যে কোন কার্ড নাম্বারে টাকা পাঠানো।
§ ই-কমার্সে কেনাকাটার বিল প্রদান।
§ দোকানে কেনাকাটার বিল প্রদান।

৪। ডিবিবিএল মোবাইল ব্যাংকিং-এর ফ্রি সেবাসমূহ কী কী?
§ ফ্রি ক্যাশ-ইন
§ ATM উত্তোলন ফ্রি
§ ফ্রি P2P
§ বেতন/ভাতা বিতরণ ফ্রি
§ ব্যালেন্স অনুসন্ধান ফ্রি
§ মোবাইল টপ-আপ ফ্রি
§ কেনাকাটার চার্জ ফ্রি
§ রেমিটেন্স প্রদান (মোবাইল একাউন্টে) ফ্রি

এছাড়া আরও পাচ্ছেন রেমিটেন্সকৃত টাকার উপর ২% হারে আকর্ষণীয় Incentive বোনাস।

৫। কোথায় মোবাইল একাউন্ট খোলা যায়?
DBBL মনোনীত যে কোন এজেন্ট পয়েন্টে, যারা DBBL এর “এজেন্ট সনদ” এবং DBBL মোবাইল ব্যাংকিং ব্যানার প্রদর্শন করতে পারবে তারাই DBBL এর মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট খুলতে পারবেন। তাছাড়া আপনি নিজেই *322 # ডায়াল করে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করে নিতে পারবেন।

৬। কিভাবে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করে মোবাইল একাউন্ট খুলবেন?
যদি নতুন কোন গ্রাহক *৩২২ # ডায়াল করেন তবে সিস্টেম থেকে জানতে চাওয়া হবে তিনি ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং এর গ্রাহক হতে চান কি না? হতে চাইলে ১, না চাইলে ২ ইনপুট করার জন্য বলা হবে। গ্রাহক ১ দিয়ে রিপ্লাই করলে তার কাছে PIN চাওয়া হবে। PIN ইনপুট দেয়ার পর তার মোবাইলটি প্রি-রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাবে এবং তিনি তার একাউন্ট নাম্বারটি (চেক ডিজিটসহ) জানতে পারবেন। গ্রাহক অবশ্যই তার পিন নাম্বারটি মনে রাখবেন এবং কাউকে জানাবেন না। তিনি যে কোন এজেন্ট বা ব্যাংকের শাখা বা ফাস্ট ট্র্যাক থেকে ক্যাশ-ইন করলেই মোবাইল টপ-আপ সহ কিছু সেবা উপভোগ করতে পারবেন। তবে সকল লেনদেন ১,০০০/- টাকা বা তার চেয়ে কম অংকের হতে হবে।

একাউন্টটি অনুমোদনের জন্য তিনি একাউন্ট খোলার একটি ফরম (KYC ফরম) পূরণ করে NID ও ছবিসহ যে কোন এজেন্ট বা ফাস্ট ট্র্যাক বা মোবাইল ব্যাংকিং অফিসে জমা দেবেন। মোবাইল ব্যাংকিং এর কর্মকর্তা গ্রাহকের তথ্যাদি যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন করবেন। একটি SMS এর মাধ্যমে গ্রাহক তা জানতে পারবেন। এরপর গ্রাহক ক্যাশ-আউটসহ সকল প্রকার লেনদেন করতে পারবেন।

৭। এজেন্ট পয়েন্টে কিভাবে মোবাইল একাউন্ট খুলবেন?
§ গ্রাহক KYC ফরম পূরণ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি ও ছবিসহ এজেন্টের কাছে জমা দিবেন।
§ গ্রাহক যে প্রোডাক্টের আওতায় রেজিস্ট্রেশন করছেন দয়া করে তা KYC ফরমে উল্লেখ করবেন। প্রোডাক্ট দুটি হল: “ক্যাশ-ইন ফ্রি” ও “এটিএম ফ্রি”।
§ এজেন্ট তার মোবাইল থেকে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি শুরু করবেন।
§ গ্রাহক IVR হতে একটি কল পাবেন এবং প্রত্যুত্তরে তার পছন্দমত ৪ সংখ্যার একটি PIN নাম্বার দিবেন (অনুগ্রহপূর্বক PIN নাম্বারটি মনে রাখবেন)।
§ অতঃপর গ্রাহকের মোবাইল একাউন্টটি চালু হবে, একাউন্ট নাম্বারটি হবে গ্রাহকের মোবাইল নাম্বার যার সঙ্গে একটি Check Digit যুক্ত হবে।
§ গ্রাহক তার মোবাইল একাউন্ট নাম্বার এর নিশ্চিতকরণ SMS পাবেন (অনুগ্রহ পূর্বক আপনার Check Digit টি মনে রাখুন)।

৮। PIN কেন দরকার?
এজেন্ট অথবা DBBL শাখা অথবা DBBL ATMথেকে টাকা উত্তোলন এবং অন্যান্য ব্যাংকিং লেনদেনের সময় PIN দরকার। PIN আপনার আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং প্রতারণামূলক লেনদেন প্রতিরোধ করবে।

৯। PIN কেন গোপনীয়?
PIN মোবাইল ব্যাংকিং এর লেনদেনের মূল চাবি। শুধু সঠিক PIN এবং মোবাইল একাউন্ট নাম্বারের সমন্বয়ের মাধ্যমেই মোবাইল একাউন্টে প্রবেশ করা সম্ভব। সিস্টেম কর্তৃক একাউন্টের মালিকের পরিচিতি নিশ্চিত করার জন্য PIN প্রয়োজন। যেহেতু PIN নাম্বারটি অন্য কেউ জানলে সংশ্লিষ্ট একাউন্টটি ঝুকিপূর্ণ, সুতরাং PIN অতীব সতর্কতার সঙ্গে সংরক্ষণ করতে হবে।

১০। চেক ডিজিট কি?
একাউন্ট খোলার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার মোবাইল ফোন নাম্বারটির সাথে অতিরিক্ত একটা Digit যুক্ত হবে, এটিই হল Check Digit।

১১। চেক ডিজিট কেন দরকার?
Check Digit ভুল একাউন্ট নাম্বার প্রদানের সম্ভাবনা দূর করে আপনাকে ভুল একাউন্টে টাকা পাঠানো বা জমাদান থেকে রক্ষা করবে।

১২। কিভাবে আপনার চেক ডিজিট জানবেন?
অনেক সময় গ্রাহক তার চেক ডিজিট ভুলে যান। এখন গ্রাহক নিজেই তার চেক ডিজিট জেনে নিতে পারেন।
চেক ডিজিট জানার পদ্ধতিঃ
গ্রাহক তাঁর মোবাইল থেকে *322 # ডায়াল করবেন।
§ প্রদর্শিত মেন্যু থেকে “ ৫ মাই একাউন্ট”-এর জন্য ৫ লিখে রিপ্লাই করবেন।
§ গ্রাহক তাঁর একাউন্ট নাম্বারটি জানার জন্য ৪ লিখে রিপ্লাই করবেন।
§ এখন গ্রাহক ৪ (চার) ডিজিটের PIN প্রবেশ করালে মোবাইলে একাউন্ট নাম্বারটি দেখাবে।

১৩। কোন অপারেটরের মোবাইলে DBBL এর একাউন্ট খোলা যাবে?
যে কোন মোবাইল অপারেটরের মোবাইল ব্যবহারকারী ব্যাংক মনোনীত এজেন্ট পয়েন্টে মোবাইল একাউন্ট খুলতে পারবেন।

১৪। একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রগুলো কি কি?
§ পূরণকৃত KYC ফরম (যা মনোনীত এজেন্টদের কাছে পাওয়া যাবে)।
§ গ্রাহকের ছবি।
§ জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা অন্য যে কোন ছবি সম্বলিত গ্রহণযোগ্য পরিচয়পত্র।

১৫। আপনার মোবাইল একাউন্ট নাম্বারটি কত?
আপনার মোবাইল ফোন নাম্বারটিই হচ্ছে আপনার মোবাইল একাউন্ট নাম্বার যার সঙ্গে একটি Check Digit যুক্ত হবে।
উদাহরণস্বরূপ- যদি আপনার মোবাইল নাম্বারটি হয় ০১২৩৩৪৪৫৫৬৬ এবং Check Digit হয় ৩, তাহলে আপনার মোবাইল একাউন্ট নাম্বারটি হবে ০১২৩৩৪৪৫৫৬৬৩।

১৬। মোবাইল একাউন্ট খোলার জন্য কি ধরনের মোবাইল সেট প্রয়োজন?
যে কোন ধরনের মোবাইল সেট ব্যবহার করেই DBBL মোবাইল একাউন্টের সেবা পাওয়া যাবে।

১৭। একাউন্ট খোলার সঙ্গে সঙ্গেই কি টাকা জমা ও উত্তোলন করা যাবে?
একাউন্ট খোলার সঙ্গে সঙ্গেই টাকা জমা দেয়া যাবে। তবে একাউন্টটি সম্পূর্ণভাবে নিবন্ধিত হওয়ার পর টাকা তোলা যাবে। ব্যাংক কর্মকর্তা রেজিস্ট্রেশন ফরমে (KYC) প্রদত্ত তথ্যাবলী যাচাই করে একাউন্টটি সম্পূর্ণভাবে নিবন্ধনের জন্য অনুমোদন করবেন। সাধারনত একাউন্ট সম্পূর্ণ নিবন্ধনের জন্য ১-২ কর্মদিবস লাগবে। সম্পূর্ণভাবে রেজিষ্ট্রেশনের পর আপনার মোবাইলে একটি SMS পাবেন।

১৮। DBBL মোবাইল ব্যাংকিং কতটুকু নিরাপদ?
DBBL মোবাইল ব্যাংকিং সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ, কারণ এতে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে USSD ও IVR প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। PIN দিয়ে লেনদেনের ক্ষেত্রে USSD এবং IVR উভয়ই নিরাপদ। যেহেতু মোবাইল সেট, PIN এবং Check Digit আয়ত্তে নেয়া ছাড়া একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করা যাবে না তাই গ্রাহকের টাকা সম্পূর্ণ নিরাপদ।

১৯। কোথায় টাকা জমা দিবেন?
DBBL মনোনীত যে কোন এজেণ্ট, DBBL শাখা ও ফাস্ট ট্র্যাকে এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের যে কোন শাখায় টাকা জমা দেয়া যাবে।

২০। কিভাবে এজেন্ট পয়েন্টে টাকা জমা দিবেন?
§ গ্রাহক এজেন্টের নিকট টাকা জমা দিবেন।
§ এজেন্ট তার মোবাইল থেকে জমাদান পদ্ধতি শুরু করবেন।
§ এজেন্ট গ্রাহককে টাকা জমাদানের রশিদ দিবেন।
§ সিস্টেম গ্রাহকের মোবাইলে একটি নিশ্চিতকরণ SMS পাঠাবে।
§ নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সঠিক লেনদেন করার জন্য গ্রাহক SMS, প্রেরকের নাম্বার এবং টাকার পরিমাণ অবশ্যই নিরীক্ষা করবেন। গ্রাহকরা ১৬২১৬ অথবা ০১১৯০০১৬২১৬ নাম্বার হতে SMS পাবেন।
§ যদি টাকার পরিমাণ সঠিক না থাকে বা SMS অন্য কোন নাম্বার থেকে প্রেরণ করা হয়, তবে তা সঠিক বলে বিবেচ্য হবে না।

২১। কোথায় টাকা উত্তোলন করবেন?
DBBL মনোনীত যে কোন এজেণ্ট, DBBL শাখা, ফাস্ট ট্র্যাক ও ATM এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের যে কোন শাখা থেকে টাকা উত্তোলন করা যাবে।

২২। কিভাবে এজেণ্ট পয়েন্ট হতে টাকা উত্তোলন করবেন?
ক) এজেন্ট কর্তৃক পরিচালিত পদ্ধতিঃ
§ গ্রাহক টাকা উত্তোলনের জন্য এজেন্টকে Check Digit সহ তার মোবাইল একাউন্ট নাম্বার ও টাকার পরিমাণ বলবেন।
§ এজেন্ট তার মোবাইল থেকে উত্তোলন পদ্ধতি শুরু করবেন।
§ গ্রাহক DBBL সিস্টেম হতে একটি নিম্নলিখিত USSD Flash বার্তা বা IVR কল পাবেনঃ
‘‘ডাচ্ বাংলা ব্যাংকে আপনাকে স্বাগতম। আপনার একাউন্ট থেকে # # # টাকা উত্তোলন করছেন। আপনার ৪ ডিজিটের PIN নাম্বারটি দিন অথবা না চাইলে কলটি বাতিল করুন।’’
§ গ্রাহক PIN নাম্বারটি টাইপ করবেন।
§ সিস্টেম গ্রাহকের মোবাইলে একটি বার্তা পাঠাবে।
§ এজেন্ট গ্রাহককে টাকা প্রদান করবেন।

খ) গ্রাহক কর্তৃক পরিচালিত পদ্ধতিঃ
এই পদ্ধতিতে গ্রাহক এজেন্ট পয়েন্টে গিয়ে নিজেই ক্যাশ উত্তোলন পদ্ধতি শুরু করতে পারবেন।
এজেন্ট পয়েন্টে গ্রাহক কর্তৃক ক্যাশ-আউট পদ্ধতিঃ
§ গ্রাহক তাঁর মোবাইল থেকে *322 # ডায়াল করবেন।
§ প্রদর্শিত মেন্যু থেকে ক্যাশ-আউটের জন্য ৭ লিখে রিপ্লাই করবেন।
§ এরপর এজেন্টের কাছ থেকে টাকা পাওয়ার জন্য ১ লিখে রিপ্লাই করবেন।
§ যে এজেন্টের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করতে এসেছেন সেই এজেন্টের ১২ ডিজিটের একাউণ্ট নাম্বার উল্লেখ করে রিপ্লাই করবেন।
§ গ্রাহক তাঁর প্রয়োজনীয় টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে রিপ্লাই করবেন।
§ সবশেষে ৪ (চার) ডিজিটের PIN দিয়ে ক্যাশ-আউট পদ্ধতি শেষ করবেন।
§ এরপর গ্রাহক এবং এজেন্ট দুইজনেই SMS পাবেন।
§ এজেন্ট তাঁর ব্যালেন্স চেক করে গ্রাহককে টাকা দিবেন।

২৩। ব্যক্তির একাউন্ট থেকে অপর ব্যক্তির একাউন্টে টাকা স্থানান্তর (P2P) কিভাবে করবেন?
মোবাইল একাউন্ট ব্যবহারকারী তার একাউন্ট থেকে অন্য কারো মোবাইল একাউন্টে টাকা স্থানান্তরই হলো P2P। বর্তমানে সকল মোবাইল একাউন্ট ব্যবহারকারীর যে কেউ তার একাউন্ট থেকে যে কোন মোবাইল একাউন্টে দৈনিক সর্বোচ্চ ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা ও মাসিক সর্বোচ্চ ২৫,০০০/- (পঁচিশ হাজার) টাকা স্থানান্তর করতে পারবেন।

একই প্রোডাক্টের আওতায় “সেন্ড মানি (P2P)” সম্পূর্ণ ফ্রি। কিন্তু এক প্রোডাক্ট থেকে অন্য প্রোডাক্টের গ্রাহকের কাছে “সেন্ড মানি” করলে ০.৯% হারে ফি প্রযোজ্য হবে। নতুন সফ্টওয়্যারে গ্রাহকগণ চেক ডিজিট ছাড়াই ‘‘সেন্ড মানি’’ করতে পারবেন, আবার চেক ডিজিট সহও পারবেন। তবে উল্লেখ্য যে, চেক ডিজিট ছাড়া ‘‘সেন্ড মানি’’ করলে ভূল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে এবং এই ক্ষেত্রে ব্যাংক কোন ভাবেই দায়িত্ব নিবে না।

সেন্ড মানি করার পদ্ধতিঃ
§ গ্রাহক তাঁর মোবাইল থেকে *322 # ডায়াল করবেন।
§ প্রদর্শিত মেন্যু থেকে সেন্ড মানির জন্য ২ লিখে রিপ্লাই করবেন।
§ প্রাপকের মোবাইল নাম্বার বা একাউন্ট নাম্বার উল্লেখ করবেন।
§ টাকার পরিমাণ প্রবেশ করাবেন।
§ সবশেষে ৪ (চার) ডিজিটের PIN দিয়ে সেন্ড মানি পদ্ধতি শেষ করবেন।

২৪। মোবাইল টপ-আপ কি?
DBBL মোবাইল একাউন্ট থেকে ব্যবহারকারী নিজেই তার অথবা অন্য কারো মোবাইলে ব্যালেন্স রিচার্জ করাই মোবাইল টপ-আপ।

২৫। কিভাবে মোবাইল টপ-আপ করবেন?
§ মোবাইল টপ-আপ করার জন্য গ্রাহক তার মোবাইলের Top-up মেন্যু থেকে “Self” অথবা “Other” এর যে কোন একটি সিলেক্ট করবেন।
§ নিজ মোবাইলে Top-up এর ক্ষেত্রে গ্রাহক টাকার পরিমাণ ও PIN নাম্বার এবং অন্যের মোবাইলে Top-up এর ক্ষেত্রে গ্রাহক মোবাইল নাম্বার, টাকার পরিমাণ ও PIN নাম্বার দিবেন।
§ মোবাইল টপ-আপ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে এবং গ্রাহক নিশ্চিতকরণ বার্তা পাবেন।

২৬। কিভাবে আপনার একাউন্টের ব্যালেন্স জানবেন?
§ গ্রাহক তাঁর মোবাইল থেকে *322 # ডায়াল করবেন।
§ প্রদর্শিত মেন্যু থেকে “ ৫ মাই একাউন্ট”-এর জন্য ৫ লিখে রিপ্লাই করবেন।
§ এখন “ব্যালেন্স” দেখার জন্য ১ লিখে রিপ্লাই করবেন।
§ এখন গ্রাহক ৪ (চার) ডিজিটের PIN প্রবেশ করালে মোবাইলে ব্যালেন্স দেখাবে।
§ গ্রাহক একটি SMS এর মাধ্যমে তা জানতে পারবেন।

♥ সকল গ্রাহকের জন্য ব্যালেন্স চেক সম্পূর্ণ ফ্রি।

২৭। কিভাবে PIN পরিবর্তন করবেন?
§ গ্রাহক তাঁর মোবাইল থেকে *322 # ডায়াল করবেন।
§ প্রদর্শিত মেন্যু থেকে “৫ মাই একাউন্ট”-এর জন্য ৫ লিখে রিপ্লাই করবেন।
§ PIN পরিবর্তনের জন্য ৩ লিখে রিপ্লাই করবেন।
§ এরপর গ্রাহক তাঁর বর্তমান PIN নাম্বারটি লিখে রিপ্লাই করবেন।
§ গ্রাহক তাঁর পছন্দ মতো ৪ (চার) ডিজিটের নতুন PIN নাম্বারটি লিখে রিপ্লাই করবেন।
§ এরপর থেকেই গ্রাহকের ৪ (চার) ডিজিটের নতুন PIN নাম্বারটি কার্যকর হবে।

২৮। মোবাইল একাউন্টে কি ইন্টারেস্ট পাওয়া যায়?
মাসিক সর্বনিম্ন ব্যালেন্সের উপর শতকরা ২% হারে গ্রাহকের একাউন্টে ষান্মাসিক ভিত্তিতে ইন্টারেস্ট প্রদান করা হয়। ফলে প্রতি মাসে গ্রাহকের একাউন্টের বিপরীতে ইন্টারেস্ট জমা হবে এবং প্রতি জুন ও ডিসেম্বরের শেষ তারিখে তা গ্রাহকের একাউন্টে প্রদান করা হবে।

(চলমান)

09/08/2016

#প্রিয়_প্রবাসী_আসসালামু_আলাইকুম,
আপনারা যারা সুদূর প্রবাস থেকে ডলার কিনে প্রিয়জনের সাথে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্থান, নেপাল সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কথা বলতে চান, তারা আমাদের কাছ থেকে কমমূল্যে ডলার বা লাইন নিতে পারেন এবং আপনি তা বিক্রি করে টাকা উর্পাজন করতে পারেন।
★১০০ ডলার=৭০০০ টাকা

★Reseller Level1, Level2, Level3, Level4 & Pin নিয়ে ব্যবসা বৃদ্ধি করুন।
★ফ্লেক্সীলোড-বিকাশ★
(বিডি, ইন্ডিয়া, পাকিস্থান ফ্লেক্সিলোডসহ এবং বাংলাদেশে বিকাশ, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, ডাচবাংলা ব্যাংকিং সুবিধা)
আমাদের কাছে রিসেলার
Sub-Admin panel, Level4, Level3, Level2, Level1 পাবেন।
★টাকা প্রদান করতে পারবেন :
(বিকাশ,ব্রাক ব্যাংক,যমুনা ব্যাংক,এনআরবি ব্যাংক,ইসলামী ব্যাংক)
★ : +96899368315
(WhatsApp,Viber,Imo

26/06/2016

জীবনের মানে বুঝতে গিয়ে অনেকেই
ভুল পথের
পথিক হয়ে যায়,
অনেকটা পথ হেটে এসে হঠাৎ করে সব
কিছু
এলোমেলো মনে হয়।
মাঝপথে দাড়িয়ে চিন্তার জগতে
গিয়ে আটকে
যায় বোঝা আর না বোঝার
মাঝখানে।
পিছনে ফিরে পাওয়া না পাওয়ার
হিসেব করতে
গিয়ে পায়না কিছুই,হারিয়ে যায়
অনেক কিছু।
"হয়তো অনেকে সঠিক পথের সন্ধানে
পুরোনো
যং ধরা স্বপ্ন নিয়ে ফিরে আসার
একটা ছক
আকে!
"হয়তোবা অনেকে আপনজনের অর্থহীন
নির্বাক
আচরন,প্রিয় মানুষ থেকে পাওয়া
অবহেলিত
ভালবাসা,বন্ধুদের থেকে পাওয়া কষ্ট
আর
যান্ত্রিক শহরের যান্ত্রিক যন্ত্রনা
নিয়ে
হারিয়ে যায় ভুল পথের মাঝে...

25/06/2016

পৃথিবীতে সবচেয়ে ভাল বন্ধু হলো আয়না।
আপনি হাসলে সেও হাসবে,আপনি কাঁদলে সেও
কাঁদবে।
আপনি যদি তাকে আঘাত করেন,সে একবারও
আঘাত
করবেনা।
বরং,নিজেই ভেঙে পড়বে।

24/06/2016

"পৃথিবীতে ঐ দুটি চোখ বেশী দামী, যে চোখ
আল্লাহর দরবারে গভীর রাতে নিরবে অশ্রু ঝড়ায়।
ঐ দুটি হাত বেশী দামী, যে হাত আল্লাহর কাছে
ক্ষমা প্রার্থনা করে।"
___ মহানবী হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ)

23/06/2016

যে ব্যক্তি
জুমার দিন আসরের নামাজের
পর নিজ স্থান থেকে ওঠার
আগে ৮০ বার এই দরুদ শরিফ
পাঠ করে- ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি
আলা মুহাম্মাদিনিন
নাবিইয়্যিল উম্মিইয়ি ওয়া
আলা আলিহি ওয়া আস হাবিহি
ওয়াসাল্লিমু তাসলিমা’। তার
৮০ বছরের পাপ ক্ষমা হয়ে যায়
এবং ৮০ বছরের ইবাদতের
সওয়াব তার আমলনামায় লেখা
হয়।

23/06/2016

সুখী জীবনের জন্য ২৫ টি টিপসঃ

১. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন৷
২. নির্জন কোন স্থানে একাকী অন্তত ১০ মিনিট বসুন।
৩. ঘুম থেকে উঠেই প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে থাকার চেষ্টা করুন। সারা দিনের করণীয় গুলো সম্পর্কে মনস্থির করুন।
৪. নির্ভরযোগ্য প্রাকৃতিক উপাদানে ঘরে তৈরি খাবার বেশি খাবেন আর প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাবেন।
৫. সবুজ চা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৬. প্রতিদিন অন্তত ৩ জনের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করুন।
৭. গালগপ্প, অতীতের স্মৃতি, বাজে চিন্তা করে আপনার মূল্যবান সময় এবং শক্তি অপচয় করবেন না। ভাল কাজে সময় ও শক্তি ব্যয় করুন।
৮. সকালের নাস্তা রাজার মত, দুপুরের খাবার প্রজার মত এবং রাতের খাবার খাবেন ভিক্ষুকের মত।
৯. জীবন সব সময় সমান যায় না, তবুও ভাল কিছুর অপেক্ষা করতে শিখুন।
১০. অন্যকে ঘৃনা করে সময় নষ্ট করার জন্য জীবন খুব ছোট, সকলকে ক্ষমা করে দিন সব কিছুর জন্য।
১১. কঠিন করে কোন বিষয় ভাববেন না। সকল বিষয়ের সহজ সমাধান চিন্তা করুন।
১২. সব তর্কে জিততে হবে এমন নয়, তবে মতামত হিসাবে মেনে নিতে পারেন আবার নাও মেনে নিতে পারেন।
১৩. আপনার অতীতকে শান্তভাবে চিন্তা করুন, ভূলগুলো শুধরে নিন। অতীতের জন্য বর্তমানকে নষ্ট করবেন না।
১৪. অন্যের জীবনের সাথে নিজের জীবন তুলনা করবেন না।
১৫. কেউ আপনার সুখের দায়িত্ব নিয়ে বসে নেই। আপনার কাজই আপনাকে সুখ এনে দেবে।
১৬. প্রতি ৫ বছরমেয়াদী পরিকল্পনা করুন এবং ওই সময়ের মধ্যেই তা বাস্তবায়ন করুন।
১৭. গরীবকে সাহায্য করুন। দাতা হোন, গ্রহীতা নয়।
১৮. অন্য লোকে আপনাকে কি ভাবছে তা তাদের ব্যপার আপনার এ নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই।
১৯. কষ্ট পুষে রাখবেন না। কারণ সময়ের স্রোতে সব কষ্ট ভেসে যায়।
২০. মনে রাখবেন সময় যতই ভাল বা খারাপ হোক তা বদলাবেই।
২১. অসুস্থ হলে আপনার ব্যবসা বা চাকুরী অন্য কেউ দেখভাল করবে না। করবে বন্ধু কিংবা নিকটাত্মীয়রা, তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখুন।
২২. ফেইসবুক অনেক সময় নষ্ট করে। পোষ্টটি পড়তে পড়তেই অনেক খানি সময় নষ্ট করেছেন। ফেইসবুকে আপনার সময় নির্দিষ্ট করুন। কতক্ষণ সময় থাকবেন এখানে।
২৩. প্রতি রাত ঘুমানোর আগে আপনার জীবনের জন্য বাবা মাকে মনে মনে ধন্যবাদ দিন।
২৪. মনে রাখুন জীবনের কোন কোন ভুলের জন্য আপনি ক্ষমা পেয়েছেন। সেসব ভুল আর যেন না হয় তার জন্য সতর্ক থাকুন।
২৫. আপনার বন্ধুদেরও তথ্যগুলো জানান, যেন তারাও আপনার ভাল দিকগুলো সম্পর্কে জানেন এবং আপনাকে আপনার মত করে চলতে দেয়।

আপনারা লাইক ও শেয়ার না করলে তথ্য দেয়ার আগ্রহ থাকে না। তাই নিয়মিত লাইক ও শেয়ার করুন৷
***********************************
বিঃদ্রঃ আমাদের পোষ্টগুলো যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে সংক্ষেপে
T=Thanks
G=Good,
V=Very Good
E=Excellent লিখে কমেন্টস করবেন।
নিয়মিত তথ্য পেতে অামাদের পেইজে লাইক দিন৷
অন্যদের জানাতে পোস্টটি শেয়ার করুন

22/06/2016

মাসজিদুল হারামের ইমাম শাইখ মাহির রমজানের শেষ দশ দিনের জন্য এক চমৎকার আমলের ফর্মুলা দিয়েছেন:
=======================“
১) প্রতিদিন এক দিরহাম (এক টাকা) দান করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর (১০০০ মাস) পর্যন্ত প্রতিদিন এক টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন।

২) প্রতিদিন দু' রাকা'আত নফল সালাত আদায় করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন দু' রাকা'আত সালাতের সাওয়াব পাবেন।

৩) প্রতিদিন তিন বার সূরা ইখলাস পাঠ করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন এক খতম ক্বুর'আন পাঠের সাওয়াব পাবেন ।

তিনি আরও বলেন, উপরের কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার কথা শুনে এ আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমান সাওয়াব পাবেন
ইনশাআল্লাহ্। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "ভালো কাজের পথ
প্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।..." [মুসলিম ২৬৭৪]

Want your business to be the top-listed Furniture Store in Salalah?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Salalah
00968